আঠারো বছর বয়স পাথর বাধা ভাঙতে চায় -
A. হাত দিয়ে
B. হাতুড়ি দিয়ে
C. চরণাঘাতে
D. লগুড়াঘাতে
সঠিক উত্তরঃ
C.
চরণাঘাতে
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- ওরে নবীন ওরে আমার কাঁচাওরে সবুজ, ওরে অবুঝআধ-মরাদের ঘা মেরে তুই বাঁচারক্ত আলোর মদে মাতাল ভোরেআজকে যে যা বলে বলুক তোরে,সকল তর্ক হেলায় তুচ্ছ করেপুচ্ছটি তোর উচ্চে তুলে নাচা।আয় দুরন্ত, আয়রে আমার কাঁচা।"উদ্দীপকে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় বর্ণিত বিষয়ের আংশিক প্রতিফলন ঘটেছে"- উক্তিটি বিচার করো।
- রফিক মার্চের উত্তাল সময়ে ঢাকা ছেড়ে গ্রামের বাড়িতে চলে আসে। গ্রামে এসে সে সমবয়সিদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয় যে, তারা যুদ্ধের ট্রেনিং নিতে ভারতে যাবে। পরিবারের উদ্দেশ্যে চিরকুট লিখে সবাই রাতের আঁধারে ঘর ছাড়ে।উদ্দীপকের রফিকের মধ্যে আঠারো বছর বয়সের কোন দিকটি স্পষ্ট? ব্যাখ্যা করো।
- 'এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।'- কবির এ প্রত্যাশার কারণ ব্যাখ্যা করো।
- 'এ বয়সে কানে আসে কত মন্ত্রণা'- এ কথা দিয়ে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?
- গ্রামের রাস্তা হচ্ছে। কিন্তু মতিব্বর শ্রেণি ঠিকাদারদের সাথে আঁতাত করে নিম্নমানের রাস্তা করছে। গ্রামের যুবকেরা এটি বুঝতে পেরে প্রতিবাদে ফেটে পড়ল। তারা একত্রিত হয়ে রাস্তার কাজ বন্ধ করে দিলো। শেষ পর্যন্ত ঠিকাদারেরা ঠিকমতো কাজ করতে বাধ্য হলো।'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় যুবকদের সাথে উদ্দীপকের যুবকদের তুলনা করো।
- মাদক গ্রহণের অপরাধ মাথায় নিয়ে পুলিশ ভ্যানে উঠে বসল সাজিদ। মা-বাবা, পাড়া- প্রতিবেশী কেউ কল্পনা করতে পারেনি এমন দৃশ্য তাদের দেখতে হবে। শুধু ভালো ছাত্র হিসেবে নয়, তার মতো সাহসী, প্রতিবাদী, পরোপকারী সর্বগুণের অধিকারী একটি ছেলেও খুঁজে পাবে না কেউ। বয়স্করা বলতেন, 'আহা' এমন সোনার টুকরা যদি সবার ঘরে জন্মাত।" কান্নাজড়িত কণ্ঠে সাজিদের মা বলেন, 'কিছুদিন ধরে অচেনা একটা ছেলে ওর সাথে দেখা করতে আসত। ভাবতে পারিনি এত বড় সর্বনাশ হবে আমার ছেলের।''এ বয়সে কানে আসে কত যন্ত্রণা'- উক্তিটি সাজিদের ক্ষেত্রে কীভাবে প্রযোজ্য? বুঝিয়ে দাও।
- 'ধ্বংস দেখে ভয় কেন তোর?- প্রলয় নূতন সৃজন-বেদন!আসছে নবীন-জীবন-হারা অ-সুন্দরে করতে ছেদন!তাই সে এমন কেশে বেশেপ্রলয় বয়েও আসছে হেসে-মধুর হেসে!ভেঙে আবার গড়তে জানে সে চির-সুন্দর!'"ভেঙে আবার গড়তে জানে সে চির-সুন্দর!'- এ চরণে কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত হয়েছে।" তুমি কী মনে করো? বিশ্লেষণ করো।
- সুকান্ত ভট্টাচার্যের পৈতৃক নিবাস-
- সুকান্ত ভট্টাচার্যের পৈতৃক নিবাস কোথায় ছিল?
- 'এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।'-উক্তিটির অর্থ কী? ব্যাখ্যা করো।
- 'আঠারো বছর বয়স' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- কিশোর তোমার দুই হাতে দুইসূর্য উঠেছে জেগে।মানুষের হাতে অবাক সূর্যোদয়,যায় পুড়ে যায় মর্ত্যের অমানিশাশঙ্কার সংশয়।উদ্দীপকে 'কিশোরের হাতে সূর্য জেগে উঠা', 'আঠারো বছর বয়স' করিতার যে দিকে ফুটিয়ে তুলেছে তা ব্যাখ্যা করো।
- “স্পর্ধায় নেয় মাথা তোলবার ঝুঁকি”, — 'আঠারো বছর বয়সকবিতার চরণটিতে প্রকাশ পেয়েছে তরুণদের—
- ‘এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য'– বলতে বোঝানোহয়েছে—
- আঠারো বছর বয়স, পদাঘাতে কী ভাঙতে চায়?
- “আঠারাে বছর বয়স'' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্ম কোন জেলায়?
- 'আঠারো বছর বয়স 'কবিতায় পদবিন্যাস কেমন?
- কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য কত বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন?
- আঠারো বছর বয়সের নেতিবাচক দিক হচ্ছে,এ বয়স-
- দুরন্ত পথিক দুর্বার তারুণ্যের প্রতীক। সে বিপ্লবের অগ্নিমন্ত্রে দীক্ষিত মুক্তি সৈনিক। মৃত্যুভয়কে তুচ্ছ করে সে দুর্গম পথে এগিয়ে চলে। তার শক্তি অবিনশ্বর। পথ চলতে সে কখনো থেমে যায় না। তার চেতনা দুর্বারকে জয় করে।উদ্দীপক এবং 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার চেতনা সর্বজন কর্তৃক অনুকরণীয়- বিশ্লেষণ কর।
- মালিহা আর নীলা সহপাঠী। দুজনই লেখাপাড়ায় বেশ ভালো। স্কুলজীবন পার হতে না হতেই নীলা মিশে যায় কিছু বখাটে বন্ধুর সাথে। এখানে তার শিক্ষাজীবনের পরিসমাপ্তি ঘটে। তার নাম শুনলে মেয়েরা আঁতকে ওঠে। অপরদিকে মালিহা কলেজ পেরিয়ে মেডিকেল কলেজে পড়ে। বাংলাদেশের অবহেলিত নারীদের অধিকার আদায়ে সে এখন কাজ করে। আন্দোলন-সংগ্রামে নেতৃত্ব দেয়। সংগঠিত করে সহপাঠী মেয়ে বন্ধুদের, আর প্রতিজ্ঞা করে জীবন দিয়ে হলেও নারীদের যথাযথ অধিকার প্রতিষ্ঠা করবেই।'আত্মত্যাগ ও মানব-কল্যাণ আঠারো বছর বয়সের একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য'- উদ্দীপক ও 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার আলোকে তাৎপর্য মূল্যায়ন করো।
- আঠারো বছর বয়স দুঃসহ কেন?
- 'আঠারো বছর বয়স' কবিতাটি কবির কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে?
- পাড়ার সকলের প্রিয় পন্টু। অদ্ভুত তার চরিত্র। এখনই কারো গাছের ফল চুরি করে খেলো, তো পরক্ষণেই শীতার্তকে নিজের গায়ের জামা খুলে দিয়ে দিলো। কখনো গৃহস্থের গরুর গলার রশি খুলে দিয়ে মজা করছে, কখনো মহিলাদের আড্ডায় রাবারের সাপ ছেড়ে দিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে, কখনো পথচারীর গায়ে সাইকেল তুলে দিয়ে খিলখিল করে হাসছে। সেই পন্টুই আবার প্রতিবেশীর বাড়িতে হামলা করা ডাকাত দলকে একাই রুখে দিতে লড়াই করছে। কারো বাচ্চাটাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, কারো অসুস্থ আত্মীয়কে হাসপাতালে নিতে হবে, কোনো কন্যাদায়গ্রস্ত পিতার বিয়ের সব ব্যবস্থাপনা করে দিতে হবে, কারো অন্ন-বস্ত্রের সংস্থান করতে হবে-এ সবে পল্টই সর্বাগ্রে।পল্টুর পরোপকারের বিষয়টি 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন দিকটির ইঙ্গিতবাহী? বুঝিয়ে দাও।