সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ৭ই মার্চের ভাষণের শুরুতেই পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক বাংলাদেশের মানুষের নির্যাতনের কথা তুলে ধরেছেন। পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক অন্যায়ভাবে এবং বিনা করণে বাংলার মানুষের উপর অত্যাচার, নির্যাতন, গুলি ও রক্তপাত করা হয়েছে। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর ১৯৭১ সালের ৬ই মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশের মানুষ তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকের সঙ্গে সমঝোতার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে। কিন্তু তারা সমঝোতা না করে ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী ও রংপুরে গুলি চালিয়ে বাংলাদেশের মানুষকে হতাহত করেছে। এরূপ রক্তের করুণ ইতিহাস পুরো পাকিস্তানি শাসনকাল জুড়ে বিরাজমান ছিল। সর্বোপরি ৭ই মার্চের ভাষণের মাধ্যমে জাতির পিতা পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর কর্তৃক ২৩ বছর যাবৎ পাকিস্তানি শাসকদের বাংলাদেশের মানুষের নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরেছেন। আজ আমরা স্বাধীন দেশের নাগরিক কিন্তু ভুলিনি পাকিস্তানি শাসক ও তার দোসরদের নৃশংস হত্যাযজ্ঞ, ভুলিনি জাতির পিতা ও লাখো শহিদের অবদান।
'সোনার তরী' কবিতার বিষয়গত সাদৃশ্য বর্ণনা করো।

- কখন হাল ঠিকমতো রাখা ভার?
- পরপারে দেখি আঁকা তরুছায়া মসী-মাখা।'- এখানে 'মসী-মাখা' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- প্রীতিলতা-সূর্য সেন নেই তাঁরা আরএমনই সহস্র এসে গেছে বারবার।শাজাহান আর তাঁর মহারাজ্য, পাটঅশোকের সাম্রাজ্যের ঠাটবাটকিছুই নাহিকো মহাকালের গ্রাসেনিঃশেষ সকলেই সময়ের স্রোতেসময় পারেনি তবু নাম মুছে দিতেমানুষের মন আজও সে নাম স্মরিছেনাম হয় মৃত্যুহীন যদি থাকে কর্মকর্ম হলো বেঁচে থাকার অক্ষয় বর্ম।উদ্দীপকের মূলসুর 'সোনার তরী' কবিতারই প্রতিধ্বনি।”- মন্তব্যটি যথার্থতা নিরূপণ করো।
- বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র ঐতিহাসিক নিদর্শন চর্যাপদ। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ৬৫০ খ্রি. থেকে চর্যাপদের কাল ধরেছেন। হাজার বছরের অধিক সময় পূর্বে রচিত হওয়ায় পদকর্তাদের জীবন ইতিহাস বিস্তারিত জানা সম্ভব হয় না। রচয়িতাদের পরিচিতি কালের প্রবাহে ধূসর হয়ে গেলেও তাঁদের রচনাগুলোর ভাষা ও বিষয় নিয়ে গবেষণার অন্ত নেই। 'চর্যাপদ' বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের মূল্যবান সম্পদ হিসেবে সমাদৃত।"উদ্দীপকের পদরচয়িতাগণ এবং 'সোনার তরী' কবিতার কৃষক যেন একই নিয়তির শিকার।"- তোমার মতামতসহ আলোচনা করো।
- বাঁকা জল কীসের প্রতীক?
- আধুনিক বাংলা কবিতায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার জন্য চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন কবি মাইকেল মধূসুদন দত্ত। অমিত্রাক্ষরের ছন্দ ব্যবহার করে তিনি বাংলা কবিতাকে মুক্তি দিয়েছেন। আজ তিনি নেই কিন্তু তাঁর সৃষ্টিকর্ম আছে ও থাকবে।'আজ তিনি নেই কিন্তু তাঁর সৃষ্টিকর্ম আছে ও থাকবে'- 'সোনার তরী' কবিতার আলোকে উক্তিটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।
- 'আমি একেলা'- এখানে আমি কে?
- "গান গেয়ে তরী বেয়ে কে আসে পারেদেখে যেনো মনে হয় চিনি উপারে"-কোন কবিতার অংশ?
- মানুষ মরণশীল এ সত্য 'চিরন্তন' কিন্তু মানুষের মানুষের কর্ম অমর। কর্ম দিয়ে কালে কালে মানুষ জগতের মধ্যে চিরন্তন হয়ে আছে। শিল্প-সাহিত্যের ক্ষেত্রে অসংখ্য শিল্পী-সাহিত্যিক, বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে অসংখ্য বিজ্ঞানী, চিন্তার ক্ষেত্রে অসংখ্য চিন্তক-দার্শনিক তাঁদের জ্ঞান- বুদ্ধি-শক্তি-শ্রম সর্বোপরি মহৎ কর্ম দিয়ে পৃথিবীকে সুন্দর করে গেছেন। শারীরিকভাবে তাঁদের দেহাবসান হলেও কর্ম টিকে আছে। প্রতিনিয়ত তাঁদের কর্মের দানে সমৃদ্ধ হচ্ছেপৃথিবীর মানুষ। কালের গহ্বরে কেবল কর্মী হারায়, কর্ম হারায় না।'সোনার তরী' কবিতার মূলভাবের কোন অংশের সাথে উদ্দীপকের বিষয়টি সাদৃশ্যপূর্ণ?- ব্যাখ্যা করো।
- ওগো তুমি কোথা যাও কোন বিদেশে? এখানে 'বিদেশ' বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?
- মহেশচন্দ্র ভট্টাচার্য ছিলেন বাঙালি হোমিওপ্যাথিক ওষুধ ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও দানশীল ব্যক্তিত্ব। নিজের ঐকান্তিক চেষ্টায় বিপুল ধনসম্পদের অধিকারী হন। কিন্তু নিজে কৃচ্ছ সাধন করে জনহিতকর কাজে লিপ্ত হন। তিনি শিক্ষা বিস্তারের জন্য টোল, পাঠশালা, গ্রন্থাগার, হোস্টেল, নারীশিক্ষার জন্য বিদ্যানিকেতন, ছাত্রীনিবাস এবং দরিদ্রের জন্য আশ্রম, ধর্মশালা প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি আজও সকলের কাছে স্মরণীয় হয়ে আছেন।উদ্দীপকের মহেশচন্দ্র ভট্টাচার্যের ব্যক্তি জীবনের মধ্য দিয়ে 'সোনার তরী' কবিতার কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? আলোচনা করো।
- পার্থিব ও ক্ষণস্থায়ী জীবনের জন্য আমরা কত কিছুই না করি। ভালোমন্দ ভুলে দিয়ে নানান কাজে জড়িয়ে পড়ছি। এই পৃথিবী যেমন আছে তেমনই ঠিক হবে, সুন্দর এ পৃথিবী ছেড়ে একদিন, চলে যেতে হবে'। আমরা আমাদের সৃষ্টির উদ্দেশ্য ভুলে গিয়ে এ ক্ষণস্থায়ী জীবনের প্রতি বেশি মনোযোগী হয়ে যাই। টাকাকড়ি সুন্দর বাড়ি সবই পড়ে রবে, তোমার করা কৃতকর্মই তোমাকে স্মরণ নেবে যখন তুমি আর থাকবে না এই জনাকীর্ণ ভবে। উদ্দীপকটি 'সোনার তরী' কবিতার মর্মার্থকে ধারণ করে কি? 'সোনার তরী' কবিতার আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- 'যাহা ছিল নিয়ে গেল সোনার তরী'- ব্যাখ্যা করো।
- মালিহার মন খারাপ। জীবনের কোন চাওয়া পাওয়াই মিলছে না। জানুয়ারির এই কনকনে শীতে বাচ্চাদের অনেক শীতের কাপড় পরিয়ে সে বেড়াতে বের হল। বাচ্চারা ট্রেন দেখবে। তারা রেললাইনের পাশে ঝুপড়ি ঘরে কিছু বাচ্চাদের খেলা করতে দেখল। তাদের গায়ে কাপড় বলতে বেশি কিছু নেই। পাশেই তাদের বাবা মা মাটির চুলায় কিছু রান্না করছে। তারা নিজেদের মধ্যে কিছু বলছে আর উচ্চ স্বরে হাসছে। মুহূর্তের মধ্যে মালিহার মন ভালো হয়ে গেল। মনে মনে ভাবলেন আনন্দে থাকার জন্য আসলে খুব বেশি কি প্রয়োজন? অর্থ আভিজাত্য সময়ে সব হারিয়ে যাবে।উদ্দীপকের মালিহার সাথে 'সোনার তরী' কবিতার মাঝির সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য নির্ণয় কর।
- "যত চাও তত লও তরণী পরে"- 'সোনার তরী' কবিতায় পরের পঙক্তি?
- 'একখানি ছোট খেত , আমি একেলা' - এর পরের লাইন ঃ
- ফসল উৎপাদনকারী কৃষক বলতে কবি কাকে কল্পনা করেছেন?
- 'আমায় নহে গো, ভালোবাসো শুধু ভালোবাসো মোর গানবনের পাখিরে কে চিনে রাখে গান হলে অবসানচাঁদের কে চায়, জোছনা সবাই যাচেগীত-শেষে বীণা পড়ে থাকে ধূলি-মাঝে।'"উদ্দীপকটিতে 'সোনার তরী' কবিতার মূলভাব ফুটে উঠেছে"- মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার করো।
- "শ্রাবণ গগণ ঘিরে ঘন মেঘ ঘুরে ফিরে, শূন্য নদীর তীরে রহিনু পড়ি" পরের লাইনটি কী?
- 'চারিদিকে বাঁকা জল করিছে খেলা'- ব্যাখ্যা করো।
- গীতাঞ্জলির ইংরেজি অনুবাদ সম্পাদনা করেছেন-
- 'শূন্য নদীর তীরে রহিনু পড়ি।'-উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- 'কথা ও কাহিনী' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কী জাতীয় রচনা?
- অলখের পাথার বাহিয়া/তরী তার এসেছে কি?-কার তরী?
- 'সোনার তরী' কবিতার বর্ণনামতে বর্ষা কখন এল?