‘ফুল কি ফোটেনি শাখে?' – কবি সুফিয়া কামাল এ
রকম প্রশ্ন করেছেন কেন?
A.
মনের আনন্দে
B.
বন্দনাগীতি রচনার লক্ষ্যে
C.
উদাসীনতার জন্য
D.
জানার আগ্রহে
সঠিক উত্তরঃ
C.
উদাসীনতার জন্য
Explanation:
প্রকৃতিতে শীত পেরিয়ে বসন্ত এলেও উদাসীন কবির। জুড়ে রিত্ব শীতের করুণ বিদায়ের বেদনা। উদাসীনতার জন্য কবি খেয়াল করেননি গাছে গাছে ফুল ফুটেছে কি না।
Related Questions (Any University/Year)
- সাঁঝের মায়া' কার লেখা?
- নিচের কোন বইটি সুফিয়া কামাল রচিত?
- বর্ষায় বাংলার প্রকৃতি যেন ভিন্ন এক রূপের পসরা সাজায়। বিলের বুকে কলমিলতা, শাপলার অনাবিল সৌন্দর্য, পানকৌড়ির লুকোচুরি- কার না ভালো লাগে। কিন্তু শিল্পী নাজমা বিলের ধারে বেড়াতে এসেও যেন কেন আনমনা হয়ে আছেন। এমনি এক বর্ষায় নৌকাডুবিতে চিরতরে হারিয়ে যায় তার স্নেহের দুটি ভাই-বোন। শাপলা-শালুকভরা শাশ্বত বাংলার বর্ষা প্রকৃতি দেখেও আজ তাই কণ্ঠশিল্পী নাজমার কণ্ঠে ধ্বনিত হয় না কোনো গান। তার হৃদয় জুড়ে শুধুই বিষণ্ণতা।"তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার সাথে উদ্দীপকটির বিষয়গত প্রচুর বৈসাদৃশ্য রয়েছে"- বিশ্লেষণ কর।
- পুনর্মিলন অনুষ্ঠানের প্রস্তাবনা, পরিকল্পনা, প্রযোজনা ও কর্মপন্থা নির্ধারণে পাঁচ মাস ধরে নিরলসভাবে কাজ করে আয়োজন প্রায় সম্পন্ন করে রেখেছে রতন। বন্ধুদের মিলনমেলা আয়োজন তার জন্য যেমন কষ্টসাধ্য কাজ ছিল, তেমনি এতে স্বপ্নপূরণের আনন্দও ছিল অফুরান। অনুষ্ঠান নিয়ে কোনো ভাবনা, উত্তেজনা বা উচ্ছ্বাস নেই আজ তার মনে। কারণ, অনুষ্ঠানের আগেই তার মা পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন। মা যেন দূর আকাশে মুখ রেখে বাতাসে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।"প্রিয়জনের বিয়োগব্যথা আমাদের আনন্দ-আয়োজনের গতি ভিন্ন পথে ধাবিত করতে পারে।"- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতা ও উদ্দীপকের আলোকে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- 'কহিল সে কাছে সরে আসি'- পঙক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- জাতীয় দলের খেলোয়াড় মুন্না তিন বছরের শিশুপুত্রকেহারিয়ে শোকে মোহ্যমান। না ফেরার দেশে চলে যাওয়াপুত্রের শোক সামলাতে না পেরে সে খেলাধুলা ছেড়েদিয়েছে। তাইতো সে দেশের মাটিতে অনুষ্ঠিত এশিয়ানগেমসে ফুটবল খেলায় অংশতো নেয়ই নি, এমনকি খেলাদেখতেও যায় নি।উদ্দীপকে ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় যুগপৎভাবে ফুটে উঠেছে—নির্লিপ্ততাস্মৃতিকাতরতা প্রিয়জন হারানোর বেদনানিচের কোনটি সঠিক?
- 'ডেকেছে কি সে আমারে? শুনি নাই রাখিনি সন্ধান।'এখানে 'সে' কে?
- বাঙালি নারীর আত্মজাগরণে যে নারীর অবদান বেশি, তিনি হলেন রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন। বিবাহের পর উদার মানসিকতার অধিকারী স্বামী সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেনের, পরম মমতায়। ও সহযোগিতায় এবং নিজের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় তিনি স্বশিক্ষিত হয়ে ওঠেন। আত্মশুদ্ধি ও নিজের জানার জগৎকে পরিশুদ্ধ করার মধ্য দিয়ে, তিনি সাহিত্যচর্চায় আত্মনিয়োগ করেন। তাঁর সাহিত্য সাধনায় বাঙালি মুসলিম নারী সমাজই মুখ্য হয়ে ওঠেন। সাহিত্য সাধনায় যখন তিনি নিয়োজিত তখন হঠাৎ করে • তাঁর প্রাণপ্রিয় স্বামী পরপারে যাত্রা করেন। এতে তিনি মর্মাহত হন। বিষাদপূর্ণ অন্তরে আপন কর্ম সম্পাদনের জন্য কলকাতায় সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গালর্স স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। ফলে আজ বাঙালি নারী সমাজ মুক্ত-স্বাধীনভাবে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে সমাজে নিজেকে সুপ্রতিষ্ঠিত করছেন।উদ্দীপকের বিষয়বস্তুর সাথে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার বিষয়বস্তুর সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য আলোচনা করো।
- কবি সুফিয়া কামাল কত সালে মৃত্যুবরণ করেন?
- কোন কবিতায় কবির ব্যক্তি জীবনের দুঃখময় ঘটনার ছায়াপাত ঘটেছে?
- "বহুদিন পরে মনে পড়ে আজি পল্লিমায়ের কোল,ঝাউশাখে সেথা বনলতা বাঁধি, হরষে খেয়েছি দোল,কুলের কাঁটার আঘাত সহিয়া কাঁচাপাকা কুল খেয়ে,অমৃতের স্বাদ যেন লভিয়াছি গাঁয়ের দুলালি মেয়ে।উদ্দীপকের ভাববস্তুর সাথে 'তাহারেই পড়ে মনে' 'কবিতার ভাববস্তুর বৈসাদৃশ্য আলোচনা করো।
- 'আমি এখন রিক্ত শূন্য/মন পড়ে রয়েছে তার জন্য।' উদ্দীপকের সাথে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতারকোন ভাবের মিল পাওয়া যায়?রিক্ততার হাহাকার দুঃসহ বিষণ্ণতাউদাসীনতানিচের কোনটি সঠিক?
- 'অলখ' শব্দটি 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় ব্যবহৃত হীরকঅলক্ষদৃষ্টির অগোচরেসীমার বাইরেনিচের কোনটি সঠিক?
- 'তাহারেই মনে পড়ে' কবিতায় কবিকে আচ্ছন্ন করে-
- প্রকৃতি ও মানব মনের সম্পর্ক ফুটে উঠেছে কোন কবিতায়?
- 'যদিও এসেছে তবু তুমি তারে করিলে বৃথাই'।- কীভাবে?
- কলেজ থেকে শিক্ষা সফরের উদ্দেশ্যে কক্সবাজার গেল গালিবসহ তার বন্ধুরা। সাগরের পানিতে নেমেছে সবাই, খুবখুব হৈচৈ আর লাফালাফি করে গোসল করছে তারা। হিমছড়ি পাহাড়ে উঠে আনন্দে আত্মহারা সবাই। কিন্তু গালিব এক কোণে বসে আছে, তার মনে কোনো-আনন্দ নেই, কারণ পাঁচ বছর আগে সে তার বাবার সাথে এখানে এসেছিল, অনেক আনন্দ করেছিল সবাই মিলে। এখন তার বাবা নেই, কিন্তু বাবার রেখে যাওয়া সেই স্মৃতি তাকে এতটাই আচ্ছন্ন করে রেখেছে যে সমস্ত আনন্দই তার কাছে ম্লান হয়ে আসে।"প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও গালিব ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবি উভয়ের অন্তরে রয়েছে তীব্র বেদনা।"-মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো
- 'কুহেলি উত্তরীতলে মাঘের সন্ন্যাসী' বলতে কী বোঝানো হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটির স্তবকসংখ্যা -
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কোন ছন্দে রচিত?
- রত্না এবং রতনের দাম্পত্য জীবন বেশ সুখে-শান্তিতেই কাটছিল। কিন্তু বিনা মেঘে বজ্রপাতের ন্যায় মরণব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করল রতন। কালের বিবর্তনে জীবন নামের একজন ভালো মানুষের সাথে রত্নার পুনরায় বিয়ে হলেও প্রথম স্বামীর সস্মৃতি একমুহূর্তের জন্যও ভুলতে পারেনি সে। কেননা, প্রথম স্বামী ছিল তার সকল কাজের সহযোগী ও প্রেরণাদাতা। প্রতি বসন্তে রত্না তাই প্রথম স্বামীর কথা বিশেষভাবে স্মরণ করে নীরবে কাঁদে। কারণ, তার ভালোবাসার মানুষটি বসন্তকালের পূর্বলতোই তাকে ছেড়ে চির বিদায় নিয়েছে।' উদ্দীপকে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার বিষয়বস্তু ভিন্ন আঙ্গিকে উপস্থাপিত হয়েছে।' বুঝিয়ে লেখো।
- সাধারণত ঈদের দিন প্রচণ্ড আনন্দে মেতে ওঠেনীলিমা। সালামি নেওয়া, ঘোরাঘুরি করা এসব নিয়েইদিন কাটে তার। কিন্তু আজ মাকে মনে পড়ায় সেসবের কোনোটিই করতে ইচ্ছা হলো না তার ।নীলিমার কষ্টটুকু ‘তাহারে পড়ে মনে' কবিতায়কীভাবে প্রকাশিত হয়েছে?
- “কুহেলি উত্তরী তলে -- সন্ন্যাসী", শূন্যস্থানে কোন শব্দ বসবে?
- 'কুহেলী' উত্তরীতলে মাঘের সন্ন্যাসী'- পঙক্তির তাৎপর্য আলোচনা কর।
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি নাটকীয় গুণসম্পন্ন।"- ব্যাখ্যা কর।