অতি সন্তর্পণে ধানের ফাঁকে ফাঁকে তারা নৌকা চালায়,
কেন?
A.
ঢেউ বা শব্দ হওয়ার ভয়ে
B.
দক্ষ শিকারি বলে
C.
ধানখেতে নৌকা চালানো অসুবিধার জন্য
D.
সতর্কতার মার নেই বলে
সঠিক উত্তরঃ
A.
ঢেউ বা শব্দ হওয়ার ভয়ে
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- এনায়েত রসুলপুর মসজিদের ইমাম। সর্বদা এবাদত বন্দেগিতে মশগুল থাকে সে। মাদ্রাসা শিক্ষার সর্বোচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ায় সবাই তাকে মান্য করে। সুন্দর নূরানী চেহারা হওয়ায় এলাকার সবাই তাকে পীর সাহেব হিসাবে গণ্য করে। সে হঠাৎ ফতোয়া জারি করে সকল দান খয়রাত এলাকার মানুষ যেন মসজিদ মাদ্রাসায় দেয়। একথা শুনে এলাকার আধুনিক শিক্ষিত যুবক মেহেরা প্রতিবাদ জানায়। কিন্তু এলাকার কুসংস্কারাচ্ছন্ন মানুষ মেহেরার কথায় সায় দেয় না বরং বিরোধিতা করে। তাদের ধারণা বাংলা, ইংরেজি পড়া স্কুল কলেজে পড়লে মানুষ শয়তানের দোসর হয়। পরকাল শেষ হয়ে যায়। তাই সকল দান খয়রাত, পড়াশুনা মসজিদ মাদ্রাসাভিত্তিক হওয়া দরকার।উদ্দীপকে বর্ণিত মসজিদের ইমাম এনায়েতের ফতোয়ার বিরোধিতা করে আধুনিক শিক্ষিত যুবক মেহেরা 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে- আলোচনা কর।
- ‘তার আনুগত্য ধ্রুবতারার মতো অনড়, তার বিশ্বাস পবর্তের মতো অটল' এখানে কার কথা বলা হয়েছে?
- বন্ধয়া গ্রামের মানুষগুলো গোলাভরা ধান আছে আর আছে জীবনের জন্য সংগ্রামী চেতনা। এ গ্রামের যুবক থেকে বৃদ্ধ সকলে ফসলের মাঠে সুরের মূর্ছনা তোলে, তেমনি প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় গাজীপীর-বা বদরপীরের সাহায্যও নিয়ে থাকে। এ গ্রামের অনেকের ঘরেই দুঃখ থাকা সত্ত্বেও তারা সেটা বাইরে প্রকাশ করে না। এদের দুঃখের কারণ প্রতারক শ্রেণির মানুষ। এরা সরল ও ধর্মপ্রাণ অত্যন্ত পরিশ্রমী ও কর্মঠ। তাদের কণ্ঠভরা গান আছে, কিন্তু ধর্ম সম্পর্কে জ্ঞানহীন অজ্ঞ।' উদ্দীপকের গ্রামবাসীর সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগর গ্রামের মানুষের সাদৃশ্য তুলে ধরো।
- ধূর্ত তুহিন সাধারণ মানুষের অশিক্ষা ও ধর্মভীতিকে কাজেলাগিয়ে এলাকাবাসীদের নিয়ন্ত্রণ করে এবং তাবিজ বিক্রি ওপানি পড়া দিয়ে অর্থ উপার্জন করে। তার স্ত্রী সহজ-সরলশোভা স্বামীর প্রতি বিশ্বাস, আস্থা ও নির্ভরতায় অন্ধ।উদ্দীপকের তুহিন ও 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদউভয়েরই অর্থোপার্জনের কৌশল—প্রতারণাপ্রভাব বিস্তারব্যাকুলতানিচের কোনটি সঠিক?
- 'লালসালু' উপন্যাসে 'মজিদের দেশে' বলতে কোন অঞ্চল বোঝানো হয়েছে?
- মোদাচ্ছের' কথাটির অর্থ কী?
- অবস্থাপন্ন কৃষক জমির উদ্দিন তার ছেলেকে ডাক্তার বানানোর ইচ্ছায় শহরে পড়তে পাঠায়। শেষ পর্যন্ত তার ছেলে ফাহাদ ডাক্তারি পাস করে বাবার আশা পূরণ করে। ফাহাদের ইচ্ছা গ্রামের অসহায়, দুস্থ রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিয়ে সুস্থ করে তোলা এবং তাবিজ কবজ, ঝাড় ফুঁক প্রভৃতি অন্ধবিশ্বাস, কুসংস্কার হতে গ্রামবাসীকে মুক্ত করা। গ্রামের মসজিদের ইমাম ফতেহ আলী কিন্তু ব্যাপারটা ঠিক পছন্দ করেন না। ফাহাদের বাবাও চান না ছেলে গ্রামে বসবাস করুক। তবে ডাঃ ফাহাদ যে কোনো মূল্যে তার ইচ্ছা পূরণে দৃঢ় প্রত্যয়ী।"উদ্দীপকের ফতেহ আলী 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রকে আংশিক ধারণ করতে পেরেছে।"- তোমার মত প্রকাশ কর।
- পৃথিবীতে কিছু মানুষ আছে যারা নিজের অস্তিত্বকে টিকিয়ে রাখতে সদা তৎপর। নিজের ক্ষমতা, লোভ, প্রভাব ও স্বপ্নকে টিকিয়ে রাখতে যেকোনো কাজ তার দ্বারা সম্ভব। যারা প্রবৃত্তির এই ফাঁদে পা দেয় তারাই জানে এই দুনিয়ায় সচ্ছলভাবে টিকে থাকতে হলে তাকে নিজের সবটুকু দিয়েই চেষ্টা করতে হবে। ন্যায়-অন্যায়, পাপবোধ সেখানে ক্ষি ক্ষণিকের জন্য জন্য বিবেকবোধকে বিবেক জাগ্রত করলেও ৯৮ তা দুনিয়ার স্বার্থে অচিরেই ম্লান হয়ে যায়।উদ্দীপকের ভাবার্থ 'লালসালু' উপন্যাসে শাসন ও শোষণের অধিকার প্রতিষ্ঠার বিবরণের আলোকে বিশ্লেষণ কর।
- 'লালসালু' উপন্যাসটি কোন গ্ৰামের পটভূমিতে লেখা ?
- পাঠান পরিবারের নারীরা বলতে গেলে বাড়ির বাইরে কেউ বের হন না। আর চাকরি করার কথাতো কল্পনাও 'কারা যায় না। কিন্তু আজিজ পাঠানের ছোটো পুত্রবধূ চাকরি করেছেন। এই নিয়ে পাঠান পরিবারের কেউ সন্তুষ্ট তো নন-ই, পারলে সকলে মিলে ছোটো পুত্রবধূর নিন্দা করেন, তাকে বিরক্তির চোখে দেখেন। সকল বাধা অতিক্রম করে ছোটো পুত্রবধূ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করে যাচ্ছেন প্রতিদিন বাড়ির বাইরে বের হচ্ছেন, পা রাখছেন স্বাধীনতার আঙিনায়, স্বাবলম্বনের মাটিতে।উদ্দীপকের বিষয়বস্তু 'লালসালু' উপন্যাসের খণ্ডাংশ মাত্র, সামগ্রিক চিত্র নয়।"- বিশ্লেষণ করো।
- 'হাজার বছর ধরে' উপন্যাসে বর্ণিত টুনি চরিত্রটি একটি কিশোরীসুলভ চপলতার প্রতীক। স্বামী ও সংসার সম্পর্কে সে ছিল একেবারেই অনভিজ্ঞ। সমবয়সিদের সাথে খেলাধুলা ও হাসি-তামাশা করতেই তার বেশি ভালো লাগত। এই চপলা- চঞ্চলা টুনিকেই বিয়ে করে ঘরে আনে ষাট বছরের বুড়ো মকবুল। তাদের বয়েসের বিস্তর ব্যবধান থাকায় স্বামী ও সংসারের সুখ তার কপালে জোটেনি।উদ্দীপকের টুনির সাথে- 'লালসালু' উপন্যাসের যে চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে তা আলোচনা কর।
- মাহাবুব সাহেব মধ্যপ্রাচ্যে গিয়ে অঢেল টাকা উপার্জন করেছেন। এলাকার রাস্তা, সেতু, মসজিদ, মন্দির তৈরিতে অর অকাতর দান রয়েছে। নিঃসন্তান মাহাবুবের পিতৃ-হৃদয়ের আস্বাদ পূরণে অনেকেই অকে দ্বিতীয় বিয়ের পরামর্শ দেন। স্ত্রী শামিমাও তাকে এ প্রস্তাব দেন। মাহাবুব তার এক বোনের নবজাতককে নিজ সন্তান হিসেবে প্রতিপালন করে স্ত্রী শামিমার মাতৃ-হৃদয়ের অতৃপ্ত বাসনা পূরণ করেন।"উদ্দীপকের প্রতিফলিত ইতিবাচক জীবন চেতনা 'লালসালু' উপন্যাসে অনুপস্থিত।"- উক্তিটি পরীক্ষা করো।
- এ পৃথিবীর মৎস্য-মাংসে আমাদের কিছু অধিকার আছে। খাইতে দাও- নহিলে চুরি করিব। আমাদের কৃষ্ণ চর্ম, শুষ্ক মুখ, ক্ষীণ সকরুণ মেও মেও শুনিয়া তোমাদিগের কি দুঃখ হয় না? চোরের দন্ড আছে, নির্দয়তার কি দণ্ড নাই? দরিদ্রের আহার সংগ্রহের দণ্ড আছে, ধনীর কার্পণ্যের দণ্ড নাই কেন? তুমি কমলাকান্ত, দূরদর্শী, কেন না আফিংখোর, তুমিও কি দেখিতে পাও না যে, ধনীর দোষেই দরিদ্র চোর হয়? পাঁচশত দরিদ্রকে বঞ্চিত করিয়া একজনে পাঁচ শত লোকের আহার্য সংগ্রহ করিবে কেন? যদি করিল, তবে সে আহার খাইয়া যাহা বাচিয়া পড়ে, তাহা দরিদ্রকে দিবে না কেন? যদি না দেয়, তবে দরিদ্র অবশ্য তাহার নিকট হইতে চুরি করিবে; কেননা, অনাহারে মরিয়া যাইবার জন্য এ পৃথিবীতে কেই আসে নাই।"সমাজের ভণ্ডামি ও কুসংস্কার দূর করতে 'লালসালু' পাঠ যৌক্তিকতার দাবি রাখে।"- তোমার মতামত ব্যক্ত করো।
- লালসালু উপন্যাসে 'মাজারটি তার শক্তির মূল' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- খেয়াঘাটের ইজারাদারদের প্রবল ষড়যন্ত্রের মুখে গ্রামেপ্রভাবশালীদের পরামর্শে নদীতে সাঁকো তৈরির উদ্যোগথামিয়ে দিতে বাধ্য হয় নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান সৌরভ!উদ্দীপকের গ্রামের প্রভাবশালীরা 'লালসালু' উপন্যাসেরকোন চরিত্রকে মনে করিয়ে দেয়?
- 'লালসালু' উপন্যাসের ইউনিয়ন বোর্ডের প্রেসিডেন্টের নাম কী?
- খোরশেদ আলী একজন পল্লি চিকিৎসক। বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে গ্রামের লোকজন তার কাছে আসে। তিনিও নিষ্ঠার সাথে রোগীদের চিকিৎসা করেন। কিন্তু জটিল রোগে আক্রান্ত কোনো রোগী এলে তিনি কালক্ষেপণ না করে দ্রুত সদর হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন। কারণ তার কাছে মানুষের চেয়ে ব্যক্তিস্বার্থ বড়ো নয়।উদ্দীপকে খোরশেদ আলীর সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রটির বৈসাদৃশ্য আলোচনা করো।
- বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ শেষে মামুন চাকরির চিন্তা বাদ রেখে এক মহৎ স্বপ্নের তাড়নায় গ্রামে ফিরে আসে। অনেক চেষ্টা ও শ্রমের ফলে সে গ্রামে সরকার অনুমোদিত একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়। গ্রামের চেয়ারম্যান ও বায়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিদের সহায়তায় এগিয়ে চলে মামুনের স্বপ্নের বিদ্যালয়টি। মামুন এখন গ্রামের মানুষের কাছে এক অনুকরণীয় সম্মানিত ব্যক্তি।"উদ্দীপকের মামুন চরিত্রটি 'লালসালু' উপন্যাসের অপূর্ণ একটি সম্ভাবনার ??াস্তব প্রতিফলন।"- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- 'ধান দিয়া কী হইব মানুষের জান-যদি না থাকে?' -উক্তিটিতে বক্তারমনোভাব ব্যাখ্যা করো।
- গ্রামে পীর সাহেবের প্রভাব ছিল ব্যাপক। তিনি হুজুর কেল্লা নামে পরিচিত। ওয়াজ করিবার সময় পীর সাহেবের প্রায় জযবা আসিত। সে জযবাকে মুরিদগণ 'ফানাফিল্লাহ' বলিত। এই 'ফানাফিল্লাহ'র সময় পীর সাহেব 'জ্বলিয়া গেলাম' পুড়িয়া গেলাম' বলিয়া চিৎকার করিয়া চিৎ হইয়া শুইয়া পড়িতেন। তাই জযবার সময় একখণ্ড কালো মখমল দিয়া পীর সাহেবের চোখ-মুখ ঢাকিয়া দিয়া তাঁহার হাত-পা টিপিয়া দিবার ওসিয়ত ছিল। কিন্তু এমদাদ শিক্ষিত যুবক। সে সমাজের মানুষের এমন প্রশ্নহীন আনুগত্যে অবাক হয়ে যেত।"উদ্দীপকের মানুষগুলোর সাক্ষাৎ পাওয়া যায় 'লালসালু' উপন্যাসে।”- বিশ্লেষণ করো।
- মাহাবুব সাহেব মধ্যপ্রাচ্যে গিয়ে অঢেল টাকা উপার্জন করেছেন। এলাকার রাস্তা, সেতু, মসজিদ, মন্দির তৈরিতে অর অকাতর দান রয়েছে। নিঃসন্তান মাহাবুবের পিতৃ-হৃদয়ের আস্বাদ পূরণে অনেকেই অকে দ্বিতীয় বিয়ের পরামর্শ দেন। স্ত্রী শামিমাও তাকে এ প্রস্তাব দেন। মাহাবুব তার এক বোনের নবজাতককে নিজ সন্তান হিসেবে প্রতিপালন করে স্ত্রী শামিমার মাতৃ-হৃদয়ের অতৃপ্ত বাসনা পূরণ করেন।উদ্দীপকের মাহাবুবের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের খালেক ব্যাপারীর চরিত্রের তুলনা করো।
- বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ শেষে মামুন চাকরির চিন্তা বাদ রেখে এক মহৎ স্বপ্নের তাড়নায় গ্রামে ফিরে আসে। অনেক চেষ্টা ও শ্রমের ফলে সে গ্রামে সরকার অনুমোদিত একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়। গ্রামের চেয়ারম্যান ও বায়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিদের সহায়তায় এগিয়ে চলে মামুনের স্বপ্নের বিদ্যালয়টি। মামুন এখন গ্রামের মানুষের কাছে এক অনুকরণীয় সম্মানিত ব্যক্তি।উদ্দীপকে উল্লিখিত চেয়ারম্যান ও বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিদের ভূমিকা 'লালসালু' উপন্যাসের কোন ঘটনাংশের সাদৃশ্য বা বৈসাদৃশ্য? আলোচনা করো।
- "ব্যাপারটা ঘোড়া ডিঙিয়ে ঘাস খাওয়ার মতো।"-উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- পাঠান পরিবারের নারীরা বলতে গেলে বাড়ির বাইরে কেউ বের হন না। আর চাকরি করার কথাতো কল্পনাও করা যায় না। কিন্তু আজিজ পাঠানের ছোটো পুত্রবধূ চাকরি করছেন। এই নিয়ে পাঠান পরিবারের কেউ সন্তুষ্ট তো নন-ই, পারলে সকলে মিলে ছোটো পুত্রবধূর নিন্দা করেন, তাকে বিরক্তির চোখে দেখেন। সকল বাধা অতিক্রম করে ছোটো পুত্রবধূ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করে যাচ্ছেন। প্রতিদিন বাড়ির বাইরে বের হচ্ছেন, পা রাখছেন স্বাধীনতার আঙিনায়, স্বাবলম্বনের মাটিতে।উদ্দীপকের বিষয়বস্তু 'লালসালু' উপন্যাসের খন্ডাংশ মাত্র, সামগ্রিক চিত্র নয়।”- বিশ্লেষণ করো।
- জব্বার আলি একদিন স্বপ্নে খুঁজে পায় এক কামেল পিরের মাজার। বন-জঙ্গল ঘেরা 'বাঘের মাঠ' খ্যাত সাঞ্চাভাঙা গ্রাম। এই গ্রামেই শায়িত আছেন এক কামেল পির। স্বপ্ন ছড়িয়ে পড়ে গ্রামের ভেতর। স্থানীয় জনগণ খুঁজে পায় এক প্রাচীন পরিত্যক্ত মাজার। জঙ্গল পরিষ্কার করে রাতারাতি সেখানে টিনের ছাউনি ওঠে। চাঁদা তোলা হয় গ্রামবাসীর কাছ থেকে। পরিপাটি ও সুসজ্জিত হয় মাজার। এখানে বিভিন্ন লোক রোগ-শোকের জন্য মানত করতে আসে। এমন কি কখ্যা নারীরাও ছুটে আসে সন্তান লাভের আশায়। এখানে প্রতি বছর এখন মেলা বসে। বর্তমানে মাজারের খাদেম জব্বার আলি।উদ্দীপকের সাঞ্চাভাঙা গ্রামের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগরের সাদৃশ্য বর্ণনা করো।