"লোক লোকান্তর" আল মাহমুদের-
A. আত্মপরিচয় মূলক কবিতা
B. স্বদেশ চেতনা মূলক কবিতা
C. বিচ্ছিন্নতাবোধক কবিতা
D. মনোচেতনামূলক কবিতা
সঠিক উত্তরঃ
A.
আত্মপরিচয় মূলক কবিতা
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'জীবন -বন্দনা ' কবিতায় কবি প্রথমে কার বন্দনা করেছেন?
- কেহ মরে বিল ছেঁচে, কেহ খায় কই। এখানে প্রবচনটি রয়েছে যে রচনায়
- ধন-রত্ন সুখৈশ্বর্য কিছুতেই সুখ নাই,সুখ পর-উপকারে, তারি মাঝে খোঁজ ভাই।'আমিত্ব'কে বলি দিয়া স্বার্থ ত্যাগ কর যদি,পরের হিতের জন্য ভাব যদি নিরবধি।নিজ সুখ ভুলে গিয়ে ভাবিলে পরের কথা,তবেই পাইবে সুখ আত্মার ভিতরে তুমি।উদ্দীপক এবং 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের সাদৃশ্য বর্ণনা করো।
- আমি জন্মেছি বাংলায়, আমি বাংলায় কথা বলি,আমি বাংলায় আলপথ দিয়ে হাজার বছর চলি।চলি পলিমাটি কোমলে, আমার চলার চিহ্ন ফেলে।তেরোশত নদী শুধায় আমাকে, 'কোথা থেকে তুমি এলে?'কবিতাংশের 'বাংলার আলপথ'-এর সাথে 'আমিকিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতার সাদৃশ্যপূর্ণ ভাবকোনটি?
- দিলওয়ার কোন জেলার কবি?
- রোকেয়ার মতে, নারী শিক্ষার লক্ষ্য কোনটি?
- “একটি তুলসী গাছের কাহিনী" - গল্পের পটভুমী কী?
- নিচের কোনটি মীর মশাররফ হোসেনের জন্ম-মৃত্যু সাল?
- 'কলিমদ্দি দফাদার' গল্পে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কোথায় আক্রান্ত হয়?
- আবুল মনসুর আহমদের রচনা কোনটি?
- ওই যে দাঁড়ায়ে নতশিরমুক সবে, ম্লান মুখে লেখা শুধু শত শতাব্দীরবেদনার করুণ কাহিনী; স্কন্ধে যত চাপে ভারবহি চলে মন্দগতি যতক্ষণ থাকে প্রাণ তার-তার পরে সন্তানেরে দিয়ে যায় বংশ বংশ ধরি,নাহি ভর্ৎসে অদৃষ্টেরে, নাহি নিন্দে দেবতারে, স্মরি,মানবেরে নাহি দেয় দোষ, নাহি জানে অভিমান,শুধু দুটি অন্নখুঁটি কোনমতে কষ্টক্লিষ্ট প্রাণরেখে দেয় বাঁচাইয়া।উদ্দীপকে 'ঐকতান' কবিতার ভাবার্থ পরিপূর্ণভাবে প্রকাশিত হয়েছে কিনা আলোচনা কর।
- শিশির চরিত্রটির প্রকৃত নাম কী?
- বৃক্ষ বৃদ্ধি ছাড়াও আর কীসের ইঙ্গিত বহন করে?
- ল্যুভ জাদুঘরটি কোথায় অবস্থিত?
- আল মাহমুদের কাব্যগ্রন্থ নয় কোনটি?
- অন্ধকারটা স্বপ্ন, অলীক। আলোটাই সত্য ,আলোটাই স্থায়ী।' উক্তি করেন---
- আজিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের এমএ ক্লাসের ছাত্র। সমাজের কল্যাণ করতে সে পছন্দ করে। একবার তার এলাকায় ব্যাপক বন্যা দেখা দেয়। গ্রামের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। খাদ্য আর চিকিৎসার অভাবে সাধারণ মানুষ নানা রকম দুর্ভোগে পড়ে। সাধারণ মানুষের কষ্টে আজিজের প্রাণ কেঁদে উঠে। মানুষের এমন পরিণতি সে মেনে নিতে পারেনি। তাই সে বন্ধুদের নিয়ে বন্যার্ত মানুষের পাশে এসে দাঁড়ায়।উদ্দীপকটির ভাবের সাথে 'বিড়াল' রচনার আংশিক দিক প্রতিফলিত হয়েছে। আলোচনা কর।
- মাভৈঃ! মাভৈঃ এতদিনে বুঝি জাগিল ভারতপ্রাণ,সজীব হইয়া উঠিয়াছে আজ শ্মশান-গোরস্থান।ছিল যারা চির মরণ আহত,উঠিয়াছে জাগি ব্যথা জাগ্রত,'খালেদ' আবার ধরিয়াছে অসি, 'অর্জুন' ছোঁড়ে বাণ। জেগেছে ভারত ধরিয়াছে লাঠি হিন্দু-মুসলমান।………………………………………………………………………………………………প্রভাতে হবে না ভায়ে ভায়ে রণ, চিনিবে শত্রু, চিনিবে স্বজন।"উদ্দীপকের মর্মার্থ যেন 'সাম্যবাদী' কবিতারই মূলসুর" মন্তব্যটি তোমার মতামতসহ ব্যাখ্যা কর।
- জীবনীকাব্য রচনার জন্য বিখ্যাত :
- 'সেই অস্ত্র' কবিতার গঠনগত বিশেষত্ব তুলে ধরো।
- কোন কবিতাটি নাটকীয় স্বগতােক্তির উদাহরণ?
- "আবার আসিব ফিরে ধানসিড়িটির তীরে-এই বাংলায়হয়তো মানুষ নয়-হয়তোবা শঙ্খচিল শালিকের বেশে…………………………………………………………………আবার আসিব-আমি বাংলার নদী মাঠ ক্ষেত ভালোবেসে,জলাঙ্গীর ঢেউয়ে ভেজা বাংলার এ সবুজ করুণ ডাঙায়।হয়তো দেখিবে চেয়ে সুদর্শন উড়িতেছে সন্ধ্যার বাতাসে।হয়তো শুনিবে এক লক্ষ্মীপেঁচা ডাকিতেছে শিমুলেরডালে।"উদ্দীপকে বর্ণিত কবির এই বাংলায় ফিরে আসার যে আকুলতা তার যথার্থ উত্তর বিধৃত হয়েছে 'এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে' কবিতায়- মন্তব্যটির পক্ষে অথবা বিপক্ষে তোমার মতামত উপস্থাপন করো।
- পরিশীলিত বাগবৈদগ্ধময় রম্য রচনায় সিদ্ধ হস্ত কে?
- 'পাখিরা নীড়ে ঘুমোবে।'— 'সেই অস্ত্র' কবিতারএই চরণ দ্বারা যে বিষয়টি প্রকাশিত তা হলো—
- চন্ডিগড় শহরের উপকণ্ঠে বাড়ি ভাড়া নেয় সুরেশ ও কল্যাণী ব্যানার্জী। তাদের এক সন্তান শান্ত। স্বামী-স্ত্রী চাকুরিজীবী হওয়ায় শান্তাকে দেখাশোনার জন্য গ্রাম থেকে আনা হয় আট বছর বয়সী দরিদ্র অনিতাকে। সারাদিনের খাটুনিতে অনিতার শ্রান্ত শরীরে ঘুম চলে আসে সন্ধ্যারাতে। কল্যাণীর ধারণা অনিতার খাবারের পরিমাণ আরও কমালে ওর ঘুম আসবে না। তাই অনিতার খাবারের পরিমাণ কমিয়ে দেয় কল্যাণী। কম খেতে খেতে অনিতা শীর্ণকায় হয়ে পড়ে। শান্তর উচ্ছিষ্ট সে চুরি করে খায়। এটা জানতে পেরে কল্যাণী অনিতার উপর নির্যাতন চালায়, তওবা করায় এবং উপদেশ দেয় যে চুরি করে খাওয়া পাপ। ফ্রিজে ভর্তি করা খাবার, শান্ত খাওয়ার ভয়ে পালিয়ে বেড়ায় আর অনিতা শান্তর উচ্ছিষ্টের দিকে লোলুপ দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে।উদ্দীপকের ভাবার্থ 'বিড়াল' প্রবন্ধের আলোকে মূল্যায়ন করো।