"নিঃস্বলা মাঠের কৃষক" বইটির রচয়িতা কে?
A. আব্দুল্লাহ আবু সাঈদ
B. হুমায়ূন আজাদ
C. হুমায়ূন আহমেদ
D. জাফর ইকবাল
E. বেগম রোকেয়া
সঠিক উত্তরঃ
A.
আব্দুল্লাহ আবু সাঈদ
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- জলের দেবী কে?
- 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধ অনুযায়ী মানুষের মর্যাদা কীসে?
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘কৃষ্ণকান্তের উইল’ উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্রের নাম-
- ‘এইখানে এসে লুটাইয়া পড়ে সকল_____।’ - 'সাম্যবাদী' কবিতার এই চরণের শূন্যস্থানে কোনটি রয়েছে?
- 'কড়িকাঠ' কোথায় থাকে?
- ‘একুশে কৃষ্ণচূড়া আমাদের ___রং ।’
- জীবনীকাব্য রচনার জন্য বিখ্যাত :
- “রক্তে আমার অনাদি অস্থি” চরণটিতে প্রকাশ পেয়েছে—
- সম্প্রতি চিতলমারী গ্রামের অনেক উন্নতি হয়েছে- পাকা রাস্তা, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ, ডিশ অ্যান্টেনা মাঝে মাঝে দুই-চারটি পাকা বাড়িও চোখে পড়ে। কিন্তু কৃষিনির্ভর মানুষের ভাগ্যের তেমন পরিবর্তন হয়নি। আগে যারা খেয়ে পরে বছরে দুবিঘা জমি কিনত, এখন বছর শেষে শূন্য। ওই গ্রামের করিম মাস্টার বললেন, 'উন্নতি হবে কেমন করে, এখন তো সবাই সাহেব। আহার, বিশ্রাম, আড্ডা, ভ্রমণ আর হিংসা-দলাদলি নিয়ে মানুষ এখন ব্যস্ত।''করিম মাস্টারের বক্তব্যে বঙ্গদেশীয় চাষার চিরদারিদ্র্যের কারণ নিহিত আছে'- উক্তিটি 'চাষার দুক্ষু' রচনা অনুসারে মূল্যায়ন করো।
- 'উদাসিনী সেই পল্লী -বালার নয়নের জল বুঝি '- 'কবর' কবিতার এই পল্লী -বাংলা বৃদ্ধের -
- 'এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে' -কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
- মতলবপুর গ্রামে সুসজ্জিত স্কুল-কলেজ, হাসপাতাল, খেলার মাঠ, সোনাফলা ফসলি জমি-সবই আছে কিন্তু হাসপাতালের চিকিৎসা বা স্কুল-কলেজের শিক্ষা গ্রহণের জন্য যে আর্থিক সামর্থ্যের প্রয়োজন তা গ্রামের অধিকাংশ মানুষেরই নেই। ফসলি জমির ফসল ওঠে কয়েকটি ভূ-স্বামী পরিবারের গোলায়। তাই অর্ধাহারে, অশিক্ষায় আর চিকিৎসাহীনতায় মানবেতর জীবনযাপন করে মতলবপুর গ্রামের আশি ভাগ মানুষ। বাইরে থেকে দেখলে যে গ্রামকে আদর্শ মনে হয় নিবিড় পর্যবেক্ষণে ভেসে ওঠে সে গ্রামের বঞ্চিত গ্রামবাসীর অসহায় মুখচ্ছবি।"উদ্দীপকে 'বিড়াল' প্রবন্ধের আংশিক বক্তব্য প্রতিফলিত হয়েছে।"- বাক্যটির তাৎপর্য লেখ।
- 'বখতিয়ারের ঘোড়া' কাব্যগ্রন্থের লেখক কে?
- ‘জাদুঘরে কেন যাব' রচনায় লেখক জাতীয় জাদুঘরকী বহন করে বলে উল্লেখ করেছেন ?
- 'তেলা মাথায় তেল দেওয়া মনুষ্য জাতির রোগ'- ব্যাখ্যা করো।
- মীর মশাররফ হোসেন রচিত গ্রন্হ হচ্ছে–
- চন্ডিগড় শহরের উপকণ্ঠে বাড়ি ভাড়া নেয় সুরেশ ও কল্যাণী ব্যানার্জী। তাদের এক সন্তান শান্ত। স্বামী-স্ত্রী চাকুরিজীবী হওয়ায় শান্তাকে দেখাশোনার জন্য গ্রাম থেকে আনা হয় আট বছর বয়সী দরিদ্র অনিতাকে। সারাদিনের খাটুনিতে অনিতার শ্রান্ত শরীরে ঘুম চলে আসে সন্ধ্যারাতে। কল্যাণীর ধারণা অনিতার খাবারের পরিমাণ আরও কমালে ওর ঘুম আসবে না। তাই অনিতার খাবারের পরিমাণ কমিয়ে দেয় কল্যাণী। কম খেতে খেতে অনিতা শীর্ণকায় হয়ে পড়ে। শান্তর উচ্ছিষ্ট সে চুরি করে খায়। এটা জানতে পেরে কল্যাণী অনিতার উপর নির্যাতন চালায়, তওবা করায় এবং উপদেশ দেয় যে চুরি করে খাওয়া পাপ। ফ্রিজে ভর্তি করা খাবার, শান্ত খাওয়ার ভয়ে পালিয়ে বেড়ায় আর অনিতা শান্তর উচ্ছিষ্টের দিকে লোলুপ দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে।উদ্দীপকের অনিতা 'বিড়াল' প্রবন্ধের কোন শ্রেণিকে স্মরণ করিয়ে দেয়-ব্যাখ্যা করো।
- 'আমাদের জীবনটা ছিল যান্ত্রিক' কোন গল্প থেকে নেওয়া?
- পূর্বে পল্লিবাসিনীগণ কী দিয়ে কাপড় কাচতেন?
- ”কী যাদু বাংলা গানে” -বিখ্যাত এই গানের চরণাংশ কোন রচনায় উদ্ধৃত হয়েছে?
- ''জীবন থেকে নেয়া'' কার লেখা ?
- নিচের কোনটি মীর মশাররফ হোসেনের জন্ম-মৃত্যু সাল?
- ’সূর্য-দীঘল বাড়ী’র প্রধান বিষয় কী?
- সৌদামিনী মালাে সবচেয়ে গুরুত্ব দিয়েছে কোনটিকে?
- ‘তিতাস একটি নদীর নাম’ উপন্যাসটির লেখক কে?