ইশতিয়াক সাহেব তাঁর সমগ্র জীবন ধরেই সমাজ সচেতনতামূলক ও পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ক কাজ করে চলেছেন। তাঁর আন্তরিক চেষ্টা ও নিরলস পরিশ্রমের কারণে সমাজের বহু অসংগতি দূর হয়েছে এবং বৃক্ষরোপণের প্রতিও মানুষের মনোযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। এমন অনেক প্রতিষ্ঠিত মানুষ আছে, যারা ছাত্র অবস্থায় তার সাহায্য নিয়ে বড়ো হয়েছেন। এরপরেও সমাজে এক শ্রেণির মানুষ আছে, যারা তাঁর কটূক্তি ও সমালোচনা করে। এসব শুনে ইশতিয়াক সাহেব বলেন, 'সমালোচনাকে ভয় করলে মহৎ কাজ সাধন করা যায় না।'
সমালোচনাকে যারা উপেক্ষা করতে পারে, তারাই সমানে এগিয়ে যেতে পারে।" উদ্দীপক ও 'আমার পথ' প্রবন্ধের আলোকে এ মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- কে মিথ্যাকে ভয় পায়?
- জীবনের যেকোনো ক্ষেত্রে 'বিশ্বাস' অর্থাৎ 'আত্মবিশ্বাস' শব্দটি মানবমনের এম শক্তির প্রতী???, যার কোনো যৌক্তিক সীমানা নেই। তবুও আত্মবিশ্বাসের ভালো উদাহরণ হিসেবে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আইরিশ নাট্যকার 'জর্জ বার্নার্ডশ' এর নাম উল্লেখ করা যেতে পারে। তিনি মাত্র ৫ বছর স্কুলে লেখাপড়া করেছেন। দারিদ্র্যের কারণে মাত্র ১৫ (পনেরো) বছর বয়সে মাসে ৪০ টাকা বেতনে কেরানির কাজ নেন। কিন্তু তিনি লেখক হতে চেয়েছিলেন এবং বিশ্বাস করতেন একদিন বড়ো লেখক হবেন। তাই' তিনি নিয়মিত লেখা শুরু করেন। লেখক হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেতে তাঁর নয় বছর সময় লেগেছিল। লেখক জীবনের প্রথম নয় বছরে তাঁর লেখা থেকে আয় হয়েছিল মাত্র ৩০০ টাকা। কিন্তু তাঁর বিশ্বাসই তাঁকে এগিয়ে নিয়ে গেছে। লেখক হিসেবেই পরবর্তীতে উপার্জন করেছেন প্রচুর টাকা।'আত্মবিশ্বাসের ওপর ভর করাই উদ্দীপক আর 'আমার পথ' প্রবন্ধের সারকথা।'- মূল্যায়ন করো।
- কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত লেখা কোনটি?
- মামুন, মার্টিন এবং শম্ভু তিন সহপাঠী। ঈদ উপলক্ষেমার্টিন মামুনের বাড়িতে অসঙ্কোচে যেতে পারলেও শম্ভুযেতে পারে না। তার রয়েছে পারিবারিক বাধা।উদ্দীপকের শম্ভুর সাথে আমার পথ' প্রবন্ধের লেখকেরস্বাতন্ত্র্য কীসে?
- রাজবন্দীর জবানবন্দি কী ধরনের রচনা?
- ভারতবাসীকে নিজের উপর অটুট বিশ্বাস রাখতে শিখিয়েছিলেন কে?
- "যে নিজের ধর্মের সত্যকে চিনেছে, সে কখনো অন্য ধর্মকে ঘৃণা করতে পারে না।"- ব্যাখ্যা কর।
- প্রবন্ধকার পরাবলম্বনকে সবচেয়ে বড় দাসত্ব বলেছেন কেন?
- "গাহি সাম্যের গান, যেখানে আসিয়া এক হয়ে গেছে। সব বাধা ব্যবধান।"উদ্দীপকে 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে?
- কত সালে কাজী নজরুল ইসলাম মৃত্যুবরণ করেন?
- আমার পথ' প্রবন্ধ অনুযায়ী অতি বিনয় প্রকাশে কী হয়?
- “আমি আছি এই কথা না বলে সবাই বলতে লাগলাম 'গান্ধীজি আছেন" । এই পরাবলম্বনই আমাদের নিষ্ক্রিয় করে ফেললো । একেই বলে সবচেয়ে বড় দাসত্ব” এ কথ???গুলো কার লেখা প্রবন্ধের অংশ?
- ‘মানুষ-ধর্মই সবচেয়ে বড় ধর্ম’ - কথাটি কে কোন রচনায় বলেছেন?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে পথপ্রদর্শক কে?
- স্বার্থ-সুখ চাহি না কো, আত্মনিষ্ঠ কেহ মোরা নয়;পরার্থে কবির বিশ্বে সর্ব বিসর্জনআমাদের আত্মত্যাগে প্রতিগৃহে নামিবে অভয়মর্ত্যের মাটিতে হবে স্বর্গের সৃজন।"উদ্দীপকের কবিতাংশের বক্তব্যে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের সামগ্রিক ভাব ফুটে ওঠেনি।"- এ সম্পর্কে তোমার যুক্তি দাও।
- শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে যা বললেন তা বুঝতে পারল পূর্বপ্রস্তুতি নেওয়াকয়েকজন শিক্ষার্থী। শিক্ষকতো আছেনই বোঝানোর জন্য, এইভরসায় যারা শ্রেণিকক্ষে গিয়েছিল তাদের অর্জন শূন্য। উদ্দীপকের 'শিক্ষক' 'আমার পথ' প্রবন্ধের কার সাথেসাদৃশ্যপূর্ণ?
- কিছুদিন ধরে শহর এলাকায় চুরি-ডাকাতির ঘটনা বেড়ে যায়। প্রতিনিয়ত এ ধরনের ঘটনা ঘটতে থাকায় এলাকার কমিশনার সকল। এলাকাবাসীকে জড়ো করে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানালে তারা উত্তর দেয় 'আপনি তো আছেন, আপনিই ব্যবস্থা করুন।'আপনি তো আছেন, আপনিই ব্যবস্থা করুন। উদ্দীপকের লাইনটিতে 'আমার পথ' প্রবন্ধালোকে জনগণের মধ্যে কী প্রকাশ পেয়েছে?
- কাজী নজরুল ইসলাম রচিত গল্প কোনটি?
- যার নিজের ধর্মে বিশ্বাস আছে সে কখনো অন্য ধর্মকেকী করতে পারে না?
- কাজী নজরুল ইসলামের কোন বইটি বাজেয়াপ্ত হয়েছিল?
- কাজী নজরুল ইসলাম কত খ্রিস্টাব্দে সেনাবাহিনীর বাঙালি পল্টনে যোগদান করেন?
- 'আমার আমি সে কত অতল অসীম,'আমিই কি জানি-কে জানে কে আছে আমাতে মহামহিম'।উদ্দীপকের মর্মবাণীটি কীভাবে 'আমার পথ' প্রবন্ধের সাথে সামঞ্জ্যপূর্ণ?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে প্রকাশিত হয়েছে—
- শিক্ষার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো নিজেকে জানা, পরনির্ভরশীলতা থেকে মুক্ত হওয়া। কিন্তু বর্তমানে শিক্ষিত বেকারদের মধ্যে পরনির্ভরশীলতা বাড়ছে। নিজের সম্পর্কে জানলে আজ আর কেউ শিক্ষিত বেকার হয়ে বসে থাকত না। পরের উপর নির্ভরশীল থাকার জন্য শিক্ষিতদের মন আজ মানসিক দাসত্বে পরিণত হয়েছে।উদ্দীপকটি 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন দিক দিয়ে সংগতিপূর্ণ বলে তুমি মনে কর? বিস্তারিত 'আলোচনা কর।
- গ্রিক দার্শনিক সক্রেটিস নিজেকে চেনার কথা বলেছিলেন; বলেছিলেন, সত্য প্রকাশের কথা- যত কঠিনই হোক সে সত্য। সক্রেটিস ও তাঁর অনুসারীরা সত্য প্রকাশে যে অসংকোচ দৃঢ়তা দেখিয়েছিলেন, প্রথাগত সমাজ ও রাষ্ট্রের চোখে তা চিহ্নিত হয়েছিল ঔদ্ধত্য ও বিশৃঙ্খলার নিয়ামক হিসেবে। পরিণামে তাঁদের ওপর নেমে এসেছিল রাজদণ্ড। প্রবল পরাক্রমশালী রাজার ভয়ে না পালিয়ে যে অল্পসংখ্যক অনুসারী শেষ পর্যন্ত সক্রেটিসের অনুগামী হলেন, তাঁরাই ছিলেন প্রকৃত সত্যনিষ্ঠ। আর তাঁরা যেহেতু আত্মপ্রবঞ্চক ছিলেন না; তাই জেনেশুনেই বেছে নিয়েছিলেন রাজার দেওয়া 'সত্য বলার শাস্তি'। শাস্তিদাতা রাজাদের নাম-নিশানা মুছে গেলেও সক্রেটিসকে মহাকাল দিয়েছে 'মহাজ্ঞানী' অভিধা।"উদ্দীপকের যে মূলভাব, তারই বিস্তৃত পরিণতি 'আমার পথ'-এ পরিলক্ষিত।"- মন্তব্যের সত্যাসত্য বিচার করো।