নদী কভু পান নাহি, করে নিজ জল,
তরুগণ নাহি খায়, নিজ নিজ ফল।
গাভী কভু নাহি করে নিজ দুগ্ধ পান
কাষ্ঠ দগ্ধ হয়ে করে, পরে অন্নদান।
স্বর্ণ করে নিজ রূপে, অপরে শোভিত
বংশী করে নিজ স্বরে অপরে মোহিত।
শস্য জন্মইয়া নাহি খায় জলধরে
সাধুর ঐশ্বর্য্য শুধু পরহিত তরে।
"উদ্দীপকের বক্তব্য 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের সামগ্রিক ভাবের সংক্ষিপ্ত সার।"- এ মন্তব্যের যথার্থ মূল্যায়ন করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'পুলিশ এসেছে আবার। সে ফিসফিস করে বলে'- কে ফিসফিস করে বলে?
- ’বিশ্বমানবের মনের সঙ্গে নিত্য নতুন সম্বদ্ধ পাতানােই হচ্ছে কবি মনের নিত্য নৈমিত্তিক ধর্ম। 'বাক্যটি কোন রচনার ?
- সাধনার ব্যাপারে প্রাপ্তি একটা বড় জিনিস ।' উক্তিটি কোন রচনার ?
- "যেখানে মিশেছে হিন্দু-বৌদ্ধ-মুসলিম ক্রিশ্চান"- বাক্যটির তাৎপর্য বর্ণনা করো।
- 'জাগাে অগণন ক্ষুধিত মুখের নীরব ভ্রুকুটি হেরি।'- কোন কবিতার পঙক্তি
- 'অনবরত ধেয়ে চলা মানুষের সাধনা হওয়া উচিত নয়'- বুঝিয়ে দাও।
- 'বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস' গ্রন্থের লেখক কে?
- ’লেপের নিচে দেহটা ঠকঠক করে কাঁপে।বাক্যটি কোন রচনার অন্তর্গত?
- 'বিষাদ সিন্ধু' গ্রন্থটি কয় পর্বে রচিত হয়েছে?
- 'কৃত্রিম পণ্যে ব্যর্থ হয় গানের পসরা।'- ব্যাখ্যা কর।
- ‘জীবন ও বৃক্ষ’ প্রবন্ধে মনুষ্যত্বের প্রতীক হিসেবে কবিগণ কাকে চিহ্নিত করেছেন?
- গাজী মিয়ার বস্তানী' কি ধরনের রচনা?
- চন্ডিগড় শহরের উপকণ্ঠে বাড়ি ভাড়া নেয় সুরেশ ও কল্যাণী ব্যানার্জী। তাদের এক সন্তান শান্ত। স্বামী-স্ত্রী চাকুরিজীবী হওয়ায় শান্তাকে দেখাশোনার জন্য গ্রাম থেকে আনা হয় আট বছর বয়সী দরিদ্র অনিতাকে। সারাদিনের খাটুনিতে অনিতার শ্রান্ত শরীরে ঘুম চলে আসে সন্ধ্যারাতে। কল্যাণীর ধারণা অনিতার খাবারের পরিমাণ আরও কমালে ওর ঘুম আসবে না। তাই অনিতার খাবারের পরিমাণ কমিয়ে দেয় কল্যাণী। কম খেতে খেতে অনিতা শীর্ণকায় হয়ে পড়ে। শান্তর উচ্ছিষ্ট সে চুরি করে খায়। এটা জানতে পেরে কল্যাণী অনিতার উপর নির্যাতন চালায়, তওবা করায় এবং উপদেশ দেয় যে চুরি করে খাওয়া পাপ। ফ্রিজে ভর্তি করা খাবার, শান্ত খাওয়ার ভয়ে পালিয়ে বেড়ায় আর অনিতা শান্তর উচ্ছিষ্টের দিকে লোলুপ দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে।উদ্দীপকের ভাবার্থ 'বিড়াল' প্রবন্ধের আলোকে মূল্যায়ন করো।
- 'সংসারে ক্ষীর, সর, দুগধ, দধি, মৎস, মাংস ;সকলই তোমরা খাইবে।'- এখানে 'তোমরা' কারা?
- ‘এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে’ কবিতায় কবি অরুণকে তুলনা করেছেন-
- ‘এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে' কবিতার মূলউপজীব্য বিষয় বাংলার-
- বাবু মজুমদার এলাকার জনগণকে অনেক ভয়ভীতি দেখিয়েওজনসমর্থন আদায়ে ব্যর্থ হয়েছেন; অথচ তার ছেলে স্বপনমজুমদার সাধারণ মানুষের সুখে-দুঃখে, সম্পদে-বিপদেকাছাকাছি থেকে সকলের প্রিয় ব্যক্তিতে পরিণত হয়েছে।উদ্দীপকের বাবু মজুমদারের মনোভাব ‘সেই অস্ত্র'কবিতার কোন অনুষঙ্গের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- লেখক এবং পাঠকের মধ্যে এখন স্কুলমাস্টার দণ্ডায়মান ।' এই উক্তি কে করেছেন ?
- বৃক্ষের গান শুনতে হবে কীভাবে?
- 'বাংলাদেশ' কবিতাটি লিখেছেন-
- ’সাদা কাগজে দস্তখত করিয়া লওয়ার প্রথাটা আদালতের বাইরে চলে জানি, ভিতরেও চলিবে কি? উক্তিটি কার?
- বাংলার নিসর্গ প্রকৃতি এর মাঠ-ঘাট, মানুষ অতুলনীয় এবং বিশেষ আবেদনময়। যে জন এই নিসর্গ প্রকৃতি থেকে নগরের আহ্বানে সেখানে স্থায়ী বসতি গড়েন, তাকেও তার এক কালের পল্লি প্রকৃতি বারবার আকর্ষণ করে; ষড়ঋতু তার মনে আবেগের রংধনু তোলে। এর শাশ্বত কারণ হলো, মানুষ স্বভাবতই তার নিজ ভূমের প্রতি ঋণী।উদ্দীপকের ভাবের সাথে 'এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে' কবিতার ভাবের সাদৃশ্য কতটুকু তা ব্যাখ্যা কর।
- 'ঐকতান' কবিতায় কবি নিজেকে কোথাকার কবি বলেছেন?
- 'বিড়াল' প্রবন্ধে 'যখন বিচারে পরাস্ত হইবে, তখনগম্ভীরভাবে উপদেশ প্রদান করিবে।'— এ বক্তব্যেপ্রকাশ পেয়েছে-
- 'যৌবনের গান ' প্রবন্ধে উপমান হিসেবে কোন দুটি নদীর নামের উল্লেখ আছে?