'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার লক্ষণীয় বৈশিষ্ট্য হলো-
- অন্ত্যমিল বিন্যাস
- নাটকীয়তা
- সংলাপ-নির্ভরতা
নিচের কোনটি সঠিক?
A.
i ও ii
B.
i ও iii
C.
ii ও iii
D.
i, ii ও iii
সঠিক উত্তরঃ
C.
ii ও iii
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- একসাথে আছি একসাথে বাঁচিআজও একসাথে থাকবইসব বিভেদের রেখা মুছে দিয়েসাম্যের ছবি আঁকবই।উদ্দীপক ও 'আমার পথ' প্রবন্ধে নিম্নের যে বিষয়টির কথা বলা হয়েছে-
- ‘বিসর্জন’ নাটকটির রচয়িতা কে?
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের শিক্ষার্থী শ্রীযুক্তা। পড়ালেখা শেষ করতেই ২৭. বছর পেরিয়ে গেল। বিয়ের ব্যাপারে কয়েকবার সম্বন্ধ আসা এবং দেখাশোনা হলেও শেষ পর্যন্ত বিয়ে হয়নি। শ্রীযুক্তা আইন ও সালিশ কেন্দ্রে সমাজের অধিকারবঞ্চিত নারীদের আইনি সহায়তা দিচ্ছে। হঠাৎ একদিন শ্রীযুক্তার কাকা বিয়ের সম্বন্ধের কথা বললেন। তিনি বিনয়ের সাথে কাকাকে বললেন, 'নারীর কল্যাণে আমি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।'"উদ্দীপকে শ্রীযুক্তার বলিষ্ঠ ব্যক্তিত্বের জাগরণ 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীর শুচিশুভ্র আত্মপ্রকাশ।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- "আহ্বান " গল্পের নামকরণ এর পেছনে কোনটি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে?
- ‘তবে চলুন আপনাদের গাড়ি বলিয়া দিই'— উক্তিটিতেপ্রকাশ পেয়েছে শম্ভুনাথ বাবুর-
- উমিচাদ এ যুগের সেরা বিশ্বাসঘাতক — সিরাজউদ্দৌলা'নাটকে এ উক্তিটি কার?
- বিয়ে ভাঙার পর অনুপম কেবল কী কামনা করতে লাগল?
- ‘অপরিচিতা' গল্পে গল্প বলায় পটু কে?
- অনুপমের পিতার পেশা কী ছিল?
- দারিদ্রতা ও দুর্নীতিমুক্ত সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ চাই।
- "মা গরিবের ঘরের মেয়ে; তাই আমরা যে ধনী এ কথা তিনিও ভোলেন না, আমাকেও ভুলতে দেন না" কোন রচনার অংশ?
- "অনেক কষ্ট করে অনেক আশা নিয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিতে এসেছি।”- কোন ধরনের বাক্য?
- কোনটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা নয়?
- 'ঐকতান' কি ধরনের কবিতা?
- গগন হরকরার সঙ্গে কার ভাব সম্পর্কটি আমাদের জন্যে গুরুত্বপূর্ণ?
- ডাক্তার অপূর্ব রংপুর বাসস্টপেজে দাঁড়িয়ে দেখতে পেলেন একটি স্কুল বাসে একজন শিক্ষিকা শিক্ষার্থীদের ছড়া গান শেখাতে শেখাতে নিয়ে যাচ্ছেন। শিক্ষিকাকে তার চেনা চেনা মনে হলো। তার সঙ্গেই কি অপূর্বের বিয়ে হবার কথা ছিল? অপূর্বের কৌতূহল আর কোলাহলের মধ্যেই বাসটি চলে গেল। শিক্ষিকাকে দেখে মনে হলো স্বাধীনচেতা ও ব্যক্তিত্বময়ী। ডাক্তার অপূর্বের মনে পড়ল সেই বিখ্যাত গানের কলি: আমার বলার কিছু ছিল না...........।উদ্দীপকের শিক্ষিকার মধ্যে 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীর চারিত্রিক প্রবণতাসমূহ যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়েছে বলে তুমি মনে করো কি? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- শব্দের শেষে ‘অ’ উচ্চারণ লোপ পায় না-
- "তবে আপনাদের গাড়ি বলিয়া দেই?"- ব্যাখ্যা কর।
- অবশেষে বিবাহের দিন উপস্থিত হইল। নিতান্ত অতিরিক্ত সুদে একজন বাকি টাকাটা ধার দিতে স্বীকার করিয়াছিল, কিন্তু সময়কালে সে উপস্থিত হইল না। বিবাহ। সভায় একটা তুমুল গোলযোগ বাধিয়া গেল। রামসুন্দর আমাদের রায় বাহাদুরের হাতে-পায়ে ধরিয়া বলিলেন, 'শুভকার্য সম্পন্ন হইয়া যাক। আমি নিশ্চয় টাকাটা শোধ করিয়া দেবো।' রায় বাহাদুর বলিলেন, 'টাকা হাতে না পাইলে বর সভাস্থ করা যাইবে না।'"উদ্দীপকের রায় বাহাদুর আর 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপমের মামা একই মানসিকতা লালন করে।"- মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
- ‘শেষের কবিতা’ একটি-
- ‘চুনিয়া' আমার আর্কেডিয়া কবিতায় ‘চুনিয়া' কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- কে অনুপমকে শিমুল ফুলের সাথে তুলনা করতেন ?
- কোনটি রবীন্দ্রনাথের সৃষ্ট চরিত্র?
- লিটন শীল আর চন্দনা একে অপরের ভালো বন্ধু। ছাত্রজীবন থেকে তাদের মাঝে বেশ সখ্য আর জানা-শোনা। উভয়ই উচ্চ শিক্ষিত। চন্দনা এম.এ পাশ করে স্বল্প বেতনের একটা চাকরি করে। স্বল্প বেতনের জন্য মা-বাবাকে সাথে নিয়ে শরহতলিতে একটা পুরোনো ভাড়া বাসায় বাস করে। তার যাপিত জীবন আভিজাত্যের নয় নিম্নমধ্যবিত্তের। লিটন শীল সরকারি চাকরিতে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর বাবা বিক্রম ??ীলের কাছে চন্দনকে বিয়ে করার কথা জানালে বাবা বিক্রম শীল মেয়েকে এবং মেয়ের 'পরিবারকে দেখতে চান। মেয়ের পারিবারিক অবস্থা দেখে ফিরে এসে বাবা গম্ভীর কণ্ঠে বলেন, "মেয়ে দেখতে সুন্দর তবে এ বিয়ে হবে না।" বাবার এরূপ মানসিকতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে পারেনি লিটন শীল। কারণ বাল্যকাল থেকেই সে তার বাবার কথার অবাধ্য হয়নি কখনো।ওপরের উদ্দীপকে 'অপরিচিতা' গল্পের কোন বক্তব্যের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে? বিচার করো।
- ‘জীবনটা না দৈর্ঘ্যের হিসাবে বড়, না গুণের হিসাবে’