সুন্দরগঞ্জ, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রায়হান চৌধুরী সত্যের পথে থেকে সারা জীবন অতিবাহিত করেছেন। তিনি মিথ্যা, ভণ্ডামি পছন্দ করতেন না। তিনি মনে করতেন, মিথ্যা ক্ষণিকের লুকোচুরি খেলা যা মানুষের আত্মবিশ্বাসকে দুর্বল করে দেয়। শিক্ষার্থীদেরও তিনি মিথ্যাকে পরিহার করে সত্যের সুকঠিন পথে চলার উপদেশ দিতেন। তিনি শিক্ষার্থীদের বলতেন, "সত্যই একমাত্র নিজেকে পুরোপুরি আত্মবিশ্বাসের সাথে দাঁড়াতে সাহায্য করে।''
উদ্দীপকের সাথে 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন বিশেষ দিকটির মিল রয়েছে? আলোচনা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- গ্রিক দার্শনিক সক্রেটিস নিজেকে চেনার কথা বলেছিলেন; বলেছিলেন, সত্য প্রকাশের কথা- যত কঠিনই হোক সে সত্য। সক্রেটিস ও তাঁর অনুসারীরা সত্য প্রকাশে যে অসংকোচ দৃঢ়তা দেখিয়েছিলেন, প্রথাগত সমাজ ও রাষ্ট্রের চোখে তা চিহ্নিত হয়েছিল ঔদ্ধত্য ও বিশৃঙ্খলার নিয়ামক হিসেবে। পরিণামে তাঁদের ওপর নেমে এসেছিল রাজদণ্ড। প্রবল পরাক্রমশালী রাজার ভয়ে না পালিয়ে যে অল্পসংখ্যক অনুসারী শেষ পর্যন্ত সক্রেটিসের অনুগামী হলেন, তাঁরাই ছিলেন প্রকৃত সত্যনিষ্ঠ। আর তাঁরা যেহেতু আত্মপ্রবঞ্চক ছিলেন না; তাই জেনেশুনেই বেছে নিয়েছিলেন রাজার দেওয়া 'সত্য বলার শাস্তি'। শাস্তিদাতা রাজাদের নাম-নিশানা মুছে গেলেও সক্রেটিসকে মহাকাল দিয়েছে 'মহাজ্ঞানী' অভিধা।উদ্দীপকের প্রকাশিত 'সত্য' 'আমার পথ' প্রবন্ধে কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে?
- 'মানুষ- ধর্মই সবচেয়ে বড় ধর্ম।' উক্তিটি কোন প্রবন্ধিকের-
- আশফাক সাহেব তাঁর সমগ্র জীবন ধরেই সমাজসচেতনতামূলক ও পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ক কাজ করে চলেছেন। তাঁর আন্তরিক চেষ্টা ও নিরলস পরিশ্রমের কারণে সমাজে বহু অসংগতি দূর হয়েছে এবং বৃক্ষরোপণের প্রতিও মানুষের মনোযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। এমন অনেক প্রতিষ্ঠিত মানুষ আছেন, যারা ছাত্র অবস্থায় তাঁর সাহায্য নিয়ে বড়ো হয়েছেন। এর পরেও সমাজে এক শ্রেণির মানুষ আছে যারা তাঁর সমালোচনা করে। এসব শুনে আশফাক সাহেব বলেন, 'সমালোচনাকে ভয় করলে মহৎ কাজ সাধন করা যায় না।'উদ্দীপকের আশফাক সাহেব 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- "যে নিজের ধর্মের সত্যকে চিনেছে, সে কখনো অন্য ধর্মকে ঘৃণা করতে পারে না।"- ব্যাখ্যা কর।
- 'আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে।' কথাটি বলেছেন-
- অত্যন্ত খিটখিটে মেজাজের মানুষ মামুন। ন্যায়-অন্যায়, 'ভালোমন্দ সব বিষয়েই তিনি রেগে যান। এজন্য পরিবারের লোকজন ছাড়াও এলাকাবাসীও তার উপর বিরক্ত। কিন্তু মামুনের বক্তব্য তিনি কোনো ভুল বা অন্যায় করছেন না বরং অন্যায়ের প্রতিবাদ করেন এবং এ কারণে প্রয়োজনেই চিৎকার করেন, রাগ হয়ে যান। তবে একদিন তাকে এই রাগের খেসারত দিতে হয়। মামুনের সন্তান বাবার ভয়ে দ্রুত বাড়ি ফিরতে গিয়ে দুর্ঘটনায় নিহত হয়। এরপর থেকে মামুন সম্পূর্ণ বদলে যায়। তিনি বুঝতে পারেন সব সময় রেগে থাকার মাধ্যমে কোনো সমাধান হয় না। তিনি তার ভুল শুধরে নতুনভাবে জীবন যাপন করেন।"উদ্দীপকটি 'আমার পথ' প্রবন্ধের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবিম্ব নয়।"- উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে স্পষ্টকথা বলা প্রসঙ্গে নজরুলনিজেকে কার সঙ্গে তুলনা করেছেন?
- ‘আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে’ - উদ্ধৃতিটি যে রচনার অন্তর্গত-
- কিছুদিন ধরে শহর এলাকায় চুরি-ডাকাতির ঘটনা বেড়ে যায়। প্রতিনিয়ত এ ধরনের ঘটনা ঘটতে থাকায় এলাকার কমিশনার সকল। এলাকাবাসীকে জড়ো করে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানালে তারা উত্তর দেয় 'আপনি তো আছেন, আপনিই ব্যবস্থা করুন।জনগণের মধ্যে এরূপ মনোভাবের পরিণতি বয়ে আনে - দাসত্বপরাধীনতাশোষণ-নিপীড়ননিচের কোনটি সঠিক?
- 'মানুষ ভজলে/সোনার মানুষ হবি'-উদ্দীপকে 'আমার পথ' প্রবন্ধের যে দিকটি প্রকাশিত হয়েছে-
- প্রাবন্ধিক নিজেকে 'অভিশাপ রথের সারথি' বলে অভিহিত করেছেন কেন?
- বছর বয়সে কাজী নজরুল ইসলাম লেটোর দলে যোগ দেন?
- ইশতিয়াক সাহেব তাঁর সমগ্র জীবন ধরেই সমাজ সচেতনতামূলক ও পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ক কাজ করে চলেছেন। তাঁর আন্তরিক চেষ্টা ও নিরলস পরিশ্রমের কারণে সমাজের বহু অসংগতি দূর হয়েছে এবং বৃক্ষরোপণের প্রতিও মানুষের মনোযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। এমন অনেক প্রতিষ্ঠিত মানুষ আছে, যারা ছাত্র অবস্থায় তার সাহায্য নিয়ে বড়ো হয়েছেন। এরপরেও সমাজে এক শ্রেণির মানুষ আছে, যারা তাঁর কটূক্তি ও সমালোচনা করে। এসব শুনে ইশতিয়াক সাহেব বলেন, 'সমালোচনাকে ভয় করলে মহৎ কাজ সাধন করা যায় না।'সমালোচনাকে যারা উপেক্ষা করতে পারে, তারাই সমানে এগিয়ে যেতে পারে।" উদ্দীপক ও 'আমার পথ' প্রবন্ধের আলোকে এ মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- আমার পথ' প্রবন্ধ অনুসারে আমরা পরাধীন যে কারণে-
- পরের মুখে শেখা বুলি পাখির মতো কেন বলিস?পরের ভঙ্গি নকল করে নটের মতো কেন চলিস?তোর নিজস্ব সর্বাঙ্গে তোরে দিলেন বিধাতা আপন হাতে,মুছে সেটুকু বাজে হলি, গৌরব কি বাড়ল তাতে?আপনারে যে ভেঙ্গে চুরে গড়তে চায় পরের ছাঁচেঅলীক, ফাঁকি মেকি সে জন নামটা তার কদিন বাঁচে?উদ্দীপকের ভাবনা আর 'আমার পথ' এর 'আমিত্বের' সাদৃশ্য বর্ণনা কর।
- কত সালে কাজী নজরুল ইসলামকে সপরিবারে বাংলাদেশে আনা হয়েছিল ?
- বর্তমান কালের যুবক-যুবতিদের মধ্যে পরনির্ভরশীলতা বাড়ছে। নিজের শক্তি সম্পর্কেও পার্বতী ও বিলাসী চরিত্রের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করো। তারা অবগত নয়। নিজের অপরিসীম শক্তি সম্পর্কে জানলে তারা অনেক সমস্যা থেকেই মুক্তি পেত। পরের দিকে চেয়ে থাকার জন্য তাদের মন আজ মানসিক দাসত্বের শৃঙ্খলে বন্দি।"যুবক-যুবতিদের মানসিক দাসত্ব থেকে মুক্তির জন্য প্রয়োজন আত্মনির্ভরতা।"- 'আমার পথ' প্রবন্ধ অনুসারে মন্তব্যটি যাচাই করো।
- 'সবচেয়ে বড় দাসত্ব' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- নজরুলের মতে, নিজের সত্যকে বড় করার দন্ড-মাথা উঁচু করে পুরুষ করে ডোন্ট কেয়ার ভাব আনেনিচের কোনটি সঠিক?
- ‘রাজবন্দির জবানবন্দী’ কে রচনা করেন ?
- কাজী নজরুল ইসলামের ‘আমার পথ' প্রবন্ধটি কোন প্রবন্ধগ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে?
- কাজী নজরুল ইসলাম কোনটিকে নমস্কার করেছেন ?
- শফিক চৌধুরী সারাটি জীবন শিক্ষকতা করেছেন, গড়েছেন আলোকিত মানুষ। অবসরগ্রহণের পর তিনি গড়ে তুলেছেন "পরোপকার" নামে সেবা-সংগঠন। বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক কাজের পাশাপাশি পথশিশুদের শিক্ষাদান, দুর্নীতি-বিরোধী অভিযান, নৈতিকতা ও মূল্যবোধ বিষয়ক সেমিনারের আয়োজন করেন তিনি। অনেকে তাঁর কাজের প্রশংসা করেন, আবার নিন্দা এবং কটূক্তি করতেও ছাড়েন না কেউ কেউ। তিনি তরুণদের উদ্দেশ্যে বলেন-মনেরে আজ কহ যেভালো মন্দ যাহাই আসুকসত্যরে লও সহজে।শফিক চৌধুরীর মাধ্যমে 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন বিষয়টি প্রকাশিত হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
- ‘আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে’-কোন লেখকের রচনার অংশ?
- সঙ্কোচের বিহ্বলতা নিজেরে অপমান।সঙ্কটের কল্পনাতে হয়ো না ম্রিয়মাণ।মুক্ত করো ভয়, আপনা-মাঝে শক্তি ধরো,নিজেরে করো জয়।দুর্বলের রক্ষা করো, দুর্জনেরে হানো,নিজেরে দীন নিঃসহায় যেন কভু না জানো।মুক্ত করো ভয়, নিজের পরে করিতে ভর না রেখো সংশয়।ধর্ম যবে শঙ্খরবে করিবে আহ্বাননীরব হয়ে নম্র হয়ে পণ করিয়ো প্রাণ।মুক্ত করো ভয়, দুরূহ কাজে নিজেরে দিয়ো কঠিন পরিচয়। উদ্দীপক ও 'আমার পথ' প্রবন্ধ অনুসারে শিখনফল হিসেবে দেশের প্রতি তোমার একক দায়িত্ব কী তা বিশ্লেষণ করো।