মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাক নাম কী?
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'জেলে নয় গেলাম কৈলেশ'- উক্তিটি কার?
- শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত 'সারেং বৌ' উপন্যাসের নায়িকা নবিতুন। গ্রামের বধূ নবিতুন যার স্বামী কদম সারেং ও মেয়ে আককিকে নিয়ে তার সংসার। জীবিকার তাগিদে কদম সারেংকে বছরের পর বছর জাহাজে কাটিয়ে দিতে হয়। প্রতি তিন মাস অন্তর সারেং টাকা ও চিঠি পাঠায়। হঠাৎ এই টাকা ও চিঠি আসা বন্ধ হয়ে যায়। এরপর চারপাশের অশুভ ইঙ্গিত তাকে তখন তাড়া করে বেড়ায়। আছে দারিদ্র্য ও দুর্যোগ। আত্মবিশ্বাস, সাহস, বুদ্ধিমত্তা আর দৃঢ়তা দিয়ে সবকিছু জয় করে সে। স্বামীর প্রতি ভালোবাসা আর সুন্দর জীবনের স্বপ্ন তাকে বেঁচে থাকার অনুপ্রেরণা জোগায়। 'উদ্দীপকের নবিতুন চরিত্রটি 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদির বিপরীত।" উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিতৃপ্রদত্ত নাম-
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিতৃপ্রদত্ত নাম কী?
- তারাপুর গ্রামের মেয়ে রাবেয়া। শ্বশুরবাড়ির নির্যাতন সইতেনা পেরে ফুফু সলিমা বেগমের কাছে পালিয়ে আসে । গ্রামেরমাতব্বর নারীলোভী জয়নালের কুদৃষ্টি পড়ে রাবেয়ার ওপর।কিন্তু সলিমা বেগম জননী সাহসিকা। তিনি দৃঢ়প্রত্যয়ী মা-পাখির মতো আগলে রাখেন অনাথ ভাইঝি রাবেয়াকে। উদ্দীপকে 'মাসি-পিসি' গল্পের কোন দিকটির প্রতিফলনঘটেছে?
- 'নিজের সবটুকু সম্বল বিক্রি করে ধুলু মিয়া মেয়ের বিয়ে দিলেন। কিন্তু শ্বশুরবাড়িটা তার জন্য সুখের হলো না। এমন অত্যাচারের শিকার হয়েছে যে শ্বশুরবাড়ির নাম শুনলেই আঁতকে ওঠে।'উদ্দীপক ও 'মাসি-পিসি' গল্পের মূল উপজীব্য হলো-
- প্রাগৈতিহাসিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি-----
- হোগলা গাঁথা কী?
- 'মাসি-পিসি' গল্পে আহ্লাদির বাবা কী রোগে মারাগিয়েছিল?
- "শুনি রাজা কহে, “বাপু, জান তো হে, করেছি বাগানখানাপেলে দুই বিঘে প্রস্থে ও দীঘে সমান হইবে টানা ওটাদিতে হবে।"উদ্দীপকের রাজার সাথে 'মাসি-পিসি' গল্পের সাদৃশ্যচরিত্র কোনটি?
- নিজের সহায়সম্পদ না থাকলেও অকালপ্রয়াত বড়ো বোনের মেয়ে মিনাকে সযত্নে আগলে রাখে রাহেলা। অন্যের বাসায় কাজ করে রাহেলা মিনার ভরণপোষণের ব্যবস্থা করে। মিনার নিরাপত্তার কথা ভেবে রাহেলা মিনাকে সঙ্গে নিয়ে অন্যের বাসায় কাজ করতে যায়।উদ্দীপকটি 'মাসি-পিসি' গল্পের সমগ্র ভাবা ধারণ করতে পেরেছে কি? তোমার মতামতসহ আলোচনা করো।
- শফিক মিয়ার মেয়ে আমেনাকে বিয়ে দেয় অপেক্ষাকৃত দরিদ্র জমিরের সাথে। জমির সৎ, হৃদয়বানব, এবং স্ত্রীকে সে প্রাণাধিক ভালোবাসে কিন্তু আমেনা দরিদ্র জমিরের ঘর করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বাবার বাড়ি চলে আসে।"উদ্দীপকের আমেনা ও 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদির স্বামীর ঘর ছাড়ার কারণ এক নয়।" মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।
- ‘দিবারাত্রির কাব্য’ কার লেখা উপন্যাস?
- 'নিজেকে তার ছ্যাচড়া, নোংরা, নর্দমার মতোলাগে।'- কার সম্পর্কে বলা হয়েছে?
- 'মাসি-পিসি' গল্পে পিসির হাতে কী দেখা যায়?
- 'সজাগ রইতে হবে রাতটা'।- 'মাসি-পিসি' গল্পে এই উক্তিটি কার?
- শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত 'সারেং বৌ' উপন্যাসের নায়িকা নবিতুন। গ্রামের বধূ নবিতুন যার স্বামী কদম সারেং ও মেয়ে আককিকে নিয়ে তার সংসার। জীবিকার তাগিদে কদম সারেংকে বছরের পর বছর জাহাজে কাটিয়ে দিতে হয়। প্রতি তিন মাস অন্তর সারেং টাকা ও চিঠি পাঠায়। হঠাৎ এই টাকা ও চিঠি আসা বন্ধ হয়ে যায়। এরপর চারপাশের অশুভ ইঙ্গিত তাকে তখন তাড়া করে বেড়ায়। আছে দারিদ্র্য ও দুর্যোগ। আত্মবিশ্বাস, সাহস, বুদ্ধিমত্তা আর দৃঢ়তা দিয়ে সবকিছু জয় করে সে। স্বামীর প্রতি ভালোবাসা আর সুন্দর জীবনের স্বপ্ন তাকে বেঁচে থাকার অনুপ্রেরণা জোগায়। উদ্দীপকের নবিতুনের সঙ্গে 'মাসি-পিসি' গল্পের কোন দিকটির সাদৃশ্য লক্ষ করা যায় তার বর্ণনা দাও।
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম গল্প ‘অতসীমামী’ কত বছর বয়সে রচনা?
- কোন শব্দটির প্রয়োগ শুদ্ধ?
- হিরন্ময়ীর স্বামী যখন মারা যায় তখন তার মেয়ে লতার বয়স মাত্র দুই বছর। একদিকে অর্থকষ্ট, অপরদিকে বদলোকের কুদৃষ্টি। তবু দমে যায়নি হিরন্ময়ী। মানুষের বাড়িতে কাজ। করে, খেয়ে না খেয়ে মেয়েটাকে বড় করে সে। একসময় মেয়ের বিয়েও দেয়। কিন্তু বছর না যেতেই অত্যাচারী স্বামীর সাথে তার সম্পর্ক ছিন্ন হয়। লতা তার মায়ের কাছে ফিরে আসে। এবার পুরু হয় মা-মেয়ের বেঁচে থাকার সংগ্রাম। বাড়ির আশেপাশে শাক-সবজি চাষ করে, বাড়িতে হাঁস-মুরগি পালন করে, পরের বাড়িতে ধান ভেনে, কাঁথা সেলাই করে তারা স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা করে। তারা মনে করে সংগ্রাম করে বেঁচে থাকার মধ্যে গৌরব আছে, কাজ করে জীবন নির্বাহ করার মধ্যে সম্মান আছে। তারা যেকোনো অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য প্রস্তুত থাকে।"প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও 'মাসি-পিসি' গল্পের মাসি-পিসি এবং উদ্দীপকের হিরন্ময়ী ও লতা- তারা সবাই জীবন-সংগ্রামের বলিষ্ঠ চেতনায় উদ্বুদ্ধ।"- বিশ্লেষণ কর।
- মাসি-পিসি গল্পে ‘বজ্জাত হোক, খুনে হোক, জামাইতো-বাক্যটিতে প্রকাশ পেয়েছে—
- বিধবা মরিয়ম সারাদিন কঠোর পরিশ্রম করে। পনেরো বছরের একমাত্র সন্তান শাহানাকে নিয়ে তার ছোট সংসার। মরিয়মের এখন একটাই সংগ্রাম- মেয়েকে লেখাপড়া শিখিয়ে স্বাবলম্বী করানো। কিন্তু চতুর্দিকে বখাটেদের উৎপাত লেগেই আছে। তাইতো কাপড়ের আড়ালে ধারালো ছোট ছুরিটা নিতে 'কখনো ভুলে না সে। এতে বখাটেরা আজকাল আর সামনে এগুচ্ছে নাএবং অন্য নারীরাও এখন অনেক বেশি সচেতন। সংঘবদ্ধ মরিয়মরা এখন লাঞ্ছিত নারীদের এগিয়ে যাওয়ার সাহস।'সংঘবদ্ধ মরিয়মরা এখন লাঞ্ছিত নারীদের এগিয়ে যাওয়ার সাহস।' - উদ্দীপক ও 'মাসি-পিসি' গল্পের আলোকে কথাটি বিশ্লেষণ কর।
- জহির রায়হানের 'হাজার বছর ধরে' উপন্যাসের গ্রামীণযুবক আবুল বউ পিটিয়ে আনন্দ উপভোগ করেউদ্দীপকের আবুলের সাথে 'মাসি-পিসি' গল্পের কোনচরিত্রের মিল রয়েছে?
- ছুটি রাণী বিধবা ও নিঃসন্তান। এ বিধবার নিকট-সম্পর্কের কেউ নেই। একদিন বাড়ির আঙিনার মন্দিরের পাশে বিশ-ঊর্ধ্ব একটি মেয়েকে কাঁদতে দেখেন। সমস্ত ঘটনা শুনে মেয়েটিকে ঘরে নিয়ে আসেন। স্বামীর নির্দয়তায় ক্ষত-বিক্ষত মেয়েটিকে মায়ের স্নেহে আশ্রয় দেন। মেয়েটির শ্বশুরবাড়ির লোক সংবাদ পেয়ে মেয়েটিকে নিয়ে যেতে চান। মেয়েটি কোনোভাবেই ফিরে যেতে রাজি নয়। ছুটি রাণীও মেয়েটিকে যেতে দেননি। এজন্য ছুটি রাণীকে সামাজিক নেতিবাচকতার মুখোমুখি হতে হয়। ছুটি রাণী মেয়েটিকে তার স্থাবর-অস্থাবর সমস্ত ধন-সম্পত্তি উইল করে দেন।উদ্দীপকে উল্লিখিত মেয়েটি 'মাসি-পিসি' গল্পের 'আহ্লাদি'র সাথে কীভাবে সংগতিপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- কোন গল্পটিতে স্বমীর নির্যাতনের শিকার পিতৃমাতৃহীন তরুণীর জীবন কাহিনি ফুটে উঠেছে?