‘সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রথম অঙ্কের প্রথম দৃশ্যের
স্থান কোথায়?
A.
ফোট উইলিয়াম দুর্গ
B.
ফোট উইলিয়াম জাহাজ
C.
ঘসেটি বেগমের বাড়ি
D.
নবাবের দরবার
সঠিক উত্তরঃ
A.
ফোট উইলিয়াম দুর্গ
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- জুয়েল প্রতিষ্ঠিত ডাক্তার কিন্তু পুরোনো ধ্যানধারণা আঁকড়ে থাকা পিতার কঠিন অসুখেও চিকিৎসাসেবা সে দিতে পারে না। তাবিজ-কবজ আর পানিপড়ায় বিশ্বাসী পিতা আমিরুল ডা. জুয়েলকে একরকম ত্যাজ্য করেছেন বলা যায়; কারণ গ্রামের গরিব মানুষদের জন্য ডা. জুয়েল আধুনিক এক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেছেন এবং তা তার পিতার মতোই কুসংস্কারচ্ছন্ন ব্যক্তিবর্গের বিরুদ্ধে গিয়েই। তারা মনে করেন এতে ধর্মনাশ হচ্ছে আর তারা পাপের ভাগীদার হচ্ছে। মূলত এইসব কুসংস্কারের মূলে রয়েছে তাদের পীরসাহেব, যার পানিপড়া নিতে আজকাল খুব কম মানুষই আসে।'নিজ স্বার্থরক্ষায় ধর্মীয় গোঁড়ামি কায়েম করে পীরসাহেব এবং মজিদ দুজনেই ধর্মভীরু মানুষকে আধুনিকতার সুফল থেকে বঞ্চিত করেছে।'- উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাস অবলম্বনে তোমার শিখনফল লেখো।
- 'দুনিয়াটা বড় বিচিত্র জায়গা'- ব্যাখ্যা করো।
- 'পোলা মাইনষের মাথায় একটা বদ খেয়াল ঢুকছে'- উক্তিটি দিয়ে কী বোঝানো হয়েছে?
- 'লালসালু' উপন্যাসে কাকে 'শয়তানের খাম্বা' বলা হয়েছে?
- নিচের কোনটি উপন্যাস নয়?
- শিক্ষিত মানুষের কালচারই ধর্ম আর সাধারণ মানুষের ধর্মই কালচার। এ কারণে দরিদ্র অঞ্চলে ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে যুগে যুগে গড়ে তোলা হয়েছে বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠন। যেখানে সাধারণ মানুষের সরল বিশ্বাসকে পুঁজি করে কেন্দ্রে থাকা নেতারা গড়ে তোলেন সম্পদের পাহাড়। এমনি একজন আধ্যাত্মিক নেতা হলেন শফিউল্লাহ। যিনি ভক্তের সাথে সাক্ষাতের নাম করে সিঙ্গাপুর যান নিজের চিকিৎসার জন্য। আর ভক্তদের চিকিৎসার জন্য মহৌষধ হলো তাঁর পড়া পানি।উদ্দীপকের শফিউল্লাহ এর সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ও কতটুকু- ব্যাখ্যা করো।
- আব্দুল্লাহ যখন শাহ পাড়ার গোলদার বাড়ি আসিয়া পৌছিল তখন বেলা প্রায় দ্বিপ্রহর। সংবাদ পাইয়া গৃহস্বামী গোলদার ব্যস্ত সমস্ত হইয়া ছুটিয়া আসিল এবং তাহার দীর্ঘ শুভ্র শশ্মাশ্রুরাজি ভূলুণ্ঠিত করিয়া আব্দুল্লাহকে কদমবুসি করিতে উদ্যত হইল। এ ধরনের অভিনন্দনের জন্য আব্দুল্লাহ একেবারেই প্রস্তুত ছিল না। পথে হঠাৎ সাপ দেখিলে মানুষ যেমন এক লম্ফে হটিয়া দাঁড়ায়, সেও তেমনি হটিয়া গিয়া বলিয়া উঠিল 'আহা, করেন কি, করেন কি, গোলদার সাহেব। কাসেম গোলদার বড়োই সরলপ্রাণ, ধর্মপরায়ণ, পিরভক্ত লোক। আব্দুল্লাহর পিতা তাহার পির ছিলেন, এক্ষণে তাহার মৃত্যুতে আব্দুল্লাহ তাঁহার স্থলাভিষিক্ত বলিয়া মনে করিয়া লইয়া সে আব্দুল্লাহর কদমবুসি করিবার জন্য নত মস্তকে হাত বাড়াইয়াছিল। কিন্তু আব্দুল্লাহ পা টানিয়া লওয়ায় সে উহা স্পর্শ করিতে পাইল না; তাহার মনে হইল বেহেশতের দুয়ারের চাবি তাহার হাতের কাছ দিয়া সরিয়া শেল।উদ্দীপকের আব্দুল্লাহর সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদের চারিত্রিক পার্থক্য দেখাও।
- বাংলা ভাষায় উপন্যাস লেখায় সূচনা ঘটে কোন শতকে?
- মুরাদপুর একটি অবহেলিত গ্রাম। গ্রামটি যোগাযোগব্যবস্থায় যেমন পিছিয়ে তার চেয়ে বেশি শিক্ষায়। নারী শিক্ষায় পিছিয়ে থাকায় গ্রামে বাল্য বিয়ে নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার। গ্রামের ছেলে মনির হোসেন এমএসসি পাশ করে সরকারি চাকরির সুযোগ পেয়ে গ্রহণ করেননি। তিনি গ্রামে প্রতিষ্ঠা করেন একটি বালিকা বিদ্যালয়। এখানে সেলাই কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করে মেয়েদের কর্মমুখী শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করেন।উদ্দীপকের মনির কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌছাতে পারলেও 'লালসালু' উপন্যাসের আক্কাস সফল হয়নি।"- মন্তব্যটি বিচার করো।
- "সজ্ঞানে না জানলেও তারা একাট্টা, পথ তাদের এক।"- ব্যাখ্যা কর।
- দারিদ্র্যের কশাঘাতে জর্জরিত কামাল কমলাপুর রেলস্টেশনে আশি টাকার বিনিময়ে একজন যাত্রীর মালামাল মাথায় নিতে দেখেই অন্য কুলিরা তাকে ধাক্কা দিয়ে, ফেলে দেয়। জীবন ও জীবিকার তাগিদেই সে তার অবস্থান সুসংহত করার চেষ্টা করে। এক সময় সে কুলিদের নেতা হয়। শ্রমিক রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করে সে অনেক প্রভাব বিস্তার করে। এর মাধ্যমে সে বিত্তশালী হয়ে ওঠে।'উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসের মূল প্রবণতা অস্তিত্ব সংকট এবং তা থেকে উত্তরণ।'- মন্তব্যটি বিচার করো।
- ডোমপাড়া থেকে কীসের শব্দ ভেসে আসে?
- 'কিন্তু দেশটা কেমন মরার দেশ'—বলার কারণ কী?
- বন্ধয়া গ্রামের মানুষগুলো গোলাভরা ধান আছে আর আছে জীবনের জন্য সংগ্রামী চেতনা। এ গ্রামের যুবক থেকে বৃদ্ধ সকলে ফসলের মাঠে সুরের মূর্ছনা তোলে, তেমনি প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় গাজীপীর-বা বদরপীরের সাহায্যও নিয়ে থাকে। এ গ্রামের অনেকের ঘরেই দুঃখ থাকা সত্ত্বেও তারা সেটা বাইরে প্রকাশ করে না। এদের দুঃখের কারণ প্রতারক শ্রেণির মানুষ। এরা সরল ও ধর্মপ্রাণ অত্যন্ত পরিশ্রমী ও কর্মঠ। তাদের কণ্ঠভরা গান আছে, কিন্তু ধর্ম সম্পর্কে জ্ঞানহীন অজ্ঞ।' উদ্দীপকের গ্রামবাসীর সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগর গ্রামের মানুষের সাদৃশ্য তুলে ধরো।
- ধলা মিয়ার সঙ্গে খালেক ব্যাপারী ধমক-ধামকে কথা বলে কেন?
- আসল চিঠি গায়েব করে কোম্পানির কাছে নকল চিঠি পাঠাচ্ছে কে?
- 'সময়ে-অসময়ে মিথ্যা কথা না বললে নয়।'- কে মিথ্যা কথা বলে এবং কেন?
- 'একরত্তি মাইয়া কিন্তু বড়ো ভালো'- উক্তিটি কার?
- 'লালসালু' উপন্যাসের ইউনিয়ন বোর্ডের প্রেসিডেন্টের নাম কী?
- 'লালসালু' উপন্যাসে হাঁপানি রোগী কে?
- "রহিমার অলক্ষ্যে ছাপিয়ে ওঠো অশ্রুর সঙ্গে কতক্ষণ লড়াই করে জমিলা তারপর কেঁদে ফেলে"- তার এই কান্নার কারন কী?
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্-র সহধর্মিণী কে ছিলেন?
- মোহনপুরের যখন নিপাহ ভাইরাস দেখা দিল, তখন গ্রামবাসী। আতঙ্কে বাড়িঘর ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় খুঁজছিল। এমন সময় তোতা কবিরাজ গ্রামটিকে রক্ষা করার জন্য সচেষ্ট হন। তিনি চিনি পড়া, পানি পড়া দিয়ে চিকিৎসা দেন এবং অনেক টাকাপয়সা হাতিয়ে নেন। কিছুদিন পর নিপাহ ভাইরাস বিদায় নেয়। অবশ্য ইতিমধ্যে অনেক মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হয়। তবুও গ্রামের মানুষ তোতা কবিরাজের অলৌকিক ক্ষমতায় মুগ্ধ হয়ে তাকে অর্থ-সম্পদ উপহার দেয় এবং ভয়ও করে।উদ্দীপকের তোতা কবিরাজের সঙ্গে লালসালু উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের সাদৃশ্য আলোচনা করো।
- 'যোগসূত্র হচ্ছে রহিমা'-ব্যাখ্যা করো।
- “ কী মিঞা? তোমার দিলে কি ময়লা আছে?” – উক্তিটি কার?