কাজী নজরুল ইসলাম কতসালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে সৈনিক হিসেবে যোগ দেন?
A. ১৯১৪
B. ১৯১৫
C. ১৯১৬
D. ১৯১৭
সঠিক উত্তরঃ
D.
১৯১৭
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- ভারতবাসীকে নিজের উপর অটুট বিশ্বাস রাখতে শিখিয়েছিলেন কে?
- 'সওগাদ' অর্থ কী?
- শিক্ষার লক্ষ্য হচ্ছে জ্ঞানচর্চা ও মনুষ্যত্বের বিকাশ সাধন। কিন্তু বর্তমানে শিক্ষার লক্ষ্যে পৌছানোর জন্য শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার আগ্রহ কম। আত্মনির্ভরশীল হওয়ার জন্য তারা নিজেদের যোগ্য করে গড়ে তোলে না। তাই আত্ম প্রতিষ্ঠার জন্য তাদের খুঁটির জোরের আশ্রয় নিতে হয়। ফলে জ্ঞানার্জনের আনন্দ থেকে তারা দূরে সরে পড়ে। এভাবে তারা নিজেদের ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলে। পরিণতিতে তাদের মধ্যে জন্ম নেয় হতাশা ও পরনির্ভরশীলতা।উদ্দীপকের সঙ্গে 'আমার পথ' প্রবন্ধের মিলসমূহ চিহ্নিত কর।
- কোনটি কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস নয়?
- শ্রমিক নেতা রহমান সাহেব একজন প্রতিবাদী ব্যক্তি। শ্রমিকদের স্বার্থ আদায়ে তিনি বলিষ্ঠ কন্ঠস্বর। সত্য কথা বলতে তিনি কখনো পিছপা হন না। তার এই স্পষ্টবাদিতার কারণে মালিকপক্ষের কাছে তিনি চক্ষুশূল। জীবনে নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি সত্যপথ থেকে বিচ্যুত হননি। তাই শ্রমিক সমাজের মাঝে তিনি বেশ আস্থাভাজন মানুষ হিসেবে পরিচিত।
- নিজেকে জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সক্রেটিস বলেছেন, 'নিজেকে জানো।' এ কথা সকলেই জানে যে, আত্মোপলব্ধির মধ্য দিয়ে নির্মিত হয় ব্যক্তিত্ববোধ। আর প্রবল ইচ্ছাশক্তিই পরাধীনতার জাল থেকে বের করে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সাহায্য করে। সুতরাং, ইচ্ছাশক্তি ও সত্য পথকে ধারণ করে স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে হবে। উদ্দীপকের সাথে 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন দিকটি সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- নিজের সত্যকেই নিজের কর্ণধার মনে জানলে নিজের শক্তির ওপর কী আসে?
- কোনটি কাজী নজরুল ইসলামের রচনা নয়?
- সোনার চামচ মুখে দিয়ে জন্মায় আর কটি লোক। শতকরা প্রায় নিরানব্বই জন মানুষকেই চেষ্টা করতে হয়, জয় করে নিতে হয় জগৎকে। বাঁচে সে লড়াই করে প্রতিকূলতার সঙ্গে। পলাতকের স্থান এই জগতের নেই। চেষ্টা ছাড়া আত্মপ্রতিষ্ঠা অসম্ভব। সুখ চেষ্টারই ফল-দেবতার দান নয়। কথায় আছে, ঈশ্বর তাকেই সাহায্য করেন যে নিজেকে সাহায্য করে। নির্ভীক সত্য সাধক, দৃঢ় আত্মবিশ্বাসী এবং পরমতসহিষ্ণু ব্যক্তিমাত্রই চেষ্টার মাধ্যমে তৈরি করে নিতে পারে নিজের পথ।উদ্দীপকে 'আমার পথ' প্রবন্ধের যে বিষয়টি ফুটে উঠেছে তা ব্যাখ্যা করো।
- কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম উপন্যাস গল্প-
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে লেখকের কর্ণধার কে?
- 'আমার কর্ণধার আমি' বলতে প্রাবন্ধিক কী বুঝিয়েছেন?
- 'অভিশাপ-রথের সারথি' কথাটি দ্বারা কী রোঝানো হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- 'বিষের বাঁশি' উপন্যাসটি লিখেছেন কে?
- এলাকার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা রক্ষার দায়িত্ব নবনির্বাচিতকমিশনার কাইউম সাহেবের ওপর ন্যস্ত করে সবাই যখননিশ্চিত তখন কাইউম সাহেব এলাকাবাসীর উদ্দেশ্যেবললেন, 'আপনাদেরও এ ক্ষেত্রে সজাগ থাকতে হবে।'উদ্দীপকের কাইউম সাহেবের উক্তিতে 'আমার পথ'প্রবন্ধের কোন দিকটি প্রতিফলিত হয??েছে?
- কাজী নজরুল ইসলাম কত বছর বয়সে দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হন?
- আমরা দশ-পনের টাকার বিনিময়ে মনুষ্যত্ব, স্বাধীনতা অনায়াসেপ্রভুর পায়ে বিকাইয়া দিব তবু ব্যবসা-বাণিজ্যে হাত দিব না,নিজ পায়ে দাঁড়াতেই চেষ্টা করিব না। এই জঘন্য দাসত্বইআমাদিগকে এমন ছোট হীন করিয়া তুলিতেছে। উদ্দীপকের নিজ পায়ে দাঁড়ানোর জন্য 'আমার পথ'-এ কোন দিকটিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে?
- দেশের যা-কিছু মিথ্যা, ভণ্ডামি, মেকি তা সব দূর করতে কীসের প্রয়োজন?
- কাজী নজরুল ইসলাম কোন গ্রন্থটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করেন?
- 'মানুষ-ধর্মই সবচেয়ে বড় ধর্ম'- বুঝিয়ে লেখো।
- স্বপ্নচূড়া গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড এর চেয়ারম্যান মি. রহমান রাশভারি মানুষ। কর্মচারীরা আনুগত্যের ভাব প্রকাশে তাঁর সব কথাতেই হ্যাঁ স্যার, জি স্যার করেন। কেবল মতিন সাহেব তা করেন না। যেটি ঠিক সেখানে হ্যাঁ, যেটি ঠিক নয় সেখানে না বলেন। সহকমিরা মতিন সাহেবকে গোঁয়ার ও বেয়াদব ভাবেন। চেয়ারম্যান সাহেবও মাঝে মধ্যে মতিন সাহেবের গোঁয়ারতুমিতে বিরক্ত হন। হঠাৎ কোষাধ্যক্ষের মৃত্যুতে পদটি শূন্য হলে লোভনীয় এ পদে পদায়ন পেতে সহকর্মীরা চেয়ারম্যানকে তোয়াজ করতে থাকে। অবশেষে চেয়ারম্যান যেদিন উক্ত পদের নিয়োগপত্র ইস্যু করেন তা দেখে সবার চোখ ছানাবড়া। কারণ সেই পদের নিয়োগপত্র পান মতিন সাহেব।উদ্দীপকে 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- কাজী নজরুল ইসলামের রচনা নয় কোনটি?
- স্বপ্নচূড়া গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড এর চেয়ারম্যান মি. রহমান রাশভারি মানুষ। কর্মচারীরা আনুগত্যের ভাব প্রকাশে তাঁর সব কথাতেই হ্যাঁ স্যার, জি স্যার করেন। কেবল মতিন সাহেব তা করেন না। যেটি ঠিক সেখানে হ্যাঁ, যেটি ঠিক নয় সেখানে না বলেন। সহকমিরা মতিন সাহেবকে গোঁয়ার ও বেয়াদব ভাবেন। চেয়ারম্যান সাহেবও মাঝে মধ্যে মতিন সাহেবের গোঁয়ারতুমিতে বিরক্ত হন। হঠাৎ কোষাধ্যক্ষের মৃত্যুতে পদটি শূন্য হলে লোভনীয় এ পদে পদায়ন পেতে সহকর্মীরা চেয়ারম্যানকে তোয়াজ করতে থাকে। অবশেষে চেয়ারম্যান যেদিন উক্ত পদের নিয়োগপত্র ইস্যু করেন তা দেখে সবার চোখ ছানাবড়া। কারণ সেই পদের নিয়োগপত্র পান মতিন সাহেব।'মতিন সাহেবের আমিত্ব তাঁকে উক্ত পদের সম্মানে ভূষিত করে'- উদ্দীপক ও প্রবন্ধের আলোকে আমিত্বের স্বরূপ বিশ্লেষণ করো
- ‘গৃহদাহ’ উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্রের নাম কী?
- কাজী নজরুল ইসলামের মতে কে মিথ্যাকে ভয় করে?