'বিদ্রোহী' কবিতায় কবি নিজেকে কার সুত হিসেবে
পরিচয় দিয়েছেন?
A.
দুর্বাসা
B.
ইন্দ্ৰাণী
C.
বিশ্বামিত্র
D.
পরশুরাম
সঠিক উত্তরঃ
B.
ইন্দ্ৰাণী
Explanation:
'বিদ্রোহী' কবিতায় কবি নিজেকে একবার বিশ্ব বিধাতার বিদ্রোহী পুত্র বলেছেন আবার নিজেকে ইন্দ্রের, স্ত্রী শচীর পুত্র বলেছেন।
Related Questions (Any University/Year)
- কবি নিজেকে মহাপ্রলয়ের নটরাজ বলেছেন কেন?
- বিদ্রোহ আজ বিদ্রোহ চারিদিকেআমি যাই তারি দিন-পঞ্জিকা লিখে,এতো বিদ্রোহ কখনো দেখেনি কেউ,দিকে দিকে ওঠে অবাধ্যতার ঢেউ;স্বপ্ন-চূড়ার থেকে নেমে এলো সব-শুনেছ? শুনছ উদ্দাম কলরব?নয়া ইতিহাস লিখছে ধর্মঘট;রক্তে রক্তে আঁকা প্রচ্ছদপট।'প্রত্যহ যারা ঘৃণিত ও পদানত,দেখ আজ তারা সবেগে সমুদ্যত;"উদ্দীপকটি 'বিদ্রোহী' কবিতার স্মারক।" বিচার করো।
- 'বিদ্রোহী' কবিতার নত শিরের সঙ্গে কীসের সম্পর্ক রয়েছে?
- কাজী নজরুল ইসলাম কত খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?
- ভারতের ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম নারী মুক্তিযোদ্ধা এবং প্রথম শহিদ বিপ্লবী নারী প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার। ১৯৩০ সালে সমগ্র বাংলা ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে বিপ্লবী হয়ে ওঠে। প্রীতিলতাও বিপ্লবে উদ্বুদ্ধ হন। প্রথম নারী সদস্য হিসেবে যোগ দেন সূর্য সেনের নেতৃত্বাধীন বিপ্লবী দলের সঙ্গে। এরপর টেলিফোন ও টেলিগ্রাফ অফিস ধ্বংস এবং রিজার্ভ পুলিশ লাইনস দখল অভিযানে যুক্ত ছিলেন। তিনি অংশগ্রহণ করেন জালালাবাদ যুদ্ধেও। ১৯৩২ সালে চট্টগ্রামের পাহাড়তলীতে ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণে প্রীতিলতার ছিল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। 'কুকুর ও ভারতীয়দের প্রবেশ নিষিদ্ধ' এরূপ অবমাননামূলক কথার জন্য ক্লাবটি নিয়ে ক্ষুদ্ধ ছিল ভারতীয়রা। প্রীতিলতার নেতৃত্বে বিপ্লবীরা ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণ করে। ওই সময়ে তিনি গুলিবিদ্ধ হলে তাৎক্ষণিকভাবে পটাশিয়াম সায়ানাইড খেয়ে আত্মাহুতি দেন। তাঁর আত্মদান বিপ্লবীদের সশস্ত্র সংগ্রামে আরও উজ্জীবিত করে তোলে। উদ্দীপকের কোন দিকটি 'বিদ্রোহী' কবিতার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ? আলোচনা করো।
- 'চক্রবাক' কাজী নজরুল ইসলামের কোন ধরনের রচনা?
- 'আমি অনিয়ম ও উশৃঙ্খল ' এই আমি কে?
- কাজী নজরুল ইসলামের কোন বইটি বাজেয়াপ্ত হয়েছিল?
- 'আমি সেই দিন হব শান্ত' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- কাজী নজরুল ইসলাম রচিত 'রাজবন্দীর জবানবন্দী' একটি ---
- 'বিদ্রোহী' কবিতার কবি কার বুকের ক্রন্দনশ্বাস?
- "মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণ-তূর্য; পঙ্ক্তিতে কী বোঝানো হয়েছে?
- শাসনের নামে চলে শোষণের সুকঠিন যন্ত্র।বজ্রের হুংকারে শৃঙ্খল ভাঙতে সংগ্রামী জনতা অতন্দ্র।আর-নয়।তিলে তিলে বাঙালির এই পরাজয়।আর করি না করি না ভয়।জয় বাংলা বাংলার জয়।উদ্দীপকের 'শাসনের নামে চলে শোষণের সুকঠিন যন্ত্র'- চরণের সঙ্গে 'বিদ্রোহী' কবিতার সাদৃশ্য বর্ণনা করো। যৌক্তিকতা 'বিচার করো।
- কাজী নজরুল ইসলামের বাল্য স্মৃতি বিজরিত ময়মনসিংহের স্থানটির নাম কী?
- শিউলিমালা কাজী নজরুলের-
- 'বিদ্রোহী' কবিতায় নিচের কোনটি সৃষ্টির ধ্বংসকালকে নির্দেশ করে?
- কী জানি কী হলো আজি, জাগিয়া উঠিল প্রাণ-দূর হতে শুনি যেন মহাসাগরের গান।ওরে, চারি দিকে মোর এ কী কারাগার ঘোর-ভাঙ ভাঙ ভাঙ কারা, আঘাতে আঘাত করো।ওরে আজ কী গান গেয়েছে পাখি,এসেছে রবির কর।উদ্দীপকের আত্মজাগরণের সাথে 'বিদ্রোহী' কবিতায় প্রকাশিত কাজী নজরুল ইসলামের জাগরণের তুলনা করো।
- মম এক হাতে বাঁকা বাশের বাঁশরী আর হাতে রণ-তূর্য- পঙক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
- নিচের কোন সন্ধিটি নিপাতনে সিদ্ধ?
- ১৯৭২ সালে কার উদ্যোগে কাজী নজরুল ইসলামকেসপরিবার স্বাধীন বাংলাদেশে এনে নাগরিকত্ব ওজাতীয় কবির স্বীকৃতি দেওয়া হয়?
- 'আমি __ হাতে চাঁদ ভালে সূর্য'– শূন্যস্থানে কী হবে?
- 'মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণ- তূর্য;'- পঙ্ক্তিতে কী বোঝানো হয়েছে?
- কাজী নজরুল ইসলাম রচিত গ্রন্থ কোনটি?
- ভারত সরকার কাজী নজরুল ইসলামকে কী উপাধি দিয়েছিল?
- লেনিন ভেঙেছে রুশে জনস্রোতে অন্যায়ের বাঁধ, অন্যায়ের মুখোমুখি লেনিন প্রথম প্রতিবাদ।' উদ্দীপকের চরণদ্বয় 'বিদ্রোহী' কবিতার সঙ্গে কোন দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ?