‘এইসব দিনরাত্রি’ নাটকটির লেখক-
A. হুমায়ূন আহমেদ
B. আবদুল্লাহ আল মামুন
C. কল্যাণ মিত্র
D. ইমদাদুল হক মিলন
সঠিক উত্তরঃ
A.
হুমায়ূন আহমেদ
Explanation: ‘এইসব দিনরাত্রি’ হুমায়ূন আহমেদ এর একটি বিখ্যাত নাটক। এই নাটকটি বিটিভিতে প্রচারিত একটি জনপ্রিয় পারিবারিক নাটক। হুমায়ূন আহমেদ এক সময়ের জনপ্রিয় ও নন্দিত কথাসাহিত্যিক।
Related Questions (Any University/Year)
- 'সাম্যবাদী' কবিতা 'মানবের মহাবেদনার ডাক' দ্বারাপ্রকাশ পেয়েছে—
- ব্রিটিশ শাসনামলে নীলকর সাহেবরা কৃষকদের অগ্রিম টাকা (দাদন) প্রদান করে নীল চাষ করতে বাধ্য করত। নগদ টাকা পেয়ে কৃষকরা কিছুদিন আরাম আয়েশে কাটাত। উৎপাদিত নীল যখন ইংরেজরা অতি স্বল্প মূল্যে নিয়ে যেতো তখন খাদ্যাভাব প্রকট হয়ে উঠত। ক্ষুধায় কাতর মানুষগুলো আর দাদন নেবে না বলে প্রতিজ্ঞা করলেও নগদ টাকার লোভ সামলাতে পারত না। বাধ্য হয়ে তারা অল্প অল্প জমি বিক্রি করত। ক্রমশ জমি কমতে থাকায় অভাব আরও মাথাচাড়া দিয়ে উঠত। এভাবেই তারা অভাব-চক্রের মাঝে আবর্তিত হত।"উদ্দীপক ও 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধের প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উভয়ক্ষেত্রে অভাব চিরায়ত"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।
- ’তামাশার জায়গা এ নয়- হলফ পড়’ উক্তিটি কার?
- "ধর্মবতার ! সাক্ষী বড় সেরকশ্।" - সংলাপটি কার?
- কমলাকান্ত কোন মামলার স্বাক্ষী?
- বিদ্যাপতি কোথাকার কবি ছিলেন?
- “মানুষ মরে গেলে পঁচে যায়, বেঁচে থাকলে বদলায়।” এ উক্তিটি কার?
- কোন নদীর পলিতে 'গলিতে হেম' আছে?
- "স্থাপিলা বিধুরে বিধি স্থাণুর ললাটে;পড়ি কি ভূতলে শশী খান গড়াগড়িধূলায়?” – বাক্যটিতে প্রকাশ পেয়েছে—
- বঙ্গভাষা' কবিতায় ষটকের মিলবিন্যাস -
- কোনটি হুমায়ূন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস?
- কোন কোন নদী জলাঙ্গীরে অবিরল জল দেয়?
- শাস্ত্রকারেরা গাহস্থ্য ব্যাপারটিকে কী হিসেবে কল্পনা করেছ??ন?
- 'আমি যদি খাইতে না পাইলাম, তবে সমাজের উন্নতিলইয়া কী করিব?' 'বিড়াল' প্রবন্ধে এ উক্তিতে প্ৰকাশপেয়েছে—
- 'দোকানে কেন এ দর কষাকষি? পথে ফোটে তাজা ফুল।'- পঙক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- 'পথের পাঁচালী' উপন্যাসের দ্বিতীয় খন্ড বলা হয় কোনটিকে ?
- ‘কাঁকর মণি’ নাটকটি কে লিখেছেন?
- শকুন্তলোকে রক্ষা করেছিল
- 'আমাদের এ জীবনে বলুন তাে আসে কতবার?’ কোন কবিতার অন্তর্গত?
- কোনটি মুহম্মদ এনামুল হকের রচনা?
- 'একটি তুলসী গাছের কাহিনী' রচনায় গল্প-প্রিয় চরিত্র কোনটি?
- "জেন্দা" কী?
- সকলের দেবতার বিশ্ব-দেউল কী?
- শহীদুল দশম শ্রেণির বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী। বৃক্ষের অক্সিজেন প্রদান, প্রাণিকুলের খাদ্যের জোগান ইত্যাদি শহীদুলের মনে দাগ কাটে। শহীদুল প্রতিজ্ঞা করে চিকিৎসাশাস্ত্র অধ্যয়ন করবে। উচ্চ মাধ্যমিক উত্তীর্ণের পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে কৃতিত্বের সাথে চিকিৎসা শাস্ত্রে ডিগ্রি অর্জন করে শহীদুল চলে আসে নিজ গ্রামে। এলাকায় প্রতিষ্ঠা করে দাতব্য চিকিৎসালয়। শহরের চাকচিক্য ও উচ্চ রোজগারের পথ পরিহার করে নিজ এলাকার সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবাকে শহীদুল জীবনের ব্রত হিসেবে গ্রহণ করে। অপরদিকে তার বড়ো ভাই ডাক্তার মনিরুল চিকিৎসাকে ব্রত হিসেবে না নিয়ে ব্যাবসা হিসেবে গ্রহণ করে অঢেল সম্পদের মালিক হয়ে যায়।"উদ্দীপকের শহীদুলের 'ব্রত' এবং 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের 'বৃক্ষের সাধনা' একই সূত্রে গাঁথা।"- তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।