তাহের আর কাদের মজিদকে প্রথম কোথায় দেখেছিল?
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- অতি সন্তর্পণে ধানের ফাঁকে ফাঁকে তারা নৌকাচালায় কেন?
- খোরশেদ আলী একজন পল্লি চিকিৎসক। বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে গ্রামের লোকজন তার কাছে আসে। তিনিও নিষ্ঠার সাথে রোগীদের চিকিৎসা করেন। কিন্তু জটিল রোগে আক্রান্ত কোনো রোগী এলে তিনি কালক্ষেপণ না করে দ্রুত সদর হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন। কারণ তার কাছে মানুষের চেয়ে ব্যক্তিস্বার্থ বড়ো নয়।উদ্দীপকটি 'লালসালু' উপন্যাসের ভাব ধারণ করেছে কি না? উত্তরের পক্ষে যুক্তি দাও।
- গৌরিপুর গ্রামের সুশিক্ষিত ছেলে আরিফ হোসেন। এলাকার উন্নয়ন, বিশেষ করে নিরক্ষর মানুষদের সাক্ষর করে তোলার লক্ষ্যে সে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখে। কিন্তু এ মহৎ কাজে সে তীব্র বাধার সম্মুখীন হয়। নিজের প্রভাব ও প্রতিপত্তি বজায় রাখার জন্য মাতব্বর আনসার আলী ও তার লোকেরা আরিফকে অপমানিত করে গ্রাম ছাড়া করে।উদ্দীপকের আরিফ 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে? আলোচনা করো।
- খুলনা জেলার চুকনগরে রুথিত পির বাবার নাম আঃ লতিফ। চুকনগর হাইস্কুল রোডের একটি ঘরে তার আস্তানা। প্রতিদিন শত শত ভক্ত ও রোগী পানি, তেল, কলার মোচা পড়াসহ নানা তদবির নিতে আসে পির বাবার সান্নিধ্যে। তার আস্তানায় গিয়ে দেখা যায় টেবিলের উপর পানি, তেল ও দুধের বোতল, কলার মোচা, মাটি মাদুনিসহ নানা তদবিরের সামগ্রী। আর বাইরে অসংখ্যা মহিলাদের লাইন। সবার হাতে পানি ও তেলের বোতল। একেক জনকে একেকভাবে চিকিৎসা করছেন তিনি। তার আস্তানায় ৪টি সাইনবোর্ড আছে। যার একটিতে লেখা শিক্ষাগত যোগ্যতা, একটিতে রোগের চিকিৎসা ফি। সাপে কাটা ফি ৫০০ টাকা, কুকুরে কামড়ানো ফি ২৫০ টাকা, বিড়ালে কামড়ানো ফি ১৫০ টাকা, অর্শরোগী ২০০ টাকা, জিনে ধরা ফি ৩০০ টাকা, প্রয়োজনে বারণ ফি ১০০ টাকা, বাড়ি বন্ধ করা ফি ৩০০ টাকা। বহু রোগী তাদের রোগ নিরাময়ের জন্য হুজুরের দরবারে আসে। আশপাশের অনেকেই যুজুরের পানি পড়াতে সুস্থ হয়ে গেছে এই গুজব শুনে এসেছে তারা।উদ্দীপকের চুকনগরের সমাজবাস্তবতার সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগরের সমাজবাস্তবতার সাদৃশ্য দেখাও।
- 'হাজার বছর ধরে' উপন্যাসের টুনি বুড়ো মকবুলের তৃতীয় পক্ষ। গায়ের রং কলো। দোহারা গড়ন। আয়তচোখের এই মেয়েটির বয়স তেরো-চৌদ্দর মাঝামাঝি। কিশোরীর চঞ্চলতা এখনো তার মধ্যে বিরাজমান। তাই ঘর সংসার কাকে বলে সে বুঝে ওঠেনি। সমবয়সি কারোর সঙ্গে দেখা হলে সে গল্পে মেতে ওঠে। কখনো হাসতে হাসতে মেঝেতে গড়াগড়ি খায়। কখনো অন্ধকার রাতে পরের পুকুরে মাছ ধরার জন্য জাল ফেলে। কখনো শীতের হাড়কাঁপুনি রাতে টুনি অন্যের খেজুর গাছে শিরনি বাঁধার জন্য হাঁড়ি নিয়ে গাছে ওঠে। 'জামিলা আর টুনি যেন একই বৃত্তে দুটি ফুল।'- উক্তিটির আলোকে 'লালসালু' উপন্যাসের জমিলা চরিত্র আলোচনা করো।
- ধলা মিয়া কেমন ধরনের মানুষ ছিল?
- 'এখন সে ঝড়ের মুখে উড়ে চলা পাতা নয়। সচ্ছলতার শিকড়গাড়া বৃক্ষ।'- ব্যাখ্যা করো।
- মধ্যযুগে বাংলার মুসলিম নারীসমাজ অনেকটাই পিছিয়ে ছিল। শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ তো তারা পেতই না বরং চার দেয়ালের মাঝে বন্দি জীবন কাটাতে হতো। ধর্মের নামে অধর্মের বেসাতি চালানো হতো তাদের ওপর। পুরুষতান্ত্রিক সমাজে সর্বদাই নারীরা ছিল অবহেলার - পাত্র। নিতান্তই হুকুম পালন ও ঘরকন্না ছাড়া তাদের আর কোনো অধিকার ছিল না।'লালসালু' উপন্যাসের রহিমা উদ্দীপকে উল্লিখিত মুসলিম নারী সমাজেরই প্রতিনিধিত্ব করে।"- কথাটি ব্যাখ্যা করো।
- জমিলা মজিদের মুখে থুথু দিয়েছিল কেন?
- মুরাদপুর একটি অবহেলিত গ্রাম। গ্রামটি যোগাযোগব্যবস্থায় যেমন পিছিয়ে তার চেয়ে বেশি শিক্ষায়। নারী শিক্ষায় পিছিয়ে থাকায় গ্রামে বাল্যবিবাহ নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার। গ্রামের ছেলে মনির হোসেন এমএসসি পাশ করে সরকারি চাকরির সুযোগ পেয়ে গ্রহণ করেননি। তিনি গ্রামে প্রতিষ্ঠা করেন একটি বালিকা বিদ্যালয়। এছাড়া সেলাই ও কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করে মেয়েদের কর্মমুখী শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করেন।"উদ্দীপকের মনির কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌছাতে পারলেও 'লালসালু' উপন্যাসের আক্কাস সফল হয়নি।" আলোচনা করো।
- আক্কাসের বাবার নাম কী?
- লালসালু' উপন্যাসের ইংরেজি অনুবাদের নাম কী?
- কত বছর বয়সে আমেনা বিবির বিয়ে হয়েছিল?
- 'লালসালু' উপন্যাস কত সালে প্রকাশিত হয়?
- গ্রামের মানুষ মজিদকে ভয় পায় কেন?
- 'লালসালু' উপন্যাসের ইউনিয়ন বোর্ডের প্রেসিডেন্টের নাম কী?
- 'লালসালু' উপন্যাসে কার সাদা সুন্দর পা দেখে মজিদের মনের সাপ জেগেছিল?
- ইচ্ছা পূরণের জন্য মানুষ অনেক কিছুই করে। যেমনটি করেছিলেন সকিনা বেগম। বিশ বছরের বিবাহিত জীবনে যখন তিনি কোনো সন্তানের মা হতে পারেননি, তখন একদিন স্বামীর কাছে তার ইচ্ছার কথা বলেন- তিনি একটি সন্তান দত্তক নিতে চান। তাঁর স্বামী আফাজ আলী স্ত্রী হিসেবে তাঁকে যথেষ্ট সম্মান করেন। সন্তান লাভের আশায় আফাজ আলী তাঁর স্ত্রীর প্রস্তাবে রাজি হন এবং একটি অনাথ শিশুকে দত্তক নেন। এভাবে তিনি স্ত্রীর ইচ্ছা পূরণ করে তাঁর মর্যাদা দান করেন।উদ্দীপকে সকিনা বেগমের ভাবনার সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের রহিমার ভাবনায় সাদৃশ্য - বৈসাদৃশ্য আলোচনা করো।
- খোকনের দুই বউয়ের মধ্যে ছোট বেনু। সংসার কী তাসে বোঝে না। সুযোগ পেলে সমবয়সি বান্ধবীদের সাথেগল্প করে। হেসে-খেলে দিন কাটে তার।বেনুর সাথে চরিত্রটির সাদৃশ্য পাওয়া যায়— বয়সেমানসিকতায়বাল্যবিবাহেনিচের কোনটি সঠিক?
- বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ শেষে মামুন চাকরির চিন্তা বাদ রেখে এক মহৎ স্বপ্নের তাড়নায় গ্রামে ফিরে আসে। অনেক চেষ্টা ও শ্রমের ফলে সে গ্রামে সরকার অনুমোদিত একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়। গ্রামের চেয়ারম্যান ও বায়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিদের সহায়তায় এগিয়ে চলে মামুনের স্বপ্নের বিদ্যালয়টি। মামুন এখন গ্রামের মানুষের কাছে এক অনুকরণীয় সম্মানিত ব্যক্তি।"উদ্দীপকের মামুন চরিত্রটি 'লালসালু' উপন্যাসের অপূর্ণ একটি সম্ভাবনার ??াস্তব প্রতিফলন।"- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- 'মজিদের মন ক-দিন ধরে চিন্তায় ঘোরপাকখায়'।— কারণ কী?
- ‘বিশ্বাসের পাথরে যেন খোদাই সে চোখ।’ লালসালু উপন্যাসে গ্রামবাসী সম্পর্কে লেখকের এই মন্তব্যের তাৎপর্য-
- 'শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি'- উক্তিটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- ‘অন্তরের শক্তিতে মজিদ ব্যাপারটি জানতে পেরেছেসে কথা সে বিশ্বাস করে না।'— 'লালসালু' উপন্যাসে,সে কথা বিশ্বাস করে না কে?
- উদয়পুর গ্রামের মোড়ল সাহেবের ভৃত্য গফুর মিয়ার সন্তান সাফল্যের সঙ্গে পিএসসি পাশ করে। দূরবর্তী গ্রামে সন্তানকে পাঠিয়ে হাই স্কুলে পড়ানোর সামর্থ্য নেই বিধায় গফুর মোড়লের আর্থিক সাহায্য ও পরামর্শ চায়। কিন্তু মোড়ল তার সন্তানকে লেখাপড়ায় নিরুৎসাহিত করে এবং বলে গরিবের লেখাপড়া করে কী হবে? বরং আর্থিক সচ্ছলতার জন্য গফুরের সন্তানকে ঋণের মাধ্যমে অটোরিকশা কিনে দেওয়ার পরামর্শ দেয়। ভৃত্য গফুর মোড়লের এই পরামর্শ মেনে নিতে বাধ্য হয়। ফলে সন্তানের লেখাপড়ার ইতি ঘটে।উদ্দীপকে 'মোড়লের অটোরিকশা কিনে দেওয়ার পরামর্শ' এবং 'লালসালু' উপন্যাসের 'মজিদের মসজিদ নির্মাণের প্রস্তাব'-এর সাদৃশ্য তুলে ধরো।