'লালসালু' উপন্যাসে মোনাজাতের ভঙ্গিতে দাঁড়ানো মজিদকে পাথরের মূর্তির মতো মনে হওয়ার কারণ-
A.
নিরাক পড়া ধানখেত
B.
নিরাক পড়া আকাশ
C.
নিশ্বাসরুদ্ধ মুহূর্ত
D.
নিশ্বাসরুদ্ধ সময়
সঠিক উত্তরঃ
B.
নিরাক পড়া আকাশ
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'যেন বিশাল সূর্যোদয় হয়েছে, আর সে আলোয় প্রদীপের আলো নিশ্চিত হয়ে গেছে।'- 'ব্যাখ্যা করো।
- জনাব নুরুল ইসলাম একজন শিল্পপতি। দীর্ঘকাল পর তিনি নিজ গ্রামে এসে দেখেন, এখানকার মানুষ এখনও দুঃখদুর্দশা আর অভাব-অনটনে জর্জরিত। তাই তিনি মনিস্থর করেন যে, গ্রামে একটি ফ্যাক্টরি স্থাপন করবেন। এতে মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে। কিন্তু গ্রামের চেয়ারম্যান তাতে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। কারণ, বেকার লোকেরা কর্মজীবী হয়ে গেলে তাদেরকে আর মিটিং-মিছিলে ব্যবহার করা যাবে না।'উদ্দেশ্যগত মিলই উদ্দীপকের চেয়ারম্যান ও উপন্যাসের মজিদ চরিত্র দুটোকে পরস্পরের প্রতিনিধি করে তুলেছে' মন্তব্যটির যথার্থতা প্রমাণ করো।
- 'বিশ্বাসের পাথরে যেন খোদাই সে চোখ'— উক্তিটিরতাৎপর্য হলো—নির্দ্বিধায় বিশ্বাস করাবিশেষ ক্ষমতার অধিকারী মনে করাঅন্ধভাবে বিশ্বাস করানিচের কোনটি সঠিক?
- আরিফার বাবা মারা যাওয়ার পরে মায়ের স্নেহে চরম দারিদ্র্য সে লালিত-পালিত হয়। মা নিতান্তই বাধ্য হয়ে মধ্য বয়সি একজন লোকের সাথে আরিফার বিয়ে দেয়। স্বামীর বাড়িতে আরিফা গিয়ে দেখে তার স্বামী মহশিনের আরেকজন স্ত্রী ও দুই সন্তান আছে। আরিফাকে কেন্দ্র করে সংসারে নতুন অশান্তি তৈরি হয়। বড়ো বউ কথায় কথায় আরিফার গায়ে হাত তোলে এবং সংসারের যাবতীয় কাজ তাকে দ্বারা করিয়ে নেয়। উপরন্তু বড়ো বউ আরিফার বিষয়ে স্বামীর কান ভারী করে। ফলে তার উপরে নেমে আসে অমানসিক নির্যাতন। আবার আরিফার স্বামী মহশিন চোরা কারবারির সাথে যুক্ত আছে, যে বিষয়টি আরিফা পুলিশকে জানিয়ে দেয়।"উদ্দীপকে বর্ণিত আরিফা এবং 'লালসালু' উপন্যাসে বর্ণিত জমিলার জীবনচিত্র যেন একই সুতোয় গাঁথা।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- 'আজ সেখানে নির্ভেজাল নিষ্ঠুর হিংস্রতা'- এর অর্থ বুঝিয়ে দাও।
- মোহনপুরের যখন নিপাহ ভাইরাস দেখা দিল, তখন গ্রামবাসী। আতঙ্কে বাড়িঘর ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় খুঁজছিল। এমন সময় তোতা কবিরাজ গ্রামটিকে রক্ষা করার জন্য সচেষ্ট হন। তিনি চিনি পড়া, পানি পড়া দিয়ে চিকিৎসা দেন এবং অনেক টাকাপয়সা হাতিয়ে নেন। কিছুদিন পর নিপাহ ভাইরাস বিদায় নেয়। অবশ্য ইতিমধ্যে অনেক মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হয়। তবুও গ্রামের মানুষ তোতা কবিরাজের অলৌকিক ক্ষমতায় মুগ্ধ হয়ে তাকে অর্থ-সম্পদ উপহার দেয় এবং ভয়ও করে।মোহনপুর গ্রামের মানুষগুলো যেন 'লালসালু' উপন্যাসে বর্ণিত মহব্বত নগর গ্রামের মানুষেরই প্রতিচ্ছবি- মন্তব্যটি যাচাই করো।
- ধূর্ত কবিরাজ রাজীব সাধারণ মানুষের অশিক্ষা ও ধর্মান্ধতাকে কাজে লাগিয়ে সেখানে শুরু করে পানিপড়া দেওয়া এবং কবিরাজি চিকিৎসা। সে লোকজনকে ঠকিয়ে প্রচুর অর্থ উপার্জন করে। তার স্ত্রী সহজ-সরল শিলা স্বামীর প্রতি বিশ্বাস, আস্থা ও নির্ভরতায় অন্ধ।উদ্দীপকের শিলা 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- শত্রুর আভাস পাওয়া হরিণের চোখের মতোই কে সতর্ক হয়ে ওঠে?
- ধূর্ত মোদাচ্ছের গ্রামের সাধারণ মানুষেদের অশিক্ষা ও ধর্মভীতিকে কাজে লাগিয়ে তাদেরকে নিয়ন্ত্রণ করে। সে তাদের কাছে পানিপড়া ও তাবিজ-কবজ বিক্রি করে অর্থ উপার্জন করে। তার স্ত্রী আকলিমা সহজ সরল প্রকৃতির। স্বামীর প্রতি অগাধ বিশ্বাস, আস্থা ও নির্ভরতায় সে অন্ধ।উভয়েই অর্থোপার্জনের কৌশল হলো-প্রভাব বিস্তারপ্রতারণা মিথ্যাচারনিচের কোনটি সঠিক?
- মজিদের ভাষ্যে সে কোন অঞ্চল থেকে মহব্বতনগর গ্রামে গিয়েছিল?
- খেয়াঘাটের ইজারাদারদের প্রবল ষড়যন্ত্রের মুখে গ্রামেপ্রভাবশালীদের পরামর্শে নদীতে সাঁকো তৈরির উদ্যোগথামিয়ে দিতে বাধ্য হয় নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান সৌরভ!উদ্দীপকের চেয়ারম্যান সৌরভ এবং 'লালসালু'উপন্যাসের আক্কাস চরিত্রটি কীসের প্রেক্ষাপটে তুলনীয়?
- "তাই তারা ছোটে, ছোটে"- কেন? ব্যাখ্যা করো।
- “ধান দিয়া কী হইব মানুষের জান যদি না থাকে"-উক্তিটিতে কী মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে?
- বাড়িতে দুই বউ থাকার পরও বজলু চৌকিদার গত মাসে প্রথম স্ত্রীর অর্ধেক বয়সী আরেকটি মেয়েকে বিয়ে করে ঘরে এনেছে। এ অল্প বয়স্কা বউকে বজলু কারো সামনে আসতে দেয় না। এর অন্যথা হলে বউকে কড়া শাসন করে। একদিন পাশের বাড়ির ছেলের সাথে কথা বলার অপরাধে ছোট বউকে শীতের রাতে ঘরের বাইরে বেঁধে রাখে। এ ঘটনায় প্রথম বউ খুব কষ্ট পায়। সারা রাত সে ঘুমায় না, আবার কম বয়সী মেয়েটাকে ঘরে ডেকে নেবে এমন সাহসও পায় না।উদ্দীপকের বজলু চৌকিদারের মানসিকতা 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে? তোমার মতামত আলোচনা করো।
- 'শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি,' কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- 'লালসালু' উপন্যাসের ইংরেজি অনুবাদ যে নামে প্রকাশিত হয় তা হলো-
- "ব্যাপারটা ঘোড়া ডিঙিয়ে ঘাস খাওয়ার মতো।"-উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- মজিদ কোন ঋতুতে মহব্বতনগর গ্রামে প্রবেশ করল?
- ডোমপাড়া থেকে কীসের শব্দ ভেসে আসে?
- হাসুনির মাকে তার বাপ পিটিয়েছিল কেন?
- "গ্রামের মানুষ যেন রহিমারই অন্য সংস্করণ"- ব্যাখ্যা কর।
- হোসেন মিয়া এক রহস্যময় চরিত্র। প্রথম জীবনে চাল-চুলোহীন অবস্থায় কেতুপুর গ্রামের জহর মাঝির বাড়িতে আশ্রয় নিলেও পরবর্তীকালে তিনি এ-এলাকার বিশেষ একজন হয়ে ওঠেন। সকলকেই তিনি মিয়া বলে সম্বোধন করেন, কথা বলেন হাসি মুখে, এগিয়ে আসেন, সবার বিপদে আপদে। কিন্তু মনে তার অন্য চিন্তা। সবার অজান্তে অবৈধ ব্যবসা করে তিনি গড়ে তুলেছেন বিশাল প্রতিপত্তি।উদ্দীপকের হোসেন মিয়া ও 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের মধ্যে সাদৃশ্য 'ব্যাখ্যা কর।
- 'লালসালু' উপন্যাসের মূল উপজীব্য হলো-ধর্ম পিরবাদ অস্তিত্ববাদ নিচের কোনটি সঠিক?
- কীসের পাশে মজিদের জীবন পদে পদে এগিয়ে চলল?
- মোড়লদিয়ার মাদক ব্যবসায়ী তাকত আলী গঞ্জের কুখ্যাত মাফিয়া। মাদকাসক্ত করে গঞ্জের যুব সমাজকে সে বশীভূত করে রেখেছে। ইদানীং আরব আলী নামে আরেক ব্যবসায়ী গঞ্জে মাদক ব্যাবসা শুরু করলে ব্যাবসায় মন্দার ভয়ে তাকত আলী ক্ষুব্ধ ও চিন্তিত হয়ে ওঠে। তাই নিজের রাজত্বকে নিষ্কণ্টক করতে এক রাতের আঁধারে তার সাঙ্গোপাঙ্গকে দিয়ে সশস্ত্র হামলা চালায় আরব আলীর ওপর। উৎখাত করে আরব আলীকে।'প্রতিহিংসাপরায়ণতা, মানবচরিত্রের একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য।'- উক্তিটি 'লালসালু' উপন্যাস ও উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।