ইয়ংবেঙ্গল গোষ্ঠীভুক্ত ছিলেন কে?
A. অক্ষয়কুমার দত্ত
B. এন্টনি ফিরঙ্গি
C. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
D. কালীপ্রসন্ন সিংহ ঠাকুর
সঠিক উত্তরঃ
C.
মাইকেল মধুসূদন দত্ত
Explanation: হিন্দু কলেজের তরুণ শিক্ষক ডিরোজিওর (১৮০৯-১৮৩১) শিষ্যরাই মূলত ইয়ংবেঙ্গল নামে পরিচিত। ইয়ংবেঙ্গল হিসেবে যে নামগুলো পাওয়া যায় তা হলো- দক্ষিণারঞ্জন মুখোপাধ্যায়, রামতনু লাহিড়ী, প্যারীচাঁদ মিত্র, রাধানাথ শিকদার, রামগোপাল ঘোষ, হরচন্দ্র ঘোষ, শিবচন্দ্র দেব, তারাচাঁদ চক্রবর্তী, কৃষ্ণমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়, মহেশচন্দ্র ঘোষ, রসিককৃষ্ণ মল্লিক, গঙ্গাচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়, মাধবচন্দ্র মল্লিক, গোবিন্দ্রচন্দ্র বসাক, অমৃতলাল মিত্র প্রমুখ। আর মধুসূদন দত্ত ছিলেন ইয়ংবেঙ্গল গোষ্ঠীভুক্ত একজন।
Related Questions (Any University/Year)
- বিশ্বাষঘতকতা ও দেশদ্রোহিতার বিরুদ্ধে ঘৃনা প্রকাশিত হয়েছে কোন কবিতায়?
- রাবণি বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?
- 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতায় 'নিজ কর্ম-দোষে, হায়, মজাইলা/ এ কনক-লঙ্কা রাজা'উদ্ধৃতিতে 'নিজ কৰ্ম-দোষ' কোন প্রসঙ্গে ব্যবহৃত?
- আরিফ ও সোহেলের জন্ম ও বেড়ে ওঠা মাহমুদপুর গ্রামে। পার্শ্ববর্তী কাশিপুর গ্রামের মানুষের সাথে মাহমুদপুরবাসীদের দ্বন্দ্ব চিরকালের। কাশিপুরের এক মেয়ের সঙ্গে সোহেলের হৃদয় দেওয়া-নেওয়া। ধান কাটাকে কেন্দ্র করে উভয় গ্রামবাসীর মধ্যে মারামারি লাগার উপক্রম। হলে আরিফ গ্রামের সকলকে ডেকে আনা, লাঠিসোঁটা জোগাড় করা, জীবনের তোয়াক্কা না করে গ্রামের ইজ্জত রক্ষায় যখন কাশিপুরবাসীদের প্রতিহত করার পরিকল্পনা করে তখন শুধুই প্রেমের টানে পরিবার, সমাজ ও এলাকার স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে সোহেল কাশিপুরবাসীদের কাছে মাহমুদপুর গ্রামের সকল প্রস্তুতি ও কৌশলের কথা ফাঁস করে দেয়।উদ্দীপকে বর্ণিত সোহেলের সঙ্গে 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার কোন চরিত্রের মিল পাওয়া যায়? কীভাবে?
- ‘বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কাব্যাংশটি 'মেঘনাদবধ কাব্যে'র কোন সর্গের?
- ‘হায় তাত! উচিত কী তব এ কাজ?' - মেঘনাদের এইউক্তির মধ্য দিয়ে বিভীষণের কোন কাজটি পছন্দহয়নি?
- বিভীষনের প্রতি মেঘনাথ' বাক্যাংশটি কোন ছন্দে রচিত?
- 'নির্গুণ স্বজন শ্রেয়ঃ' 'স্বজন' বলতে 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ'কবিতায় বোঝানো হয়েছে-
- 'চন্ডালে বসাও আনি ___ আলয়ে' শূন্যস্থানে কোন শব্দ বসবে?
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত প্রবর্তিত ‘অমিত্রাক্ষর ছন্দ’ প্রকৃত পক্ষে বাংলা কোন ছন্দের নব-রুপায়ন?
- মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘বীরাঙ্গনা কাব্য’ কোন ধরনের কাব্য?
- সাদ্দাম হোসেন ইরাকের লৌহমানব ছিলেন। ইরাককে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে প্রাণপণ চেষ্টা করেছেন। তিনি ন্যাটো বাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধ করতে দ্বিধা করেননি। যদিও যুদ্ধে হেরেছেন। তারপরও সামনের দিকে এগিয়ে গেছেন। তাঁর যুদ্ধ নিয়ে মতভেদ থাকলেও তিনি পৃথিবীর মানুষকে দেখিয়ে দিয়ে গিয়েছেন মাতৃভূমি রক্ষার জন্য শত্রুর সঙ্গে কোনো আপোস নয়।'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার সাথে উদ্দীপকের কোন দিক্ সাদৃশ্য রয়েছে তা আলোচনা কর।
- নিচের কোনটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের কাব্যগ্রন্থ নয়?
- কোন কবি গান রচনা করেননি?
- "স্বধর্ম যদি গুণহীনও হয়তবু তা উত্তমরূপে অনুষ্ঠিত পরধর্মের চেয়ে শ্রেয়;স্বধর্মে নিধনও ভালো, কিন্তু পরধর্ম ভয়াবহ।""উদ্দীপকের মূলভাব 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার মূলভাব একসূত্রে গাঁথা।" উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন কর।
- মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচনা নয় কোনটি?
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত পত্রকাব্য কোনটি?
- 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতায় 'তস্কর' বলাহয়েছে—
- একসময় ঈশা খাঁর ??ঙ্গে মানসিংহের যুদ্ধ হয়। রণনিপুণ ঈশা খাঁর তরবারির আঘাতে মানসিংহের তরবারি দ্বিখণ্ডিত হয়ে যায়। মানসিংহ অসহায় হয়ে পড়েন। ঈশা খাঁ চাইলে এই অবস্থায় মানসিংহকে হত্যা করতে পারতেন। কিন্তু, বীরযোদ্ধা ঈশা খাঁ তা না করে নিজের কোষ থেকে একখানি ভালো, তলোয়ার বের করে মানসিংহকে উপহার দিয়ে পুনরায় যুদ্ধে আহবান জানালেন। মানসিংহ ঈশা খাঁর এই মহানুভবতা, ঔদার্য ও বীরধর্মের আদর্শ দেখে মুগ্ধ হলেন এবং যুদ্ধের পরিবর্তে সন্ধি স্থাপনে এগিয়ে এলেন।উদ্দীপকের ঈশা খাঁ ও 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার লক্ষ্মণের আদর্শগত বৈসাদৃশ্য নির্ণয় করো।
- "নির্গুণ স্বজন শ্রেয়ঃ, পরঃ পরঃ সদা!" উক্তিটি কার?
- বাংলা অক্ষরবৃত্তের ছন্দের নতুন রূপ কোনটি?
- ‘বিষাদ-সিন্ধু’ কোন ধরণের রচনা?
- ‘নিকষা' কে?
- গুণবান পরজন অপেক্ষা নির্গুণ স্বজন শ্রেয় কেন?
- সনেটের প্রবর্তক কে?