আবরার সাহেব ছোটোবেলা থেকেই নিজের কাজ নিজে করে অভ্যস্ত নন। ছাত্রজীবনে বন্ধুদের উপর নির্ভর করে পার হয়েছেন। এ অভ্যাসটি আজ তাঁর কর্মজীবনেও বহমান। অফিসে নিজের কাজ অন্যকে দিয়ে করিয়ে নিতে গিয়ে তাকে অনেক ছোটো হতে হয়। কর্তার কাছে নিজেকে উপস্থাপন করতে গিয়ে ব্যক্তিত্ব হারিয়ে ফেলেন। অথচ তার বাল্যবন্দু লেনিন সাহেব সৎ এবং ব্যক্তিত্বসম্পন্ন। অর্থাৎ ঘনিষ্ঠ বন্ধু হলেও তারা উভয়ই পরস্পর বিপরীত বৈশিষ্ট্যের। লেনিন সাহেব বাল্যবন্ধুকে অন্যায্য কাজ থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করেন এবং তিনি তাকে এটাও বোঝাতে চেষ্টা করেন আত্মবিশ্বাস, দৃঢ়তা এবং কঠোর পরিশ্রমই মানুষকে সাফল্য এনে দেয়।
উদ্দীপকের লেনিন সাহেবের ভাবচেতনাই 'আমার পথ' প্রবন্ধের মূল সুর। -এ কথাটির মূল্যায়ন করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'পৃথিবীতে এমন কেউ কেউ আছেনমিথ্যার সাথে করেন না আপসকোথাও মেকি দেখলেই ঝরেতাদের রোষকেউ কেউ বলে এটা তাদের দোষঅনেকেই, তাদের বাহবা দিয়ে বলেআছে বটে সাহস।'উদ্দীপকে বর্ণিত 'মিথ্যার সাথে করেন না আপস' উক্তিটি 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন বিষয় ইঙ্গিত করে? ব্যাখ্যা করো।
- "মানুষ মাত্রই ভুল করে। জীবনের চলার পথে যদি কোনো ভুল হয়ে থাকে, তাহলেতাকে স্বীকার করে নেওয়ার মধ্যে কোনো লজ্জা নেই।' ভুল থেকেই মানুষ সঠিক শিক্ষা পেতে পারে। উদ্দীপকের বক্তব্য অনুযায়ী লেখকের যে মতামত ব্যক্ত হয়েছে?মানুষ সব সময় নিখুঁত কাজ করতে পারে নাভুল থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা উচিতভুলটাকে স্বীকারে আত্মশক্তি লোপ পায়নিচের কোনটি সঠিক?
- “আমি আছি এই কথা না বলে সবাই বলতে লাগলাম 'গান্ধীজি আছেন" । এই পরাবলম্বনই আমাদের নিষ্ক্রিয় করে ফেললো । একেই বলে সবচেয়ে বড় দাসত্ব” এ কথ???গুলো কার লেখা প্রবন্ধের অংশ?
- শ্রমিক নেতা রহমান সাহেব একজন প্রতিবাদী ব্যক্তি। শ্রমিকদের স্বার্থ আদায়ে তিনি বলিষ্ঠ কন্ঠস্বর। সত্য কথা বলতে তিনি কখনো পিছপা হন না। তার এই স্পষ্টবাদিতার কারণে মালিকপক্ষের কাছে তিনি চক্ষুশূল। জীবনে নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি সত্যপথ থেকে বিচ্যুত হননি। তাই শ্রমিক সমাজের মাঝে তিনি বেশ আস্থাভাজন মানুষ হিসেবে পরিচিত।উদ্দীপকে সত্যের যে চিত্র ফুটে উঠেছে তা 'আমার পথ' প্রবন্ধের আলোকে ব্যাখ্যা করো।।
- কাজী নজরুল ইসলাম কত নম্বর বাঙালি পল্টনে সৈনিক হিসেবে যোগদান করেছিলেন?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে কোন বিশ্বনেতার কথা বলা হয়েছে?
- ভুলের মধ্যে সত্যকে পাওয়ার উপায় হলো - বিনয়ী হওয়া ভুল থেকে শিক্ষা পাওয়া আত্নসচেতন হওয়া নিচের কোনটি সঠিক?
- কাজী নজরুল ইসলাম কত তারিখে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন?
- 'আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে।' কথাটি বলেছেন-
- কাজী নজরুল ইসলামের 'জীবন-বন্দনা' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত রয়েছে?
- ‘আমার পথ' প্রবন্ধে লেখকের কর্ণধার কে?
- ‘আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে'- কোন লেখকের উক্ত?
- শিক্ষার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো নিজেকে জানা, পরনির্ভরশীলতা থেকে মুক্ত হওয়া। কিন্তু বর্তমানে শিক্ষিত বেকারদের মধ্যে পরনির্ভরশীলতা বাড়ছে। নিজের সম্পর্কে জানলে আজ আর কেউ শিক্ষিত বেকার হয়ে বসে থাকত না। পরের উপর নির্ভরশীল থাকার জন্য শিক্ষিতদের মন আজ মানসিক দাসত্বে পরিণত হয়েছে।উদ্দীপকটি 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন দিক দিয়ে সংগতিপূর্ণ বলে তুমি মনে কর? বিস্তারিত 'আলোচনা কর।
- "অন্তরে যাদের এক গোলামির ভাব, তারা বাইরের গোলামি থেকে রেহাই পাবে কী করে? " - কার রচনার অংশ?
- আত্মকৃত ভুলের শিক্ষা মানুষকে দুখে ও অনুশোচনার আগুনেপুড়িয়ে খাঁটি করে। মানব সভ্যতার ইতিহাসে ভুলের কার্যকারিতা তাই সত্যদঘাটনের শক্তির মতোই গুরুত্বপূর্ণ।উদ্দীপকের বক্তব্যের সাথে 'আমার পথ' প্রবন্ধের সাদৃশ্য রয়েছে-আত্মনির্ভরতায়ভুল থেকে শিক্ষা নেয়ায়সত্যকে চেনার মাধ্যমেনিচের কোনটি সঠিক?
- কাজী নজরুল ইসলামের ‘আমার পথ' প্রবন্ধটি কোন প্রবন্ধগ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে?
- কোনটি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা উপন্যাস?
- জীবনের যেকোনো ক্ষেত্রে 'বিশ্বাস' অর্থাৎ 'আত্মবিশ্বাস' শব্দটি মানবমনের এম শক্তির প্রতীক, যার কোনো যৌক্তিক সীমানা নেই। তবুও আত্মবিশ্বাসের ভালো উদাহরণ হিসেবে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আইরিশ নাট্যকার 'জর্জ বার্নার্ডশ' এর নাম উল্লেখ করা যেতে পারে। তিনি মাত্র ৫ বছর স্কুলে লেখাপড়া করেছেন। দারিদ্র্যের কারণে মাত্র ১৫ (পনেরো) বছর বয়সে মাসে ৪০ টাকা বেতনে কেরানির কাজ নেন। কিন্তু তিনি লেখক হতে চেয়েছিলেন এবং বিশ্বাস করতেন একদিন বড়ো লেখক হবেন। তাই' তিনি নিয়মিত লেখা শুরু করেন। লেখক হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেতে তাঁর নয় বছর সময় লেগেছিল। লেখক জীবনের প্রথম নয় বছরে তাঁর লেখা থেকে আয় হয়েছিল মাত্র ৩০০ টাকা। কিন্তু তাঁর বিশ্বাসই তাঁকে এগিয়ে নিয়ে গেছে। লেখক হিসেবেই পরবর্তীতে উপার্জন করেছেন প্রচুর টাকা।উদ্দীপকের জর্জ বার্নার্ড শ-এর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের সাথে 'আমার পথ' রচনার প্রাবন্ধিকের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের সাদৃশ্য বিচার করো।
- 'আমার পথ' প্রবন্ধের মূল বক্তব্য হলো-
- ‘আগুনের সম্মার্জনা’ বলতে কাজী নজরুল ইসলাম কী বুঝিয়েছেন?
- 'আমার কর্ণধার আমি' বলতে প্রাবন্ধিক কী বুঝিয়েছেন?
- ‘আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে’-কোন লেখকের রচনার অংশ?
- আমি জীবনে অনেক আত্মপ্রবঞ্চনা করে করে অন্তরে অশেষ যন্ত্রণা ভোগ করেছি। কত রাত্রি অনুশোচনায় ঘুম হয় নাই। এখন ভুল বুঝতে পেরেছি। এখন সোজা এই বুঝেছি যে, আমি যা ভালো বুঝি, যা সত্য বুঝি, শুধু সেটুকু প্রকাশ করব, বলে বেড়াব। তাতে লোকে যতই নিন্দা করুক, আমি আমার কাছে ছোট হয়ে থাকব না, আত্মপ্রবঞ্চনা করে আর আত্মনির্যাতন ভোগ করব না।উদ্দীপকের ভাবার্থের সাথে 'আমার পথ' প্রবন্ধে লেখকের মনের যে সাদৃশ্যপূর্ণ ভাবের পরিচয় পাওয়া যায় তা আলোচনা করো।
- সজল জীবনে অনেক আত্মপ্রবঞ্চনা করে করে অশেষ যন্ত্রণা ভোগ করেছে। কত রাত্রি অনুশোচনায় তার ঘুম হয়নি। এখন তার আত্মোপলব্ধি হয়েছে। সে ভাবে আমি যা ভালো বুঝি, যা সত্য বুঝি, শুধু সেটুকু প্রকাশ করব। তাতে লোকে যতই নিন্দা করুক, আমি আমার কাছে ছোটো হয়ে থাকব না, আত্মপ্রবঞ্চনা করে আর আত্মযন্ত্রণা ভোগ করব না।উদ্দীপকটি 'আমার পথ' প্রবন্ধের সঙ্গে কোন দিক দিয়ে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- 'আমার পথ' প্রবন্ধ অনুযায়ী আত্মাকে চিনলেই কী আসে?