বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' গ্রন্থে কত সাল পর্যন্ত ঘটনাবলি স্থান পেয়েছে?
A.
১৯৫২
B.
১৯৫৫
C.
১৯৬৭
D.
১৯৬৮
সঠিক উত্তরঃ
B.
১৯৫৫
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- ‘মানুষের যখন পতন আসে তখন পদে পদে ভুল হতে থাকে'। বাক্যটি কোন রচনার অংশ?
- 'রেইনকোট' গল্পে সর্দার গোছের রাজাকার কে?
- "বায়ান্নর দিনগুলো' কোন জাতীয় রচনা?
- 'বাংলাদেশ যে আপনার কাছ থেকে অনেক কিছু আশা করে।'- 'বায়ান্নর দিনগুলো রচনায় এই 'অনেক কিছু' হলো-
- মানুষের যখন পতন আসে তখন পদে পদে ভুল হতে থাকে। কার উক্তি?
- ‘শুক্রবার স্কুল ছুটি’ । এখানে ‘শুক্রবার’-
- 'মানুষের যখন পতন আসে তখন পদে পদে ভুল হতে থাকে'- ব্যাখ্যা করো।
- চট্টগ্রামের জেলের ভিতর থেকেই সজল খবর পেলেন ঢাকার গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার জন্য আন্দোলন করতে গিয়ে কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছে। এদিকে চট্টগ্রাম শহরেও ছাত্রছাত্রীরা মিছিল করছে। 'গণতন্ত্র মুক্তি পাক' এবং স্বৈরাচারী সরকারের পতন এবার হবেই ভেবে সজল মনে মনে বলে, এ ভুলের কারণেই শাসকচক্র ক্ষমতাচ্যুত হবে।'মানুষের যখন পতন আসে তখন পদে পদে ভুল হতে থাকে।'- কথাটি উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- বিভক্তিহীন নাম শব্দকে কী বলে?
- "মাগো, ভাবনা কেন?আমরা তোমার শান্তিপ্রিয় শান্ত ছেলেতোমার তবু শত্রু এলে অস্ত্র হাতে লড়তে জানিভয় নেই মা আমরা প্রতিবাদ করতে জানি।"এভাবেই এই দেশকে ভালোবেসে এদেশের প্রতিবাদী মানুষ ব্যক্তিগত সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য বিসর্জন দিয়েছেন।উদ্দীপকের তাৎপর্য 'বায়ান্নর দিনগুলো'র চেতনার আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- ১৯৬১ সালে আলজেরিয়ায় যখন স্বাধীনতা সংগ্রামের ঢেউ তুঙ্গে, তখন রাজপথে • প্রতিবাদকারীদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল ফরাসি পুলিশ- চালিয়েছিল নির্মম গণহত্যা। প্রায়ই জঙ্গলে, নদীতে, খালেবিলে পাওয়া যেত প্রতিবাদকারীদের লাশ। পনেরো বছরের কিশোরী ফাতিমা বেদার ওই সংগ্রামে জীবন দিয়ে ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন। ফাতিমাকে হত্যা করায় আন্দোলন আরো তীব্র হয়। দলে দলে নারী ও শিশুরা জড়ো হয় প্রতিবাদ সমাবেশে। ফাতিমা বেদারদের রক্তের বিনিময়ে আলজেরিয়া ফ্রান্সের ঔপনিবেশিক শাসন থেকে মুক্ত হয়।"প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপক এবং 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় মূলত দখলদার শাসক শ্রেণির নির্মম দমন-নিপীড়নের ইতিহাসই বর্ণিত হয়েছে।" মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মজীবনীতে কোন সময় পর্যন্ত ঘটনাবলি স্থান পেয়েছে?
- কৃষ্ণাঙ্গ নেতা নেলসন মেন্ডেলা জীবনের অধিকাংশ সময়ই কারাবন্দি ছিলেন। জেলখানায় বসেই তিনি বর্ণ-বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন এবং অনশনকরেছেন। বন্দি অবস্থাতেও তিনি বিভিন্ন গ্রন্থ প্রকাশের মাধ্যমে অধিকার আদায়ের জোর সংগ্রাম চালিয়ে গিয়েছেন।উদ্দীপকে 'বায়ান্নর দিনগুলো' প্রবন্ধের প্রতিফলিত দিকগুলো আলোচনা করো।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ভাষাসৈনিকদের শহিদ হওয়ার খবর কিভাবে পেয়েছিলেন?
- পাশ্চাত্য সভ্যতার ইতিহাসে মহান দার্শনিক সক্রেটিস এর নাম উজ্জ্বল ও ভাম্বর হয়ে আছে। তিনি এমন এক দার্শনিক আদর্শ ও মূল্যবোধের প্রবর্তক যা কিনা পাশ্চাত্য সভ্যতা, সংস্কৃতি ও দর্শনকে দুই হাজার বছরের বেশি সময় ধরে প্রভাবিত করেছে। তিনি বলতেন "আমি জ্ঞানী নই, জ্ঞানানুরাগী মাত্র। একটি জিনিসই আমি জানি; আর সেটি হলো এই যে, আমি কিছুই জানি না।" না।” শাসকদের শা কোপনলে পড়ে জেলবন্দি হন। পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকলেও যাননি। । এই মহান জ্ঞানীকে হেমলক পানে হত্যা করা হয়।আদর্শগত বিবেচনায় সক্রেটিস ও শেখ মুজিবুর রহমানের ভিন্নতা থাকলেও দৃঢ়তা ও মনোবলে উভয়ের দারুন মিল। উদ্দীপক ও 'বায়ান্নর দিনগুলো' অবলম্বনে বিচার কর।
- 'আমি তোমাকে দেখবার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়েছিলাম'উক্তিটি কার?
- ‘বায়ান্নর দিনগুলো' শীর্ষক প্রবন্ধে শেখ মুজিবুর রহমানকে বাড়ি নেওয়ার জন্য জেলগেটে কে এসেছিলেন?
- ‘স্বর্ণময় পত্র' কোন ধরনের বিশেষণ?
- 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় 'মানুষের যখন পতনআসে তখন পদে পদে ভুল হতে থাকে।'— উক্তিটিরদ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- ১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল জালিয়ানওয়ালাবাগের বন্ধ উদ্যানে জেনারেল ডায়ারের নির্দেশে নিরস্ত্র জনতার ওপর নির্বিচার গুলি চালিয়েছিল ব্রিটিশ পুলিশ। ব্রিটিশ শাসকশ্রেণি ও তার দেশি- বিদেশি দোসরদের এ-জাতীয় অত্যাচার-নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল পরাধীন ভারতবর্ষের সাধারণ জনগণ। নির্যাতিত জনগণের মুক্তির অগ্রদূত হয়ে দেখা দিয়েছিলেন মোহনদাস করম চাঁদ গান্ধী। মহাত্মা গান্ধী নামে সমধিক পরিচিত এই রাজনীতিবিদ বর্ণবৈষম্য দূরীকরণসহ বি বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নিজেকে ভারতবাসীর কাছে অবিসংবাদিতা নেতা হিসেবে প্রমাণ করেন এবং বিভিন্ন অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হয়েও ব্রিটিশবিরোধী 'ভারত ছাড়ো' আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। অহিংস আন্দোলনের পুরোধা হলেও দেশ ও জনগণের মুক্তির প্রশ্নে কখনোই আপস করেননি মাহাত্মা গান্ধী।'মহাত্মা গান্ধী এবং বঙ্গবন্ধু শেখ শেখ মুজিবুর রহমান উভয়েই দেশ ও দেশের মানুষের মুক্তিকেই সর্বাগ্রে প্রাধান্য দিয়েছেন।'- উদ্দীপক ও 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার আলোকে উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
- যার যাবে প্রাণ তাহেপ্রাণের চেয়েও মান বড়, আমি শুনাব শাহানশাহে।উদ্দীপকে ‘বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার যে ভাব প্রকাশিতহয়েছে— আত্মম্ভরিতা আত্মমর্যাদানিৰ্ভীকতানিচের কোনটি সঠিক?
- ’মানুষ সুর্যোদয়ে আনন্দিত হয় এবং কিছু মানুষ রাত্রির আগমনে শঙ্কিত হয়।’ --কোন ধরনের বাক্য
- ’আহত’ বিশেষণ পদের বিশেষ্য রূপ-
- এই দেশের স্বাধীনতার পিছনে রয়েছে বহুকালের সংগ্রামী ইতিহাস। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের দিনগুলো আমাদের জাতীয় আন্দোলন সংগ্রামের আত্মমর্যাদার চেতনার বীজ পত্তন করেছে। এ দেশকে ভালোবেসে বহু প্রতিবাদী মানুষ জীবন বিসর্জন দিয়েছেন, ইতিহাসে তাঁরা অমর।উদ্দীপকের মর্মার্থ 'বায়ান্নার দিনগুলো' রচনার চেতনার আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- "বাবার কালের জীবনটা যেন রাস্তায় না যায় "- বুঝিয়ে লেখো।