কোন সাহিত্যিক মনের ঝোঁকে সন্ন্যাসী হয়ে গৃহত্যাগ করেছিলেন?
A. বঙ্কিমচন্দ্ৰ
B. মানিক
C. প্রমথ চৌধুরী
D. বিভূতিভূষণ
E. শরৎচন্দ্র
সঠিক উত্তরঃ
E.
শরৎচন্দ্র
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'গ্রামের মধ্যে মৃত্যুঞ্জয়ের ছিল এমনি সুনাম'-ব্যাখ্যা করো।
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় পেশাগত জীবনে কী ছিলেন?
- 'বিলাসী' গল্পে ভূদেব বাবু কে?
- শহরের গৃহকর্মী মায়ের সন্তান আরিফ দুজনের বন্ধুত্ব অত্যন্ত সুদৃঢ় হলেও আসিফের বাবা আরিফের মেলামেশা, বাসায় আসা এবং ড্রয়িং রুমে আপ্যায়ন মেনে নিতে পারেন না। আরিফকে বাসায় আসতে তিনি নিষেধ করেছেন। এমনকি অকথ্য ভাষায় বকাবকি করে বাড়ি থেকে তাড়িয়েও দিয়েছেন। সম্প্রতি ডেঙ্গু আক্রান্ত সংকটাপন্ন বন্ধু আসিফকে আরিফই রক্ত দিয়েছে, জীবন বাঁচিয়ে মানবিক দৃষ্টান্ত রেখেছে।উদ্দীপকের বাবা চরিত্রটি 'বিলাসী' গল্পের কোন চরিত্রের মানসিকতার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ?
- শরৎচন্দ্রের 'শ্রীকান্ত' উপন্যাসটি কয় পর্বে বিভক্ত ?
- মরণরে তুঁহু মম শ্যাম সমান ।উদ্দীপকের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ চরিত্র কোনটি?
- মুখে দেয় জল, সুধায় কুশল, শিরে দেয় মোর হাত,দাঁড়ায়ে নিঝুম, চোখে নাই ঘুম, মুখে নাই তার ভাত।বলে বার বার, 'কর্তা, তোমার কোনো ভয় নাই, শুন-যাবে দেশে ফিরে, মা ঠাকুরাণীরে দেখিতে পাইবে পুন।'লভিয়া আরাম আমি উঠিলাম, তাহারে ধরিল জ্বরে,নিল সে আমার কালব্যাধিভার আপনার দেহ'পরে।উদ্দীপকের ভূত্যের বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে 'বিলাসী' গল্পের কোন চরিত্রের মিল পাওয়া যায়? বুঝিয়ে লেখো।
- সৌদামিনী মালো স্বামীর মৃত্যুর পর উত্তরাধিকার সূত্রে ধানি জমি, বসত-বাড়ি, পুকুরসহ কয়েক একর সম্পত্তির মালিক হয়। এই সম্পত্তির ওপর নজর পড়ে সৌদামিনীর জ্ঞাতি দেওর মনোরঞ্জনের। সৌদামিনীর সম্পত্তি দখলের জন্য সে নানা কৌশল অবলম্বন করে। একবার সৌদামিনী দুর্ভিক্ষের সময় ধানখেতের পাশে একটি মানব শিশু খুঁজে পায়। অসহায় অসুস্থ শিশুটিকে সে তুলে এনে পরম যত্নে সন্তানের মতো লালন-পালন করে। মনোরঞ্জন সৌদামিনীকে সমাজচ্যুত করতে প্রচার করে যে নমঃশূদ্রের ঘরে ব্রাহ্মণ সন্তান পালিত হচ্ছে। এ যে মহাপাপ। সমাজের জাত-ধর্ম সব শেষ হয়ে গেল।সৌদামিনী চরিত্রের সঙ্গে 'বিলাসী' গল্পে বিলাসীর সাদৃশ্য তুলে ধরো।
- ‘পথের দাবি’ উপন্যাসের রচয়িতা কে?
- ‘সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রথম দৃশ্যের স্থান কোথায় ছিল?
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত কেন বিখ্যাত?
- নিষ্ঠাবান ব্রাহ্মণ রাজিব চক্রবর্তীর পুত্র রাতুল চাকুরি নিয়ে শহরে আসে। কিছুদিন পর রাতুল করোনায় আক্রান্ত হয়ে অচেতন হয়ে পড়ে। পাশের বাড়ির নিম্নবর্ণের মেয়ে স্কুল শিক্ষিকা রমা দাস তাকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ডাক্তার দেখায় এবং সেবাযত্নের জন্য গ্রামের এক দরিদ্র মসিকে নিয়োগ করে। রমার প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে উপযুক্ত সেবা ও 'চিকিৎসা পেয়ে রাতুল সুস্থ হয়ে ওঠে। রমার মার্জিত রুচি, ব্যক্তিত্ব, মানবতাবোধে মুগ্ধ হয়ে জাতভেদ ভুলে যাবার অমতে তাকে বিয়ে করে রাতুল। প্রথাগত সংস্কারের বিপরীতে জয় হয় মনুষ্যত্বের।"উদ্দীপকটিতে 'বিলাসী' গল্পে সমাজবাস্তবতার আংশিক প্রতিফলন ঘটেছে"- উত্তরের পক্ষে তোমার যুক্তি দেখাও।
- 'বিলাসী' গল্পে বর্ণিত মৃত্যুঞ্জয়ের বাড়ির পরিবেশ কেমন ছিল?
- 'পেস্টালোজ্জি' ছিলেন
- মরিয়ম শহরের একটি হাসপাতালে চাকরি করেন। হাসপাতালের দায়িত্ব শেষ করে গ্রামে ফিরতে প্রায়ই তার রাত হয়, এমনকি রোগীর দেখাশোনার জন্য মাঝে মাঝে। তাকে রাতে হাসপাতালে থাকতে হয়। গ্রামের কিছু মানুষ রাত করে বাড়ি ফেরা এবং বাড়ির বাইরে রাতে থাকার বিষয়টি মেনে নিতে পারে না'। তারা গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে মরিয়মকে জোর করে গ্রাম থেকে বের করার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু মরিয়ম তার প্রতিবাদ করেন, বৃদ্ধ ও অসুস্থ মাকে রেখে সে কিছুতেই গ্রাম ছেড়ে যাবেন না। উদ্দীপকের সঙ্গে 'বিলাসী' গল্পের যে দিকের মিল রয়েছে তা হলো-নারীর প্রতি নির্যাতন কুসংস্কারাচ্ছন্ন সমাজগ্রামীণ বিচার ব্যবস্থা নিচের কোনটি সঠিক?
- শহরে জরুরি কাজে এসেছে প্রীতিময় চাকমা। সকালথেকে ঘোরাঘুরি করে ক্ষুধার্ত হয়ে খাবার চাইলে হোটেলমালিক বলল, 'আদিবাসীদের জন্য দুই নম্বর বাসন আমার‘হোটেলে রাখি না।'প্রীতিময় চাকমার সঙ্গে 'বিলাসী' গল্পের কোন চরিত্রেরমিল রয়েছে ?
- 'ঠিক যেন ফুলদানিতে জল দিয়া ভিজাইয়া রাখা বাসি ফুলের মতো।'- ব্যাখ্যা করো।
- 'ওরে বাপরে! আমি একলা থাকতে পারব না।'-উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- 'বিলাসী' গল্পে কে মৃত্যুঞ্জয়ের চিকিৎসা করে ?
- করোনাকালীন দুর্যোগে জনাব শিমুল চাকরি হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন। চরম আর্থিক সংকট এবং মানসিক চাপে তিনি শারীরিকভাবেও ভেঙে পড়েন। ফলে দুই সন্তানের লেখাপড়াসহ সংসারের খরচ চালানো তাঁর জন্য কঠিন-হয়ে যায়। এই সময়ে তাঁর স্ত্রী পারুল আক্তার সেলাইয়ের কাজ করে সংসারের হাল ধরেন। পাশাপাশি অসুস্থ স্বামীর সেবা করেন পরম মমতায়।"উদ্দীপকের ভাববস্তুর সঙ্গে 'বিলাসী' গল্পের সাদৃশ্য থাকলেও প্রেক্ষাপট ভিন্ন।"- উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
- ‘শ্রীকান্ত’ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি-
- কোন চরিত্রে লেখকের জীবনের ছায়াপাত ঘটেছে?
- কন্যার বাপ সবুর করিতে পারিতেন কিন্তু বরের বাপ সবুর করিতে চাহিলেন, না। তিনি দেখিলেন, মেয়েটির বিবাহের বয়স পার হইয়া গিয়াছে, কিন্তু আর কিছুদিন গেলে সেটাকে ভদ্র বা অভদ্র কোনো রকমে চাপা দিবার সময়টাও পার হইয়া যাইবে। মেয়ের বয়স অবৈধ রকমে বাড়িয়া গেছে বটে, কিন্তু পণ্যের টাকার আপেক্ষিক গুরুত্ব এখনো তাহার চেয়ে কিঞ্চিত উপরে আছে, সেই জন্যই তাড়া।উদ্দীপকের বরের বাপ তোমার পঠিত গল্পের কোন চরিত্রকে ইঙ্গিত করে? আলোচনা করো।
- ‘গ্রামের মধ্যে মৃত্যুঞ্জয়ের ছিল এমনি সুনাম।' 'সুনাম'কথাটা কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- পার্বতী সাপুড়ের মেয়ে, সাপ ধরা, শিকড়-তাবিজ বিক্রি করা তাদের পারিবারিক পেশা। পার্বতীর রূপ-গুণে মুগ্ধ হয়ে জমিদার পুত্র চন্দ্রসিং তাকে বিয়ে করে, তাদের সংসার বেশ সুখের হয়। কিন্তু সমাজ চন্দ্রসিংকে মেনে নেয়নি, পার্বতীকেও সাপুড়ে সমাজ জাতিচ্যুত করে। উভয়ে সমাজ ছেড়ে দূরবর্তী সোনাপুর গ্রামে নতুন জীবন শুরু করে।উদ্দীপকে চন্দ্রসিংয়ের সাথে 'বিলাসী' গল্পের কার সাদৃশ্য আছে? ব্যাখ্যা করো।