ধর্মের অপব্যাখ্যা আর সামাজিক কুসংস্কারের কাছে
অসহায় আত্মসমর্পণ করে আলেয়া, অথচ তারই বড় বোন
রাহেলা সবকিছুকেই যুক্তি দিয়ে বিচার করতে চায়, যদিও
পরিণামে তাকে কঠিন ফলই ভোগ করতে হয়।
উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাস নিচের কোন
মন্তব্যকে যৌথভাবে ধারণ করে?
A.
ধর্মের অপব্যাখ্যাকারীরা সমাজে প্রবলভাবে
প্রভাব বিস্তার করে
B.
যেকোনো শুভ উদ্যোগকে কুসংস্কারবাদীরা
সন্দেহের চোখে দেখে
C.
ধর্মের অপব্যাখ্যা যারা মেনে নেয় তারা শান্তিময়
জীবনযাপন করে।
D.
প্রচলিত সমাজব্যবস্থার বিরুদ্ধাচরণকারীরা
সবসময়ই নিগৃহীত হয়
সঠিক উত্তরঃ
D.
প্রচলিত সমাজব্যবস্থার বিরুদ্ধাচরণকারীরা
সবসময়ই নিগৃহীত হয়
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- বেলতলী গ্রামে বেলায়েতের বাস। গ্রামের মানুষ কুসংস্কার আচ্ছন্ন। গ্রামবাসী বিশ্বাস করে 'কাক ডাকলে দুঃখ আসে' পিছন থেকে ডাকলে বিপদ আসে। 'শিয়াল দেখলে অমঙ্গল হয়' ইত্যাদি। বেলায়েত দেখেছে গ্রামের সহজ-সরল মানুষের এই সংস্কার কাজে লাগিয়ে এক পির ব্যবসা করে যাচ্ছে। পিরের কবল থেকে গ্রামের মানুষকে উদ্ধারের জন্য, বিজ্ঞানমনস্ক করার তাগিদে একটি আধুনিক স্কুল প্রতিষ্ঠা করতে বদ্ধপরিকর হয়ে শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়।'সময়ের বিবর্তন হলেও কুসংস্কার আগের মতোই আছে।'- উদ্দীপকের বিষয় ও 'লালসালু' উপন্যাস অবলম্বনে কথাটি বিচার করো।
- 'লালসালু' উপন্যাসে তানুবিবি কে?
- 'বিশ্বাসের পাথরে যেন খোদাই সে চোখ'-উক্তিটি বুঝিয়ে লেখো।
- 'ধান দিয়া কী হইব মানুষের জান-যদি না থাকে?' -উক্তিটিতে বক্তারমনোভাব ব্যাখ্যা করো।
- "লালসালু" উপন্যাসে ‘দেশটা কেমন মরার দেশ।’ কোন প্রসঙ্গে বলা হয়েছে?
- লক্ষ্মীপুর গ্রামের দাহির ও পারুলের আজ সাত বছরের সংসার। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো তাদের কোনো সন্তান নেই। এজন্য স্বামী-স্ত্রী উভয়েই চরম হতাশায় নিমজ্জিত। এমন অবস্থায় তারা শুনতে পায়; পাশের গ্রামের চেয়ারম্যানের বাড়িতে এক কামেল পির সাহেব এসেছে। তাদের মনে যেন আশার আলো, জ্বলে। স্ত্রী পারুলকে সাথে নিয়ে পরদিনই দাহির পির সাহেবের সাথে সাক্ষাৎ করে। পির সাহেব পারুলকে অনেকক্ষণ নিরীক্ষণ করে জানায়, 'পেটে বেড়ি পড়ে বইলাই তো স্ত্রীলোকদের সন্তান হয় না।'"উদ্দীপকের পীর সাহেব 'লালসালু' উপন্যাসের বর্ণিত পির সাহেবের চেয়ে বেশি ক্ষমতাশালী নয়।"-এ মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- 'তোমার দাড়ি কই মিঞা' কার প্রসঙ্গে বলা হয়েছে?
- জেলে জীবন কেন্দ্রিক উপন্যাস কোনটি?
- 'শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি'- ব্যাখ্যা করো।
- 'কদর্য এশীয়’ বইটির লেখক কে?
- 'গ্রামের লোকেরা যেন রহিমারই অন্য সংস্করণ।'- বুঝিয়ে লেখো।
- আমেনা বিবি কোন দিন রোজা রাখে?
- তপু ভাগ্যান্বেষণে ঘুরতে ঘুরতে এসে হাজির হয় রাজধানী ঢাকায়। মিটফোর্ডে এক ফুটপাতে হোটেলে খেতে গিয়ে দেখতে পায় পাশের নর্দমায় অনেকগুলো ঔষধ পড়ে আছে। হোটেল বয়ের কাছে জানতে পারে এগুলো মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ কোম্পানি ফেলে গেছে। তার মাথায় বিদ্যুৎ খেলে যায়। সে ঐ ঔষধগুলো কুড়িয়ে নতুন প্যাকেটে মুড়ে কম দামে বিক্রি করতে থাকে। সাধারণ মানুষ কম দামে পেয়ে সরল বিশ্বাসে তার দোকান থেকে ঔষধ কিনে প্রতারিত হতে থাকে। আর তপু অল্পদিনে ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি বনে যায়।উদ্দীপকের তপুর মাঝে ফুটে উঠেছে 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদের চরিত্র- ব্যাখ্যা করো।
- হীরক রা??ার দর্শন হলো; যে যত জানে সে তত কম মানে। তাই স্কুল বন্ধ করে দেয়া হলো।
- মজিদ আওয়ালপুর যায় কেন?- ব্যাখ্যা করো।
- 'পাথর এবার হঠাৎ নড়ে'- চরণে উল্লেখিত ‘পাথর' হলো-
- মজিদ আক্কাসকে স্কুল প্রতিষ্ঠা করতে বাধা দেয় কেন?
- অন্ন চাই, প্রাণ চাই, আলো চাই, চাই মুক্ত বায়ুচাই বল, চাই স্বাস্থ্য, আনন্দ-উজ্জ্বল পরমায়ু’সাহস বিস্তৃত বক্ষপট। এ দৈন্য-মাঝারে কবি,একবার নিয়ে এসো স্বর্গ হতে বিশ্বাসের ছবি।উক্ত চরিত্র সৃষ্টিতে লেখকের মূল উদ্দেশ্য হলো- নির্জীব ধর্মতন্ত্রের বিরুদ্ধে পদাঘাত ও সজীবপ্রাণধর্মের জাগরণশেকড় গাড়া কুসংস্কার, অন্ধবিশ্বাস ও ভীতিরসঙ্গে সুস্থ ও মুক্ত জীবনাকাঙ্ক্ষার দ্বন্দ্বধর্মব্যবসায়ী মজিদের অস্তিত্ব সংকট ও সংকটেরএকটি মানবীয় দ্বন্দ্বময় রূপ সৃষ্টিনিচের কোনটি সঠিক?
- রসুলপুর গ্রামের অধিকাংশ মানুষ অশিক্ষিত, ধর্মান্ধ, কুসংস্কারাচ্ছন্ন। সেই গ্রামের দুরন্ত মেয়ে নাসরিন। বন্ধুদের সঙ্গে ছুটোছুটি করা, অবাধ সাঁতার কাটা তার আনন্দের কাজ। নাসরিনের বিয়ে হয় পাশের গ্রামের, মাতব্বরের সাথে। গ্রামের সকলেই তাঁকে মানলেও নাসরিন তাঁকে মানে না।"উদ্দীপকের মাতব্বর 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের সামগ্রিক দিক ধারণ করেনি।- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।
- 'গ্রামের লোকেরা যেন রহিমারই অন্য সংস্কারণ।'- উক্তিটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।
- মধ্যযুগে বাংলার মুসলিম নারীসমাজ অনেকটাই পিছিয়ে ছিল। শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ তো তারা পেতই না বরং চার দেয়ালের মাঝে বন্দি জীবন কাটাতে হতো। ধর্মের নামে অধর্মের বেসাতি চালানো হতো তাদের ওপর। পুরুষতান্ত্রিক সমাজে সর্বদাই নারীরা ছিল অবহেলার - পাত্র। নিতান্তই হুকুম পালন ও ঘরকন্না ছাড়া তাদের আর কোনো অধিকার ছিল না।'পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নারীরা সর্বদাই অবহেলার পাত্র।'-উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসের আলোকে তোমার মতামত দাও।
- প্রথম যখন হোসেন মিয়া কেতুপুরে এসেছিল পরনে একটাছেঁড়া লুঙ্গি, মাথায় এক ঝাঁক রুক্ষ চুল — ঘষা দিলে গায়েখড়ি উঠত। এখন সে অনেক সম্পদ ও প্রতিপত্তির মালিক। 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদের মতো হোসেন মিয়াও— ভাগ্যান্বেষীসচ্ছলসফলনিচের কোনটি সঠিক?
- মজিদের দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম কী?
- 'জমিলা যেন ঠাঁটাপড়া মানুষের মতো হয় গেছে।'- ব্যাখ্যা করো।
- 'তুমি কি হরফ কইরা বলতে পারো তোমার দিলেময়লা নাই?' এ প্রশ্ন কে করেছে?