যার যাবে প্রাণ তাহে
প্রাণের চেয়েও মান বড়, আমি শুনাব শাহানশাহে।
উদ্দীপকে ‘বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার যে ভাব প্রকাশিত
হয়েছে—
- আত্মম্ভরিতা
- আত্মমর্যাদা
- নিৰ্ভীকতা
নিচের কোনটি সঠিক?
A.
i ও ii
B.
i ও iii
C.
ii ও iii
D.
i,ii ও iii
সঠিক উত্তরঃ
C.
ii ও iii
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- পাশ্চাত্য সভ্যতার ইতিহাসে মহান দার্শনিক সক্রেটিস এর নাম উজ্জ্বল ও ভাম্বর হয়ে আছে। তিনি এমন এক দার্শনিক আদর্শ ও মূল্যবোধের প্রবর্তক যা কিনা পাশ্চাত্য সভ্যতা, সংস্কৃতি ও দর্শনকে দুই হাজার বছরের বেশি সময় ধরে প্রভাবিত করেছে। তিনি বলতেন "আমি জ্ঞানী নই, জ্ঞানানুরাগী মাত্র। একটি জিনিসই আমি জানি; আর সেটি হলো এই যে, আমি কিছুই জানি না।" না।” শাসকদের শা কোপনলে পড়ে জেলবন্দি হন। পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকলেও যাননি। । এই মহান জ্ঞানীকে হেমলক পানে হত্যা করা হয়।উদ্দীপকের সক্রেটিসরে সঙ্গে শেখ মুজিবুর রহমানের সংগ্রামী চেতনা কতটুকু সংগতিপূর্ণ?
- মার্টিন লুথার কিং আমেরিকার নাগরিক অধিকার আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ওয়াশিংটনের লিংকন মেমোরিয়ালে আড়াই লক্ষ জনতার সামনে এক অসাধারণ বক্তব্য রেখেছিলেন তিনি। বর্ণবাদ বিরোধী এ নেতা আমেরিকায় কৃষ্ণাঙ্গ জনগণের অধিকার আদায়ে সোচ্চার হয়ে তৎকালীন সরকারের দমন- পীড়নের শিকার হন। তিনি বৈষমহীন সমাজ প্রত্যাশা করে বিশবারেরও বেশি কারারুদ্ধ হন। তবুও তিনি তাঁর লক্ষ্যে অটল ও অবিচল ছিলেন। শেষে ঘাতকের হাতে মৃত্যু প্রায় নিশ্চিত জেনেও তিনি আদর্শচ্যুত হননি।
- ফরিদপুরে কত তারিখে শোভাযাত্রা চলল?
- কৃষ্ণাঙ্গ নেতা নেলসন মেন্ডেলা জীবনের অধিকাংশ সময়ই কারাবন্দি ছিলেন। জেলখানায় বসেই তিনি বর্ণ-বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন এবং অনশনকরেছেন। বন্দি অবস্থাতেও তিনি বিভিন্ন গ্রন্থ প্রকাশের মাধ্যমে অধিকার আদায়ের জোর সংগ্রাম চালিয়ে গিয়েছেন।উদ্দীপকে 'বায়ান্নর দিনগুলো' প্রবন্ধের প্রতিফলিত দিকগুলো আলোচনা করো।
- 'অন্যায় ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে যদি মরতে পারি, সে মরাতেও শান্তি আছে'- এ মনোভাবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চরিত্রের যে দিকটি ফুটে উঠেছে তা হলো -প্রতিবাদী চেতনা দেশপ্রেম বিনয়ী মনোভাব নিচের কোনটি সঠিক?
- দক্ষিণ আফ্রিকার কৃষ্ণাঙ্গ নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা জীবনের অধিকাংশ সময়ই কারাবন্দি ছিলেন। বর্ণবাদের বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়ে দীর্ঘ সাতাশ বছর জেলখানায় কাটিয়েছেন। সীমাহীন নির্যাতন সহ্য করেও অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি। জেলখানায় বসেই তিনি। বর্ণ-বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন এবং অনশন করেছেন। বন্দি অবস্থাতেও তিনি রিভিন্ন গ্রন্থ প্রকাশের মাধ্যমে অধিকার আদায়ের জোর সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন। একসময় তার আদর্শের জয় হয়। অবসান ঘটে বর্ণবাদের, জয় হয় মানবতার।"নেলসন ম্যান্ডেলার আন্দোলন ছিল বর্ণবাদের বিরুদ্ধে আর 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় শেখ মুজিবুর রহমানের আন্দোলন ছিল জাতি-সত্তার পক্ষে"- উক্তিটি বিশ্লেষণ কর
- নেলসন ম্যান্ডেলা ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী বিপ্লবী নেতা। তিনি সে দেশের প্রথম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি এবং প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ রাষ্ট্রপ্রধান। তিনি ১৯৪৩ সালে আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসে যোগ দেন। পরে তিনি সশস্ত্র সংগঠনের নেতা হিসেবে বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংগ্রহণ করেন। ১৯৬২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার সরকার তাঁকে গ্রেফতার করেন এবং অন্তর্ঘাতসহ নানা অপরাধের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেন। নেলসন ম্যান্ডেলা ২৭ বছর কারাবাস করেন। তিনি সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে সারা জীবন লড়াই করেছেন।উদ্দীপকের নেলসন ম্যান্ডেলার সাথে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কী সাদৃশ্য পাওয়া যায়? যুক্তিসহ আলোচনা কর।
- "জনমতের বিরুদ্ধে যেতে শোষকরাও ভয় পায়" কোন রচনার অংশ?
- দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবাদী বৈষম্য যখন চরম আকার ধারণ করে, দেশটির কালো মানুষগুলোর অধিকার যখন ক্ষুণ্ণ হতে থাকে শ্বেতাঙ্গদের দ্বারা, ঠিক তখনই নেলসন ম্যান্ডেলা রুখে দাঁড়ান। বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের তিনি ছিলেন প্রাণপুরুষ। শাসকদের দ্বারা তিনি বিভিন্নভাবে নির্যাতিত হয়েছেন। জীবনে বেশির ভাগ সময় তাঁকে কাটাতে হয়েছে কারাগারে। কিন্তু তিনি আন্দোলন করা থেকে পিছপা হননি। সংগ্রামের মাধ্যমেই তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন কালো মানুষের অধিকার।"উদ্দীপকের অধিকার আদায় আর 'বায়ান্নর দিনগুলো" রচনায় অধিকার আদায় একই বিন্দুতে গাঁথা।"- এ যুক্তিসহ নিজের মতামত বিশ্লেষণ করো।
- জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কত সালে 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' রচনা করেন?
- নেলসন ম্যান্ডেল একজন দেশপ্রেমিক নেতা। দেশের জন্য, মানুষের মুক্তির জন্য তিনি আজীবন সংগ্রাম করেছেন। জীবনের দীর্ঘ সময়, জেল খেটেছেন। কিন্তু কখনো তিন্নি কারো কাছে মাথা নত করেননি। উদ্দীপকের নেলসন ম্যান্ডেলার সাথে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনাংশের কোন চরিত্রের মিল আছে?
- বঙ্গবন্ধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন বিভাগে অধ্যয়ন করেন?
- ‘মানুষের যখন পতন আসে তখন পদে পদে ভুল হতে থাকে'। বাণীটি কার?
- "অন্যায় ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে যদি মরতেপারি, সে মরাতেও শান্তি আছে। " "বায়ান্নর দিনগুলো'রচনার উক্তিটিতে শেখ মুজিবুর রহমানের যে মনোভাবপ্রকাশিত হয়েছে—দেশপ্রেমভাষাপ্রীতিআত্মসমর্পণনিচের কোনটি সঠিক?
- 'দৈনিক পাকিস্তান' পত্রিকাটি পরবর্তীকালে কী নামেপ্রকাশিত হয়?
- "তুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতাসখিনা বিবির কপাল ভাঙল সিঁথির সিঁদুর মুছে গেল হরিদাসীরশহরের বুকে জলপাই রঙের ট্যাঙ্ক এলোদানবের মতো চিৎকার করতে করতেছাত্রাবাস বস্তি উজাড় হলো। রিকায়েললেস রাইফেলআর মেশিনগান খই ফোটাল যত্রতত্রতুমি আসবে বলে ছাই হলো গ্রামের পর গ্রাম।"উদ্দীপক ও 'রেইনকোট' গল্প কোন বিশেষ সময়ের ভয়াবহতার দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ? আলোচনা করো।
- মুক্তির মন্দির সোপানতলেকত প্রাণ হলো বলিদান,লেখা আছে অশ্রুজলেকত বিপ্লবী বন্ধুর রক্তে রাঙা,বন্দিশালার ওই শিকল ভাঙাতাঁরা কি ফিরিবে আজ সুপ্রভাতে,যত তরুণ অরুণ গেছে অস্তাচলে।"উদ্দীপকের ভাবচেতনায় 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মত্যাগের ছবিই প্রমূর্ত হয়ে উঠেছে।"- বিশ্লেষণ করো।
- ভাষা সৈনিকদের শহীদ হওয়ার খবর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কিভাবে পেয়েছিলেন?
- স্বাধিকার আন্দোলনের সময় এদেশের মানুষ 'জয় বাংলা','বীরবাঙালি অস্ত্র ধরো, বাংলাদেশ স্বাধীন করো' স্লোগানেশহর-বন্দর-গ্রাম আন্দোলিত করে তোলে। উদ্দীপকে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার কোন চেতনাপ্রকাশ পেয়েছে?
- একবার মরে ভুলে গেছে আজমৃত্যুর ভয় তারা।শাবাশ, বাংলাদেশ, এ পৃথিবীঅবাক তাকিয়ে রয়;জ্বলে-পুড়ে-মরে ছারখারতবু মাথা নোয়াবার নয়।উদ্দীপকের শেষ চরণের বক্তব্য 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার যে বিশেষ দিকটিতে আলোকপাত করেছে তা আলোচনা করো।
- 'বাংলাদেশ যে আপনার কাছ থেকে অনেক কিছু আশা করে।'- 'বায়ান্নর দিনগুলো রচনায় এই 'অনেক কিছু' হলো-
- জাহাজ ঘাটে শেখ মুজিবুর রহমান সহকর্মীদেরকাছে কী চাইলেন?
- আমাদের ২১শে ফেব্রুয়ারি আজ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষাদিবস হিসেবে জাতিসংঘ কর্তৃক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত । ভাষাআন্দোলন আমাদের জাতিসত্তা ও ভাষাকে আন্তর্জাতিক,মর্যাদায় ভূষিত করেছে।ভাষা আন্দোলনে বাঙালির প্রেরণা ছিল- জাতীয়তাবাদআত্মমর্যাদাবোধআত্মবিশ্বাসনিচের কোনটি সঠিক?
- ‘বায়ান্নর দিনগুলো’ রচনাটি কোন গ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে?
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' গ্রন্থে কত সাল পর্যন্ত ঘটনাবলি স্থান পেয়েছে?