রেদওয়ান তরুণ প্রতিভাবান কবি-সাহিত্যিক হিসেবে বেশ খ্যাতি অর্জন করেছে। যদিও আর্থিক অনটনের মধ্য দিয়ে সে জীবন-যাপন করছে, তবু সে কখনো নিজেকে দরিদ্র মনে করে না। কেননা সে জানে, তার চিন্তা-চেতনার রাজ্যে সে নিজেই সম্রাট । আপন চেতনালোকে সে লালন করে ভিন্ন এক পৃথিবী; যেখানে রূপ-সৌন্দর্য ও মাধুর্যে সে হয় অভিভূত। আর সেই রূপ- সৌন্দর্য এবং মাধুর্যেই তরুণ কবি রেদওয়ান সৃষ্টি করে তার প্রতিটি কবিতা।
"উদ্দীপকটিতে যে বিষয়টি ফুটে উঠেছে তা 'লোক-লোকান্তর' কবিতার সার্বিক বিষয় নয়"- যুক্তিপূর্ণ মতামত দিয়ে বুঝিয়ে দাও।
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- ‘জীবন বন্দনা' কবিতাটি কিসের সুস্পষ্ট প্রতিফলন ঘটেছে?
- শওকত ওসমান কোন উপন্যাসের জন্য আদমজী পুরস্কার লাভ করেন?
- কবি দিলওয়ার এর জন্ম স্থান কোন জেলায়?
- 'চেয়ে দেখি' সমুদ্রগভীর জনতা ধীরে ধীরে চলতে শুরু করেছে। ' -- বাক্যটির রচয়িতা
- পেশায় কৃষক হলেও জলিল শেখ সৌখিন মানুষ। রিকশাছাড়া বাজারে যায় না। চা খাওয়ারও দারুণ নেশা। বাড়িতেরান্না হলেও বাজারের হোটেলে প্রায়ই সে খাওয়া-দাওয়াকরে। উদ্দীপকের বিষয়বস্তু 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধের মতো, কারণ—
- ব্রিটিশ শাসনামলে নীলকর সাহেবরা কৃষকদের অগ্রিম টাকা (দাদন) প্রদান করে নীল চাষ করতে বাধ্য করত। নগদ টাকা পেয়ে কৃষকরা কিছুদিন আরাম আয়েশে কাটাত। উৎপাদিত নীল যখন ইংরেজরা অতি স্বল্প মূল্যে নিয়ে যেতো তখন খাদ্যাভাব প্রকট হয়ে উঠত। ক্ষুধায় কাতর মানুষগুলো আর দাদন নেবে না বলে প্রতিজ্ঞা করলেও নগদ টাকার লোভ সামলাতে পারত না। বাধ্য হয়ে তারা অল্প অল্প জমি বিক্রি করত। ক্রমশ জমি কমতে থাকায় অভাব আরও মাথাচাড়া দিয়ে উঠত। এভাবেই তারা অভাব-চক্রের মাঝে আবর্তিত হত।উদ্দীপকের কৃষকের সাথে 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধের চাষার যাপিত-জীবনের কতটুকু মিল রয়েছে- আলোচনা কর।
- রবীন্দ্রনাথের 'হৈমন্তী' গল্পে প্রাধান্য পেয়েছে -
- কোনটি মীর মশাররফ হােসেনের রচনা নয়?
- ধন-রত্ন সুখৈশ্বর্য কিছুতেই সুখ নাই,সুখ পর-উপকারে, তারি মাঝে খোঁজ ভাই।'আমিত্ব'কে বলি দিয়া স্বার্থ ত্যাগ কর যদি,পরের হিতের জন্য ভাব যদি নিরবধি।নিজ সুখ ভুলে গিয়ে ভাবিলে পরের কথা,তবেই পাইবে সুখ আত্মার ভিতরে তুমি।উদ্দীপক এবং 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের সাদৃশ্য বর্ণনা করো।
- মুসলমান, খ্রিষ্টান ও ইহুদি সকলের জন্য পুণ্যস্থান কী?
- 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে বৃক্ষ কিসের বাণী প্রচার করে ?
- ‘হাজার বছর ধরে’ রচনাটি কার?
- আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে এই বাংলায়। বৈসাদৃশ্য থাকলেও উভয়ের যোগসূত্র কোনটি?
- হাসান সাহেব দীর্ঘ ১২ বছর পর গ্রামে ফিরে তাঁর গরিবআত্মীয়দের বাড়িতে গেলেন। তাঁর দামি গাড়ি, দামিপোশাক আর আচরণগত পরিবর্তন দেখে আত্মীয়রা সমাদরকরার সাহসই পেল না। তিনি হতাশ হয়ে শহরে ফিরলেন। হাসান সাহেবের মতো 'ঐকতান' কবিতার কবিরঅতৃপ্তির কারণ কী?
- লেখক এবং পাঠকের মধ্যে এখন স্কুলমাস্টার দণ্ডায়মান ।' এই উক্তি কে করেছেন ?
- “দুর্দিনের দিনলিপি” স্মৃতিগ্রন্থটি কার লেখা?
- বহুদিন ধরে বহু ক্রোশ দূরেবহু ব্যয় করি বহু দেশ ঘুরেদেখিতে গিয়াছি পর্বতমালাদেখিতে গিয়াছি সিন্ধু।দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়াঘর হতে শুধু দু'পা ফেলিয়াএকটি ধানের শিষের উপরএকটি শিশির বিন্দু।"উদ্দীপক ও 'ঐকতান' কবিতায় নিকটকে দূরে ও দূরকে নিকট করার মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে।"- ব্যাখ্যা কর।
- প্রাবন্ধিক মোতাহের হোসেন চৌধুরীর জন্ম কোন জেলায়?
- ‘পথের পাঁচালী' উপন্যাসের চলচ্চিত্র-রূপ কে দিয়েছিলেন?
- পথে তাজা ফুল ফোটে কেন?
- 'তুমি তো সব জান।' উক্তিটি কার?
- "কোরানে পুরাণে শিল্পে, পালা-পার্বণের ঢাকে ঢোলেআউল বাউল নাচে; পুণ্যাহের সানাই রঞ্জিতরোদ্দুরে আকাশতলে দেখ কারা হাটে যায়,...... মাঠে ঘাটে শ্রমসঙ্গী নানাজাতি ধর্মের বসতিচিরদিন বাংলাদেশ - "উদ্দীপকের প্রথম অংশের সঙ্গে 'সাম্যবাদী' কবিতার মিলরয়েছে—
- সকলের দেবতার বিশ্ব-দেউল কী?
- সহস্র প্রাণ ক্ষত-বিক্ষত হয়—
- অমোঘ অনন্য অস্ত্র কী?