যৌবনের গান রচনাট প্রকৃতপক্ষে -
A. প্রতিবেদন
B. সম্পাদকীয়
C. অভিভাষণ
D. প্রতিভাষণ
সঠিক উত্তরঃ
C.
অভিভাষণ
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- ‘লোক থেকে লোকান্তরে আমি যেনো স্তব্ধ হয়েশুনি'— কবি কী শুনতে পান ?
- 'মুগ্ধ মরণ বাঁকে বাঁকে'- বুঝিয়ে লেখো।
- ‘জীবন-বন্দনা' কবিতাটি কোন্ কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত?
- সক্রেটিস ছিলেন বিশ্বখ্যাত দার্শনিক। তাঁর প্রচারিত'নিজেকে জানো' বক্তব্যটি সারা বিশ্বে আলোড়ন তুলেছে।তাঁর আপন সত্তাকে চেনার দর্শন আজও অমলিন।. উদ্দীপকের 'নিজেকে জানো' বক্তব্যটির সঙ্গে‘সাম্যবাদী' কবিতার সাদৃশ্যপূর্ণ দিক কোনটি?
- নিচের কোনটি ভ্রমণসাহিত্য বিষয়ক গ্রন্থ নয়?
- ’সাম্যবাদী’ কবিতাটি যে ছন্দে লেখা-
- নীরব ভাষার বৃক্ষ আমাদের কী শেখায়?
- '... অনাহারে মরিয়া যাইবার জন্য এ পৃথিবীতে কেহ আইসে নাই'- উক্তিটি কার?
- উত্তম পুরুষ' উপন্যাসের রচয়িতা কে?
- 'একটি তুলসী গাছের কাহিনী' গল্পের মূল বিষয়বস্তু-
- 'কবর' কবিতার উল্লেখিত দাদির মৃত্যু সংঘটিত হয়েছে-
- বিড়ালের সুবিচারিক কথা শুনে কমলাকান্তের কেমন বাণী মনে পড়ল?
- একটি তুলসী গাছের কাহিনী' গল্পে পুলিশ সাব-ইন্সপেক্টরের দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে আত্মীয়তার কথা বলেছিল -
- ‘নীল দর্পণ’ নাটকটির বিষয়বস্তু কি?
- 'তেলা মাথায় তেল দেওয়া মনুষ্য জাতির রোগ'- ব্যাখ্যা করো।
- 'লোক-লোকান্তর' কবিতায় আহত কবির গান পূর্ণতালাভ করে কীভাবে?
- মাভৈঃ! মাভৈঃ এতদিনে বুঝি জাগিল ভারতপ্রাণ,সজীব হইয়া উঠিয়াছে আজ শ্মশান-গোরস্থান।ছিল যারা চির মরণ আহত,উঠিয়াছে জাগি ব্যথা জাগ্রত,'খালেদ' আবার ধরিয়াছে অসি, 'অর্জুন' ছোঁড়ে বাণ। জেগেছে ভারত ধরিয়াছে লাঠি হিন্দু-মুসলমান।………………………………………………………………………………………………প্রভাতে হবে না ভায়ে ভায়ে রণ, চিনিবে শত্রু, চিনিবে স্বজন।উদ্দীপকের খালেদ ও অর্জুনের বর্ণনা পাঠ্যপুস্তকের 'সাম্যবাদী' কবিতার কোন কোন প্রসঙ্গের কথা মনে করিয়ে দেয়? কেন?
- 'যে আছে মাটির কাছাকাছি,সে কবির বাণী লাগি কান পেতে আছে।'- কবিরবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন কবির বাণীর জন্য কানপেতে আছেন?
- জাদুঘরে সংরক্ষিত বস্তুর সাধারণ লক্ষণ হচ্ছে- যা চমকপ্রদযা লুপ্তপ্রায়যা বিস্ময় উদ্রেগকারীনিচের কোনটি সঠিক?
- কোনটি শওকত ওসমান রচিত?
- ভারতীয় সংবিধান থেকে ৩৭০ ধারা বিলুপ্তির অর্থ-
- বারুণী কে?
- 'যৌবনের গান' হল লেখকের............প্রদত্ত ভাষণ-
- লর্ড কারমাইকেল আবিষ্কৃত রুমালের জন্মস্থান কোথায়?
- নদী কভু পান নাহি, করে নিজ জল,তরুগণ নাহি খায়, নিজ নিজ ফল।গাভী কভু নাহি করে নিজ দুগ্ধ পানকাষ্ঠ দগ্ধ হয়ে করে, পরে অন্নদান।স্বর্ণ করে নিজ রূপে, অপরে শোভিতবংশী করে নিজ স্বরে অপরে মোহিত।শস্য জন্মইয়া নাহি খায় জলধরেসাধুর ঐশ্বর্য্য শুধু পরহিত তরে।"উদ্দীপকের বক্তব্য 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের সামগ্রিক ভাবের সংক্ষিপ্ত সার।"- এ মন্তব্যের যথার্থ মূল্যায়ন করো।