জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত আত্মজীবনী প্রথম প্রকাশিত হয় কত সালে?
A. ২০১১
B. ২০১২
C. ২০১৩
D. ২০১৪
সঠিক উত্তরঃ
B.
২০১২
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'স্বাধীনতার মহানায়ক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখমুজিবুর রহমানকে এদেশের কিছু বিপথগামী সেনা সদস্য,নির্মমভাবে হত্যা করে।'উদ্দীপকের জাতির পিতার সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা'নাটকের সিরাজ চরিত্রের সাদৃশ্যপূর্ণ বৈশিষ্ট্য—দেশপ্রেমউদারতাবিশ্বাসঘাতকতানিচের কোনটি সঠিক?
- দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবাদী বৈষম্য যখন চরম আকার ধারণ করে, দেশটির কালো মানুষগুলোর অধিকার যখন ক্ষুণ্ণ হতে থাকে শ্বেতাঙ্গদের দ্বারা, ঠিক তখনই নেলসন ম্যান্ডেলা রুখে দাঁড়ান। বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের তিনি ছিলেন প্রাণপুরুষ। শাসকদের দ্বারা তিনি বিভিন্নভাবে নির্যাতিত হয়েছেন। জীবনে বেশির ভাগ সময় তাঁকে কাটাতে হয়েছে কারাগারে। কিন্তু তিনি আন্দোলন করা থেকে পিছপা হননি। সংগ্রামের মাধ্যমেই তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন কালো মানুষের অধিকার।"উদ্দীপকের অধিকার আদায় আর 'বায়ান্নর দিনগুলো" রচনায় অধিকার আদায় একই বিন্দুতে গাঁথা।"- এ যুক্তিসহ নিজের মতামত বিশ্লেষণ করো।
- যার যাবে প্রাণ তাহেপ্রাণের চেয়েও মান বড়, আমি শুনাব শাহানশাহে।উদ্দীপকে ‘বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার যে ভাব প্রকাশিতহয়েছে— আত্মম্ভরিতা আত্মমর্যাদানিৰ্ভীকতানিচের কোনটি সঠিক?
- ভাষা সৈনিকদের শহীদ হওয়ার খবর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কিভাবে পেয়েছিলেন?
- শেখ মুজিবুর রহমানের 'কারাগারের রোজনামচা' গ্রন্থটির নাম দেন কে?
- মার্টিন লুথার কিং আমেরিকার নাগরিক অধিকার আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ওয়াশিংটনের লিংকন মেমোরিয়ালে আড়াই লক্ষ জনতার সামনে এক অসাধারণ বক্তব্য রেখেছিলেন তিনি। বর্ণবাদ বিরোধী এ নেতা আমেরিকায় কৃষ্ণাঙ্গ জনগণের অধিকার আদায়ে সোচ্চার হয়ে তৎকালীন সরকারের দমন- পীড়নের শিকার হন। তিনি বৈষমহীন সমাজ প্রত্যাশা করে বিশবারেরও বেশি কারারুদ্ধ হন। তবুও তিনি তাঁর লক্ষ্যে অটল ও অবিচল ছিলেন। শেষে ঘাতকের হাতে মৃত্যু প্রায় নিশ্চিত জেনেও তিনি আদর্শচ্যুত হননি।
- "বেশি জোরে চালাবেন না, কারণ বাবার কালের জীবনটা যেন রাস্তায় না যায়।"- আলোচনা করো।
- কত তারিখে ফরিদপুরে শোভাযাত্রা হয়েছিল?
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বর্ণনা অনুযায়ীকার সহ্যশক্তি বেশি ছিল?
- একুশে ফেব্রুয়ারী ১৯৫২ সালে বঙ্গবন্ধু কোন কারাগারে ছিলেন?
- ‘জনাব নুরুল আমিন বুঝতে পারলেন না ______ তাঁকে কোথায় নিয়ে গেল ।’ শূণ্যস্থানে কি ছিলো?
- পঁচিশে মার্চের সেই কালরাত্রি। তীব্র একাত্তরদানবীয় হত্যা ও লুণ্ঠন অগ্নি হিংসার তাণ্ডবহানাদার হায়েনার পৈশাচিক উল্লাসসেই নগ্ন কালরাত্রে অতর্কিত বন্য হামলায়উজাড় নিঃশেষ আর দগ্ধতার ধু ধু শূন্য ভগ্নস্তূপঝরেছিল প্রাণ অগণন, সাঁদামাটি বাংলার প্রান্তরে…………….…………….…………….…………….অধিকৃত দেশ-মাটি-মানুষের মুক্তির সংগ্রামেবাঙালি ঝাঁপিয়ে পড়ে, নাই কোনো ক্ষমা নাইযেকোনো ত্যাগের মূল্যে নিরঙ্কুশ স্বাধীনতা চাইমুক্তিযুদ্ধ দিয়েছে মূল্যে লাল পতাকার অগ্নি অহংকারমুক্তিযুদ্ধ চিরকালই চলমান, কোনো অন্ত বিরতিও নাই।উদ্দীপকের ঘটনা 'রেইনকোট' গল্পের সাথে কতটুকু সাদৃশ্যপূর্ণ?
- মাতৃভাষার জন্য যারা জীবন দেয়তারা কেমন মানুষআজ আমার ভীষণ জানতে ইচ্ছে করে।আমার বুকের মধ্যেসেই বাংলাদেশের জন্যএকটুখানি বাঙালি হয়ে ওঠার জন্যএকটা ভয়ংকর যন্ত্রণা টনটন করে ওঠে।উদ্দীপকের সঙ্গে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার সাদৃশ্যের অংশটুকু তুলে ধরো।
- ঢাকায় ছাত্রদের ওপর পুলিশের গুলিবর্ষণের প্রতিবাদে অর্ধমাইল দীর্ঘ শোভাযাত্রা বাহির হয়। শোভাযাত্রীগণ 'নূরুল আমিনের রক্ত চাই,' 'নাজিমুদ্দিন গদি ছাড়' প্রভৃতি ধ্বনি করিতে থাকে। শোভাযাত্রীগণ লালদীঘি ময়দানে জমায়েত হইয়া সভা করে।"বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় বক্তার বিড়ম্বিত পারিবারিক জীবনের নানা তথ্য রয়েছে যা উদ্দীপকে নেই।"- যুক্তি দিয়ে বিচার করো।
- 'আমলাতন্ত্র তাকে কোথায় নিয়ে গেল।'- 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় এ উক্তিতে কার কথা বলা হয়েছে?
- বন্ধু, তোমার ছাড় উদ্বেগ, সুতীক্ষ্ণ কর চিত্তবাংলার মাটি দুর্জয় ঘাঁটি বুঝে নিক দুর্বৃত্ত।মূঢ় শত্রুকে হানো স্রোত রুখে, তন্দ্রাকে কর ছিন্ন,একাগ্র দেশে শত্রুরা এসে হয়ে যাক নিশ্চিহ্ন।ঘরে তোল ধান বিপ্লবী প্রাণ প্রস্তুত রাখো কাস্তে,গাও সারি গান, হাতিয়ারে শান দাও আজ উদয়াস্তে।উদ্দীপকটিতে 'বায়ান্নর দিনগুলো'র চেতনা সার্থকভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। মন্তব্যটি কি যথার্থ? বিশ্লেষণ কর।
- ‘শুক্রবার স্কুল ছুটি’ । এখানে ‘শুক্রবার’-
- ভরসা হলো, আর দমাতে পারবে না। বাংলা ভাষাকেরাষ্ট্রভাষা না করে উপায় নাই। এই আন্দোলনে দেশের লোকসাড়া দিয়েছে ও এগিয়ে এসেছে।... জনমত সৃষ্টি হয়েছে,জনমতের বিরুদ্ধে যেতে শোষকরাও ভয় পায়।উক্ত জনমত গঠনে ব্যর্থতার মূল কারণ কোনটি ছিল?
- 'গুরুজনে ভক্তি করো,' এখানে গুরুজনে কোন কারক?
- 'ভরসা হলো, আর দমাতে পারবে না।'- কেন?
- ৭ মার্চ, দিনটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে পরিচিতি লাভ করেছে এক রক্তস্নাত দিন হিসেবে। ১৯৬৫ সালের ৭ মার্চ ছিল রবিবার। বর্ণবাদের বিষবাষ্পে উত্তাল সারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এরই মধ্যে কৃষ্ণাঙ্গ নেতা মার্টিন লুথার কিং-এর অহিংস আন্দোলনে উদ্বুদ্ধ জনতা শান্তিপূর্ণ মিছিল নিয়ে সেলমা থেকে এগিয়ে চলেছে প্রাদেশিক রাজধানী মন্টোগোমারির দিকে। এমনই সময় প্রতিপক্ষ শ্বেতাঙ্গ আর পুলিশ বর্বরোচিত হামলা চালায় ওই মিছিলের উপর। রক্তে রঞ্জিত হয় রাজপথ। আর ৭ মার্চ ১৯৬৫ দিনটি পরিচিতি পায় 'ব্ল্যাডি সানডে' বা রক্তস্নাত রবিবার হিসেবে। তিনি শ্বেতাজাদের বৈষম্যমূলক আচরণ আর কৃষ্ণাজাদের উপর নির্যাতন ও বঞ্চনার কথা বলতেন। তিনি বলতেন 'আমি স্বপ্ন দেখি, একদিন এই জাতি' জাগ্রত হবে এবং মানুষের এই বিশ্বাসের মূল্যায়ন করবে, সকল মানুষ জন্মসূত্রে সমান।' উদ্দীপকের মাটিন লুথার কিং-এর সাথে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার কোন দিকটি সাদৃশ্যপূর্ণ তা আলোচনা করো।
- “বাংলাদেশ যে আপনার কাছে থেকে অনেক কিছুপ্রত্যাশা করে”— উক্তিটি দ্বারা 'বায়ান্নর দিনগুলো”রচনায় কী বোঝানো হয়েছে?
- জেলখানায় বঙ্গবন্ধুর অনশন ভাঙালেন কে?
- 'এসব হলো পাকিস্তানের ইনটার্নাল অ্যাফেয়ার।'- কে বলেছে?
- ফরিদপুর জেল থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কয়টি চিঠি লিখেছিলেন?