'নিজের সবটুকু সম্বল বিক্রি করে ধুলু মিয়া মেয়ের বিয়ে দিলেন। কিন্তু শ্বশুরবাড়িটা তার জন্য সুখের হলো না। এমন অত্যাচারের শিকার হয়েছে যে শ্বশুরবাড়ির নাম শুনলেই আঁতকে ওঠে।'
উক্ত মূল উপজীব্যে 'মাসি-পিসি' গল্পের সাদৃশ্যপূর্ণ ব্যক্তি কোনটি?
A.
কানাই
B.
বুড়ো রহমান
C.
আহ্লাদি
D.
মাসি-পিসি
সঠিক উত্তরঃ
B.
বুড়ো রহমান
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাক নাম কী?
- মাসি-পিসি' গল্পের বৈচিত্র্যময় দিক হলো-দুর্ভিক্ষের মর্মস্পর্শী স্মৃতিপ্রকৃতির প্রতি নিবিড়তা মানবিক জীবনসংগ্রাম নিচের কোনটি সঠিক?
- নাসির সাহেব তাঁর যাবতীয় সম্পদ বন্ধক রেখে একমাত্র মেয়েকে বিয়ে দেন। টাকার লোভে জামাই মেয়েটির উপর অমানবিক নির্যাতন চালায়।উদ্দীপকে 'মাসি-পিসি' গল্পের যে দিকটি দৃশ্যমান-
- নিজের সহায়সম্পদ না থাকলেও অকালপ্রয়াত বড়ো বোনের মেয়ে মিনাকে সযত্নে আগলে রাখে রাহেলা। অন্যের বাসায় কাজ করে রাহেলা মিনার ভরণপোষণের ব্যবস্থা করে। মিনার নিরাপত্তার কথা ভেবে রাহেলা মিনাকে সঙ্গে নিয়ে অন্যের বাসায় কাজ করতে যায়।উদ্দীপকটি 'মাসি-পিসি' গল্পের সমগ্র ভাবা ধারণ করতে পেরেছে কি? তোমার মতামতসহ আলোচনা করো।
- 'মুক্তিযোদ্ধা মেজর শামসুল আলম স্কুল ও কলেজ'-এর নবমশ্রেণির ছাত্রী লায়লা এলাকার কিছু দুষ্ট লোকের অত্যাচারেস্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দেয়। তার সহপাঠীরা এই সংবাদপেয়ে তার বাড়িতে আসে। তারা লায়লাকে সঙ্গে করে স্কুলেনিয়ে যায়। তাদের প্রত্যেকের হাতে থাকে বাঁশের লাঠি।কেউ আর এখন তার দিকে চোখ তুলে তাকায় না ।উদ্দীপকের মূলভাবটি 'মাসি-পিসি' গল্পের কোনদিকটিকে প্রতিফলিত করে?
- কারণে-অকারণে বউকে প্রহার করা তাহেরের অভ্যাস।নির্যাতন সইতে না পেরে তার বউ অবশেষে আত্মহত্যা করে।তাহের পুনরায় বিয়ে করে এবং আবারও স্ত্রীর ওপর অত্যাচারশুরু করে।উদ্দীপক ও 'মাসি-পিসি' গল্পের সাদৃশ্যপূর্ণ দিক হলো-
- 'মাসি-পিসি' গল্পে পিসির হাতে কী দেখা যায়?
- নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ কোনটি?
- প্রাগৈতিহাসিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি-----
- কোনটি তৎপুরুষ সমাস?
- 'দুঃখ বিনা সুখ লাভ হয় কি মহীতে'? বিনা' শব্দটি-
- তারাপুর গ্রামের মেয়ে রাবেয়া। শ্বশুরবাড়ির নির্যাতন সইতেনা পেরে ফুফু সলিমা বেগমের কাছে পালিয়ে আসে । গ্রামেরমাতব্বর নারীলোভী জয়নালের কুদৃষ্টি পড়ে রাবেয়ার ওপর।কিন্তু সলিমা বেগম জননী সাহসিকা। তিনি দৃঢ়প্রত্যয়ী মা-পাখির মতো আগলে রাখেন অনাথ ভাইঝি রাবেয়াকে। উদ্দীপকে 'মাসি-পিসি' গল্পের কোন দিকটির প্রতিফলনঘটেছে?
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?
- স্বামীর মৃত্যুর পর প্রতিকূল পরিবেশে টিকতে না পেরেরোকেয়া ভাগলপুরে মেয়েদের স্কুল ও বৃদ্ধাশ্রমপ্রতিষ্ঠা করে নিজেকে শিক্ষা বিস্তার ও সমাজসেবারকাজে ব্যস্ত রাখেন । 'মাসি-পিসি' গল্পের মাসি-পিসি উদ্দীপকেররোকেয়ার সাথে কীসে তুলনীয়?
- মাসি-পিসি' গল্পটি 'পূর্বাশা' পত্রিকায় কত বঙ্গাব্দে প্রকাশিত হয়?
- 'মোরা নয় মরব'। পিসির এ উক্তি কীসের ইঙ্গিত বহনকারী? বুঝিয়ে দাও।
- নিচের কোনগুলো সমাসনিষ্পন্ন শব্দ?
- কোন লেখকের রচনায় মার্ক্সবাদী দৃষ্টিভঙ্গির পরিচয় পাওয়া যায়?
- বকুল যখন স্বামীহারা হয় তখন তার মেয়ে পারুলের বয়স দুই বছর। একদিকে অর্থকষ্ট, অপরদিকে বদলোকের কুদৃষ্টি। লোকের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে, খেয়ে না খেয়ে মেয়েটাকে বড় করে বকুল। একসময় মেয়ের বিয়েও দেয়। কিন্তু বছর না ঘুরতেই অত্যাচারী স্বামীর সাথে সম্পর্ক ছেধ করে মায়ের কাছে ফিরে আসে পারুল। সম্মানের সাথে বেঁচে থাকার জন্য মেয়ে পারুল হয় বকুলের অবলম্বন। মায়ের জীবন-সংগ্রাম দেখে বড় হওয়া পারুল মায়ের চেয়ে সাহসী এবং আত্মমর্যাদাশীল। বাড়ির পাশে শাক-সবজি চাষ করে, ঘরে হাস-মুরগি পালন করে, ধান ভেনে, কাঁথা সেলাই করে স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা করে মা ও মেয়ে। যে কোনো অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে জীবন বলি রাখার দৃঢ় প্রত্যয় বকুল ও পারুলের চাল চলনে।"উদ্দীপকটি অধিকাংশ ক্ষেত্রে 'মাসি-পিসি' গল্পের বক্তব্য ধারণ করে- তোমার মতামত দাও।
- 'তাতেই জগুর প্রবল লোভ'- কীসের প্রতি জগুর লোভের কথা বলা হয়েছে?
- দারিদ্র্যের সাথে সংগ্রাম করে অনেক কষ্টে ভাই-ঝিকে বিয়ে দেন কাকা। অভাগী প্রতিমা শ্বশুরবাড়িতেও সুখের নাগাল পায় না। কারণ তার কাকার কাছ থেকে যৌতুকের টাকা আনার জন্য স্বামী-শাশুড়ি প্রতিনিয়ত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালায়। এমনকি অন্তঃসত্ত্বা জেনেও তার স্বামী একদিন মারধর করে তাকে অজ্ঞান করে ফেলে। যখন জ্ঞান ফিরে আসে, প্রতিমা কোনোরকমে পালিয়ে কাকা-কাকীর কাছে চলে আসে। ভাইঝি'র এমন পরিস্থিতি বিবেচনা করে কাকা-কাকী সিদ্ধান্ত নেয় অমন শ্বশুরবাড়িতে তাকে পাঠাবে না তারা। বাপ-মা মরা অভাগী মেয়ে প্রতিমা দরিদ্র কাকা-কাকীর কাছে বড় হয়েছে।"অর্থলিপ্সা মানুষকে পরিপূর্ণ পশু করে তোলে- উদ্দীপকে ও 'মাসি-পিসি' গল্পে এ সত্যটি সন্দেহাতীতভাবে প্রকাশিত হয়েছে"- মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার করো।
- সালমার বাবা হঠাৎ মারা যাওয়ায় তার মা অসহায় হয়ে পড়ে। একদিকে অর্থকষ্ট,অন্যদিকে ষোলো বছর বয়সী সালমার সামাজিক নিরাপত্তা, সব মিলিয়ে সালমার মা দিশেহারা হয়ে পড়ে। এই অবস্থায় সালমার বিধবা খালা তাদের বাড়িতে এসে সালমার দেখাশুনার ভার নেয়। সালমার মা-খালা অন্যের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে নিজেদের খাওয়া পরা চালায়। এভাবেই তারা জীবনের সঙ্গে লড়াই করে টিকে থাকার চেষ্টা করে।উদ্দীপকের উপার্জনের পথ 'মাসি-পিসি' গল্পে মাসি-পিসির উপার্জনের পথ থেকে ভিন্নতর কেন?
- স্বামী পরিত্যক্তা হতদরিদ্র জয়গুন সূর্য-দীঘল বাড়িতেএকা বসবাস করে ৷উদ্দীপকের জয়গুন 'মাসি-পিসি' গল্পে কারপ্রতিনিধিত্ব করছে?
- আহ্লাদিকে জণ্ডর কাছে পাঠাতে মাসি-পিসি কেন চায়নি?
- সাম্যের গান গাই-আমার চক্ষে পুরুষ রমণী কোন ভেদাভেদ নাই।বিশ্বে যা কিছু মহান সৃষ্টি চিরকল্যাণকর,অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর।উদ্দীপকে উল্লিখিত চরণগুলোর সাথে 'মাসি-পিসি' গল্পে লেখকের মনোভাবের যথেষ্ট মিল পাওয়া যায়- এ বিষয়ে তোমার মতামত দাও।