"এদেশে থেকে এ দেশকে ভালোবেসেছি"-সংলাপটি কার?
A.
মিরমর্দানের
B.
নবাবের
C.
সাঁফ্রের
D.
নারান সিংয়ের
সঠিক উত্তরঃ
D.
নারান সিংয়ের
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- "ভীরু প্রতারকের দল চিরকালই পালায়" এর তাৎপর্য বুঝিয়ে দাও।
- ‘যত বড় মুখ নয় তত বড় কথা’ - সংলাপটি কার?
- মেলান্দহ নদীর পাড় ঘেঁষে পাইনশাইল গ্রাম। গ্রামের দক্ষিণ পাড়ায় মিলিটারি ক্যাম্প। সবুর কমান্ডারের নেতৃত্বে ছাপ্পান্ন জন মুক্তিযোদ্ধা এক বর্ষণমুখর রাতে আক্রমণ চালায় মিলিটারি ক্যাম্পে। তিন দিন থেকে বিরতিহীন গুলি বর্ষণে দিশেহারা হয়ে পড়ে পাকিস্তানি সেনার দল। নিতান্তই আত্মরক্ষার জন্য গুলি ছোড়ে তারা। একজন রাজাকার পাকিস্তানি কমান্ডারকে বলে, 'গুলি না চালিয়ে চলো পালাই।' কমান্ডারকে নিয়ে নদীপথে পালিয়ে প্রাণে বাঁচে সে। ততক্ষণে মিলিটারি ক্যাম্প সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত।উদ্দীপকের রাজাকার ও কমান্ডার 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন কোন চরিত্রের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ- বিশ্লেষণ করো।
- কী থেকে নাটকের উদ্ভব?
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে 'অপারেশন সার্চলাইট' নামে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী অত্যাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ঘুমন্ত বাঙালির উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। মুক্তিযুদ্ধের সময় হানাদার বাহিনী সম্পূর্ণ অনৈতিক ও অন্যায়ভাবে ব্যাপক হত্যা আর ধ্বংসযজ্ঞ চালায় বাংলাদেশে। আলবদর, আলশামস বাহিনীর মাধ্যমে পাকিস্তানিরা এ দেশে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল। দীর্ঘ নয় মাসে তারা ৩০ লক্ষ বাঙালিকে হত্যা করে। কিন্তু সাহসী বাঙালি প্রবল প্রতিরোধ গড়ে তোলে এবং ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানিদের কোণঠাসা করে মুক্তির বিজয় ছিনিয়ে আনে।উদ্দীপকে সাহসী বাঙালির প্রবল প্রতিরোধের বিষয়টি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে কীভাবে বর্ণিত হয়েছে? আলোচনা করো।
- হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আপাদমস্তক একজন দেশপ্রেমিক। যুগ যুগ ধরে শোষিত নিপীড়িত বাঙালিকে তিনিই মুক্তির স্বাদ দিতে পেরেছিলেন। দেশ ও দেশের মানুষকে ভালোবেসে 'বহুবার কারাবরণ করেছেন তিনি। নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন সাধারণ মানুষের কল্যাণে। অথচ নিজ ঘরের দরজায় পরিচিত কয়েকজনকে হন্তারকের ভূমিকায় দেখে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলেন জাতির পিতা।'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলার শেষ নবাব সিরাজউদ্দৌলার মতোই দেশপ্রেমিক ছিলেন।'- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- ক্লাইভের মতে নবাবের ক্ষমতা নেই কেন?
- মাত্র সতেরো জন্য সৈন্য নিয়ে বখতিয়ার খিলজি বাংলার মসনদ দখল করে নেন। এই সতেরো জন্য সৈন্য যুদ্ধে জয়লাভ করেছিল তাদের অসামান্য সাহস, বিশ্বাস আর শৃঙ্খলার জন্য। 'পক্ষান্তরে লক্ষ্মণসেনের বাহিনী ছিল নানা বিশৃঙ্খলায় জর্জরিত। লক্ষ্মণসেনের বিশাল বাহিনী তাকে রেখে পালিয়ে গেল। তাই লক্ষ্মণসেনও আত্মগোপনে চলে গেলেন। মূলত সেদিন যুদ্ধ হয়নি, হয়েছে বিশ্বাসঘাতকতা।'মূলত সেদিন যুদ্ধ হয়নি, হয়েছে বিশ্বাসঘাতকতা।'- এই উক্তিটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ক্ষেত্রেও সমভাবে প্রযোজ্য।'- কথাটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।
- পুরানগড়ের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে মাতামুহুরী নদী। এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী নদীতে শত শত মেশিন বসিয়ে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন করে যাচ্ছে। মেশিনের বিকট শব্দে এলাকা প্রকম্পিত। অন্যদিকে, তারা এলাকার ধানি জমিগুলোকে ইটভাটা বানিয়ে কৃষি উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছে। ইট পোড়ানোর কাঠ জোগান দিতে তারা নির্বিচারে বৃক্ষনিধন যজ্ঞে লিপ্ত হয়েছে। এলাকার পরিবেশবাদী সচেতন মহল ব্যাবসার নামে এই ধরনের পরিবেশ বিপর্যয়মূলক ভয়াবহ কর্মকান্ডের বিরোধিতা করে প্রশাসনের নিকট এর প্রতিকার চায়। কিন্তু, ব্যবসায়ীরা প্রশাসনের নজর এড়িয়ে নানা কৌশলে তাদের কর্মকান্ড অব্যাহত রাখে। পরিবেশবাদীরা মনে করেন, এভাবে চলতে থাকলে অচিরেই মানবিক বিপর্যয়ও ঘটে যেতে পারে। তাই ব্যবসায়ীদের সঙ্গে তাদের দ্বন্দ্ব-সংঘাত লেগেই আছে।উদ্দীপকের পরিবেশবাদীদের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের আদর্শিক মিল খুঁজে পাওয়া যায়।
- তুমি কি দেখেছো কভু জীবনের পরাজয়দুঃখের দহনে করুণ রোদনে তিলে তিলে তার ক্ষয়।।আমি যে দেখেছি কত যে স্বপ্ন মুকুলেই ঝরে যায়শুকনো পাতার মর্মর বাজে কত সুর বেদনায়আকাশে বাতাসে নিষ্ফল-আশা হাহাকার হয়ে রয়।"উদ্দীপকটি সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আংশিক ভাব ধারণ করেছে মাত্র"। মূল্যায়ন করো।
- সিরাজউদ্দৌলার মায়ের নাম কী?
- সিরাজের শ্বশুরের নাম কী?
- সিরাজউদ্দৌলা' চলচ্চিত্রে সিরাজউদ্দৌলার ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন কে
- রাইসুল জুহালা চরিত্রের মাধ্যমে নাট্যকার নাটকেযে বিষয়ের অবতারণা করেছেন—
- আবেদ আলী এতিম জালালকে আদর, ভালোবাসা আর বিশ্বাস-ভরসা দিয়ে বড় করে তোলেন। তাকে বিশ্বাস করে হাটে বাজারে পাঠান বিকিকিনি করতে। প্রতিবেশীরা সাবধান করলেও আবেদ আলী তা কানে তোলেননি। ১৯৭১ সালে যুদ্ধ শুরু হলে আবেদ আলী বাড়ির ভিতরে থেকে জালালকে বাইরে থেকে তালা লাগিয়ে চলে যেতে বলেন। কিন্তু জালাল প্রতিশ্রুতি দিয়েও লোভে পড়ে আবেদ আলীকে ধরিয়ে দেয় রাজাকার আর পাক হানাদারদের হাতে।উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।
- 'সিরাজউদ্দৌলা, এখন কয়েদি, ওয়ার ক্রিমিনাল।'- ব্যাখ্যা করো।
- সিকান্দার আবু জাফর রচিত 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের রাইসুল জুহালা কেমন চরিত্র?
- 'ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়ে নিলেন, এ বড়ো লজ্জার কথা।'- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- মিরজাফরের গুপ্তচর কে?
- 'ফিরে এসেছি রাজধানীতে স্বাধীনতা বজায় রাখবার শেষ চেষ্টা করব বলে।'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- মহাকবি বাল্মীকির "রামায়ণ' এক অর্থে আর্য ও অনার্য সংস্কৃতির ভাষিক রূপ। রামায়ণের কাহিনিকে নব আঙ্গিকে ঢেলে সাজিয়েছেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত। রাবণ চরিত্র তাঁর অনন্য সৃষ্টি। রাবণ দেশপ্রেমিক ও অসাধারণ এক বীর। সহোদর বিভীষণ বিশ্বাসঘাতক, দেশদ্রোহী। বহিঃশক্তি রাম-লক্ষ্মণ তার দোসর। তার দেখানো পথেই লক্ষ্মণ রাবণপুত্র নিরস্ত্র মেঘনাদকে হত্যা করে বিভীষণের কারণেই লঙ্কার যুদ্ধে রাবণকে করুণ পরিণতি বরণ করতে হয় এবং বিজয় সূচিত হয় বহিঃশক্তির।বিভীষণ 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রকে নির্দেশ করে- আলোচনা করো।
- 'শুধুই অপমান নেই আমার'- এ উক্তির মধ্যে প্রকাশ পেয়েছে সিরাজউদ্দৌলার-
- ইংরেজরা পরাজিত হয়ে কোন জাহাজে আশ্রয় নেয়?
- মিরজাফর উমিচাঁদকে কালকেউটে বলেছে কেন?
- “সবাই উচ্চাবিলাষী । সবাই সুযোগ খুঁজছে ৷ ” ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকে এ উক্তিটি কার?