মেঘনা নদী দেবো পাড়ি কল-অলা এক নায়ে। আবার আমি যাবো আমার পাড়াতলী গাঁয়ে- উপরোক্ত পঙক্তিটি কোন কবির রচনা?
A. সুফিয়া কামাল
B. জসীমউদ্দীন
C. আহসান হাবীব
D. শামসুর রহমান
সঠিক উত্তরঃ
D.
শামসুর রহমান
Explanation: প্রিয় স্বাধীনতা
শামসুর রাহমান
মেঘনা নদী দেব পাড়িকল - অলা এক নায়ে। আবার আমি যাব আমারপাড়াতলী গাঁয়ে।
গাছ - ঘেরা ঐ পুকুরপাড়েবসব বিকাল বেলা। দু - চোখ ভরে দেখব কতআলো - ছায়ার খেলা।
বাঁশবাগানে আধখানা চাঁদথাকবে ঝুলে একা। ঝোপে ঝাড়ে বাতির মতোজোনাক যাবে দেখা।
ধানের গন্ধ আনবে ডেকেআমার ছেলেবেলা। বসবে আবার দুচোখে জুড়েপ্রজাপতির মেলা।
হঠাৎ আমি চমকে উঠিহলদে পাখির ডাকে। ইচ্ছে করে ছুটে বেড়াইমেঘনা নদীর বাঁকে।
শত যুগের ঘন আঁধারগাঁয়ে আজো আছে। সেই আঁধারে মানুষগুলোলড়াই করে বাঁচে।
মনে আমার ঝলসে ওঠেএকাত্তরের কথা, পাখির ডানায় লিখেছিলাম - প্রিয় স্বাধীনতা।
Related Questions (Any University/Year)
- 'রক্তদানের পুণ্যে'র কথা উল্লেখ রয়েছে কোন কবিতায় -
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় ভাষাশহিদ সালামের নামকতবার উল্লেখ করা হয়েছে?
- স্মৃতির শহর' কার রচনা?
- এ রঙের বিপরীত আছে অন্য রং'- চরণটিতে 'অন্য রং' দ্বারা বোঝানো হয়েছে-
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় কোন ফুলের উল্লেখ রয়েছে?
- ঘাতকের থাবার সম্মুখে বুক পাতে কে?
- "দুঃখিনী মাতার অশ্রুজলে ফোটে ফুল"- বলতে কী বুঝানো হয়েছে?
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় কোন ফুলের উল্লেখআছে?
- 'এ রস্তের বিপরীত আছে অন্য রং'- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- ‘একুশের কৃষ্ণচূড়া আমাদের চেতনারই রং।' এইচরণটির আগের চরণ হল-
- পরিচয়ে আমি বাঙালি, আমার আছে ইতিহাস গর্বের-কখনোই ভয় করিনিকো আমি উদ্যত কোন খড়গের!শত্রুর সাথে লড়াই করেছি, স্বপ্নের সাথে বাস;অস্ত্রেও শান দিয়েছি যেমন শস্য করেছি চাষ;একই হাসি মুখে বাজিয়েছি বাঁশি গলায় পরেছি ফাঁসআপস করিনি কখনোই আমি- এই হলো ইতিহাস।"উদ্দীপক এবং 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতা বাঙালির স্বতঃস্ফূর্ত সংগ্রামী চেতনার এক অসাধারণ শিল্পভাষ্য"- বিশ্লেষণ করো।
- ‘দুঃসময়ের মুখোমুখি’ গ্রন্থের রচয়িতা কে?
- অপমানে তুমি জ্বলে উঠেছিলে সেদিন বর্ণমালা সেই থেকে শুরু দিন বদলের পালা।উদ্দীপকে 'দিন বদলের পালা' 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার যে বিষয়কে নির্দেশ করেছে-
- ফেব্রুয়ারি একুশ তারিখ দুপুর বেলার অন্তবৃষ্টি নামে, বৃষ্টি কোথায় বরকতেরই রক্ত।হাজার যুগের সূর্যতাপে জ্বলবে এমন লাল যে,সেই লোহিতেই লাল হয়েছে কৃষ্ণচূড়ার ডাল যে।প্রভাতফেরির মিছিল যাবে ছড়াও ফুলের বন্যা,বিষাদ গীতি গাইছে পথে তিতুমীরের কন্যা।"উদ্দীপকটি 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার সমগ্র চেতনাকে ধারণ করেনি।"- বিশ্লেষণ করো।
- কোন ভাষা শহীদের হাত থেকে 'নক্ষত্রের মতো ঝরে অবিরত অবিনাশী বর্ণমালা'?
- ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯" কবিতায় সালামের হাত থেকে কি ঝড়ে?
- "অন্তহীন মিছিলের দেশ,সারি সারি মানুষের আকারে হলে মূর্তিময়ীসমস্ত স্বদেশ আজ রাঙা রাজপথে।দিবালোক হয়ে ফোটে প্রাঞ্জল বিপ্লবসাত কোটি মুখ হাসে মৃত্যুর রঙিন তীর হাতে নিয়ে।শ্রেণিবদ্ধ এই ভিড়ে সকলেই সবার আগেএকবার শত্রুকে শেষ দেখা দেখে নিতে চায়।"উদ্দীপকটি 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার যে দিকটিকে আলোকপাত করে তা তুলে ধর।
- ক-অংশযুবকের বুকে নিয়ে বুলেটের অংশপড়িল মাটির 'পরেফোঁটায় ফোঁটায় লহুধারারাজপথে বিছাইল রক্ত জবা ফুল।শেষ নিশ্বাসের আগে তারাগেয়ে গেল রাষ্ট্র ভাষা বাংলা চাই।খ-অংশতোমাদের রক্তঝণ, অম্লান আহুতিবেঁকে যাওয়া আমাদের মেরুদণ্ড টান টান সোজা করে উদ্যত দাঁড়াতে।দরকারি ক্রোধ, প্রেম প্রকাশ, শক্তি দেয়।বায়ান্নর শহিদরাই উনসত্তরের অভ্যুত্থানের চেতনাকে জাগিয়ে তুলেছিল' উদ্দীপকের 'খ' অংশ ও 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার আলোকে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- 'নক্ষত্রের মতো ঝরে অবিনাশী বর্ণমালা' বলতে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?
- কবি শামসুর রহমান 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় সালামের চোখে কী দেখেছেন?
- প্রেরণাদায়ী চরণটি হলো-
- ঊনসত্তরের গণ অভ্যুত্থানে কোন চেতনা কাজ করেছে?
- ব্রিটিশ শাসনামলে ইংরেজরা এদেশের চাষিদের দিয়ে জোর করে নীল চাষ করাত। চাষিদেরকে নামেমাত্র দাদন দিয়ে নীল চাষ করানো হতো। নীল চাষে বাধ্য হওয়ায় চাষিরা তাদের প্রয়োজনীয় শস্য যেমন- ধান, পাট, সরিষা ইত্যাদি উৎপাদন করতে পারতেন না। নীল চাষ করতে অপারগ হলে চাষিদের ওপর নেমে আসত নির্মম অত্যাচার। এ কারণে গড়ে ওঠে নীল বিদ্রোহ। নদীয়ার বিষ্ণুচরণ ও পাবনার কাদের মোল্লার মতো অসংখ্য মানুষ কৃষক আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। ধীরে ধীরে এ আন্দোলন সারা বাংলায় ছড়িয়ে পড়ে।উদ্দীপকে বিষ্ণু ও কাদের মোল্লা 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার কাদের কথা স্মরণ করিয়ে দেন? এ সাদৃশ্যের কারণ ব্যাখ্যা করো।
- কোন কবির কবিতায় নগরজীবনের চেতনা অধিক স্থান পেয়েছে?
- ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' শীর্ষক কবিতার পটভূমি কী ?