এই ঘাস এই মাটির বুকে আস্তে করে পা রেখো এখানে আমার ভাই বরকত, সালাম, আসাদেরা শুয়ে আছে, ওরা ব্যথা পাবে, ডুকরে কেঁদে উঠবে।
উদ্দীপকের সঙ্গে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার যে বিষয় সাদৃশ্যপূর্ণ-
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন
- ১৯৬৬ সালের ছয় দফা
- ১৯৬৯ সালের গণ অভ্যুত্থান
নিচের কোনটি সঠিক?
A.
i ও ii
B.
ii ও iii
C.
i ও iii
D.
i, ii ও iii
সঠিক উত্তরঃ
C.
i ও iii
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- শামসুর রাহমান কর্মজীবন শুরু করেন কোন পত্রিকার মধ্য দিয়ে?
- "দেখি নাই যারে, চিনি নাই যারে/শুনি নাই নাম কভু তিনিই আজিকে দেবতা আমার/তিনিই আমার প্রভু!!"উদ্দীপকের ভাববৈশিষ্ট্য 'অনুযায়ী 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় উল্লিখিত 'মানবিক বাগান' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায?? বর্ণমালাকে কীসের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে?
- ‘একুশের কৃষ্ণচূড়া আমাদের চেতনারই রং।' এইচরণটির আগের চরণ হল-
- শামসুর রাহমান রচিত কাব্যগ্রন্হ কোনটি?
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় কোন ফুলের উল্লেখআছে?
- উদ্দীপকে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার আলোকে উদ্দীপকের রেখাচিত্রের যৌক্তিকতা নিরূপণ করো।
- ক-অংশযুবকের বুকে নিয়ে বুলেটের অংশপড়িল মাটির 'পরেফোঁটায় ফোঁটায় লহুধারারাজপথে বিছাইল রক্ত জবা ফুল।শেষ নিশ্বাসের আগে তারাগেয়ে গেল রাষ্ট্র ভাষা বাংলা চাই।খ-অংশতোমাদের রক্তঝণ, অম্লান আহুতিবেঁকে যাওয়া আমাদের মেরুদণ্ড টান টান সোজা করে উদ্যত দাঁড়াতে।দরকারি ক্রোধ, প্রেম প্রকাশ, শক্তি দেয়।উদ্দীপকের ক-অংশ দ্বারা 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় বর্ণিত কোন দিকটি ফুটে উঠেছে?- আলোচনা করো।
- ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় কার চোখে আলোচিতঢাকা?
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় শহরের পথে থরে থরে কী ফুটেছে?
- কোনটি শামসুর রাহমানের রচনা নয়?
- আঠারো বছর বয়সের তরুণের প্রাণ কেমন?
- কোনটি শামসুর রাহমানের কাব্যগ্রন্থ?
- 'একুশের কৃষ্ণচূড়া আমাদের চেতনারই রং'- ব্যাখ্যা করো।
- ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় বর্ণমালাকে কিসের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে?
- 'কপালে কজিতে লাল সালু বেঁধেএই মাঠে ছুটে এসেছিল কারখানা থেকে লোহার শ্রমিক,লাঙল জোয়াল কাঁধে এসেছিল ঝাঁক বেঁধে উলঙ্গ কৃষকহাতের মুঠোয় মৃত্যু চোখে স্বপ্ন নিয়ে এসেছিল মধ্যবিত্ত,নিম্নবিত্ত, করুণ কেরানি, নারী, বৃদ্ধ, ভরঘুরেআর তোমাদের মতো শিশু পাতা কুড়ানির দল বেঁধে।'উদ্দীপকের বক্তব্যের সাথে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার বক্তব্যের সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি ব্যাখ্যা করো।
- ব্রিটিশ শাসনামলে ইংরেজরা এদেশের চাষিদের দিয়ে জোর করে নীল চাষ করাত। চাষিদেরকে নামেমাত্র দাদন দিয়ে নীল চাষ করানো হতো। নীল চাষে বাধ্য হওয়ায় চাষিরা তাদের প্রয়োজনীয় শস্য যেমন- ধান, পাট, সরিষা ইত্যাদি উৎপাদন করতে পারতেন না। নীল চাষ করতে অপারগ হলে চাষিদের ওপর নেমে আসত নির্মম অত্যাচার। এ কারণে গড়ে ওঠে নীল বিদ্রোহ। নদীয়ার বিষ্ণুচরণ ও পাবনার কাদের মোল্লার মতো অসংখ্য মানুষ কৃষক আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। ধীরে ধীরে এ আন্দোলন সারা বাংলায় ছড়িয়ে পড়ে।"উদ্দীপক এবং 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতা মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত সংগ্রামী চেতনার এক অসাধারণ শিল্পভাষ্য"- কবিতার আলোকে বক্তব্যের সপক্ষে যুক্তি দেখাও।
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার বৈশিষ্ট্য- দেশপ্রেম গণজাগরণ সংগ্রামী চেতনা নিচের কোনটি সঠিক?
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় কে শূন্যে ফ্ল্যাগ তোলে?
- বায়ান্নর একদিন জেগেছিলো সব। আবার আসেনি কি মহাজাগরণসমহান একাত্তরে?ইতিহাসের প্রগতি রুদ্ধ করে শক্তি আছে কারমানুষের অগ্রযাত্রা বন্ধ করে শক্তি আছে কার।'ইতিহাসের প্রগতি রুদ্ধ করে শক্তি আছে কার' উদ্দীপকের এই উক্তিটিই 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার মূলভাব- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।
- পরিচয়ে আমি বাঙালি, আমার আছে ইতিহাস গর্বের-কখনোই ভয় করিনিকো আমি উদ্যত কোন খড়গের!শত্রুর সাথে লড়াই করেছি, স্বপ্নের সাথে বাস;অস্ত্রেও শান দিয়েছি যেমন শস্য করেছি চাষ;একই হাসি মুখে বাজিয়েছি বাঁশি গলায় পরেছি ফাঁসআপস করিনি কখনোই আমি- এই হলো ইতিহাস।"উদ্দীপক এবং 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতা বাঙালির স্বতঃস্ফূর্ত সংগ্রামী চেতনার এক অসাধারণ শিল্পভাষ্য"- বিশ্লেষণ করো।
- "এখন সে রঙে ছেয়ে গেছে পথ-ঘাট,"- কোন রঙে, কেন? ব্যাখ্যা কর।
- ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় ‘একুশের কৃষ্ণচূড়া আমাদেরচেতনারই রং।' পক্তিতে উল্লিখিত চেনতার প্রকৃতি—
- সুন্দর সকাল। কূজনে মুখরিত চারপাশ। আকাশটা যেন আজ ধুপছায়া শাড়িতে নিজেকে জড়িয়েছে। এমনি মনোরম নৈসর্গিক নান্দনিকতা ভেদ করে চিৎকার করে উঠল ভিনদেশি যন্ত্রদানব। ছুটল গুলি! ঝরল রক্ত! বিনিময়ে বায়ান্নতে আমরা পেলাম কথা বলবার অধিকার। চুয়ান্ন, ছেষট্টি, 'উনসত্তর পেরিয়ে একান্তরে আমরা পেলাম লাল-সবুজের পতাকা, পবিত্র মানচিত্র আর প্রিয় স্বদেশ।উদ্দীপকে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার পূর্ণ অনুরণন ঘটেনি।"- মন্তব্যটি যাথার্থ্য নির্ণয় করো।
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় কৃষ্ণচূড়া ফুলকে কবিরকাছে কেমন মনে হয়?