'অতি সন্তর্পণে তারা বিছানা ছেড়ে ওঠে।' কাদের সম্পর্কে এবং কেন বলা হয়েছে?
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'পাতাশূন্য শুকনো গাছটায়' কারা বসেছে?
- কোন গল্পটিতে স্বমীর নির্যাতনের শিকার পিতৃমাতৃহীন তরুণীর জীবন কাহিনি ফুটে উঠেছে?
- 'বজ্জাত হোক, খুনে হোক, জামাই তো।' উক্তিটি কার?
- ‘দিবারাত্রির কাব্য’ কার লেখা?
- নিচের কোন লেখক মার্কসবাদী লেখক হিসেবে পরিচিত?
- মাসি-পিসি' গল্পে কে 'শুঁড়িখানায় পড়ে থাকে বার মাস'?
- দারিদ্র্যের সাথে সংগ্রাম করে অনেক কষ্টে ভাই-ঝিকে বিয়ে দেন কাকা। অভাগী প্রতিমা শ্বশুরবাড়িতেও সুখের নাগাল পায় না। কারণ তার কাকার কাছ থেকে যৌতুকের টাকা আনার জন্য স্বামী-শাশুড়ি প্রতিনিয়ত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালায়। এমনকি অন্তঃসত্ত্বা জেনেও তার স্বামী একদিন মারধর করে তাকে অজ্ঞান করে ফেলে। যখন জ্ঞান ফিরে আসে, প্রতিমা কোনোরকমে পালিয়ে কাকা-কাকীর কাছে চলে আসে। ভাইঝি'র এমন পরিস্থিতি বিবেচনা করে কাকা-কাকী সিদ্ধান্ত নেয় অমন শ্বশুরবাড়িতে তাকে পাঠাবে না তারা। বাপ-মা মরা অভাগী মেয়ে প্রতিমা দরিদ্র কাকা-কাকীর কাছে বড় হয়েছে।উদ্দীপকের প্রতিমার সাথে 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদি চরিত্রের সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্য নিরূপণ করো।
- ছুটি রাণী বিধবা ও নিঃসন্তান। এ বিধবার নিকট-সম্পর্কের কেউ নেই। একদিন বাড়ির আঙিনার মন্দিরের পাশে বিশ-ঊর্ধ্ব একটি মেয়েকে কাঁদতে দেখেন। সমস্ত ঘটনা শুনে মেয়েটিকে ঘরে নিয়ে আসেন। স্বামীর নির্দয়তায় ক্ষত-বিক্ষত মেয়েটিকে মায়ের স্নেহে আশ্রয় দেন। মেয়েটির শ্বশুরবাড়ির লোক সংবাদ পেয়ে মেয়েটিকে নিয়ে যেতে চান। মেয়েটি কোনোভাবেই ফিরে যেতে রাজি নয়। ছুটি রাণীও মেয়েটিকে যেতে দেননি। এজন্য ছুটি রাণীকে সামাজিক নেতিবাচকতার মুখোমুখি হতে হয়। ছুটি রাণী মেয়েটিকে তার স্থাবর-অস্থাবর সমস্ত ধন-সম্পত্তি উইল করে দেন।"উদ্দীপকের ছুটি রাণী, এবং 'মাসি-পিসি' গল্পের মাসি-পিসি একে অপরের পরিপূরক।"- বিশ্লেষণ করো।
- স্বামী পরিত্যক্তা হতদরিদ্র জয়গুন সূর্য-দীঘল বাড়িতেএকা বসবাস করে ৷ 'সোনার তরী' কীসের প্রতীক?
- 'মাসি-পিসি' গল্পে চায়ের দোকান কোথায় অবস্থিত?
- মাসি-পিসি গল্পে ‘বজ্জাত হোক, খুনে হোক, জামাইতো-বাক্যটিতে প্রকাশ পেয়েছে—
- শৈশবে বাবা-মাকে হারিয়ে এক চাচার আশ্রয়ে থাকা আসমার জীবনে ঘটে যায় বাল্যবিবাহ। স্বামীর ঘরে অত্যাচার-নির্যাতন, পরে তালাক। চাচার সহযোগিতা না পেলেও দমে যায়নি সে। টিউশন করে লেখাপড়া চালিয়ে যায় সে। অদম্য ইচ্ছাশক্তির জোরে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় লাভ করে ভালো ফল। আসমা এখন মেডিকেল কলেজের শেষ বর্ষের ছাত্রী।"উদ্দীপকের আসমা এবং 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদি উভয়েই নির্যাতিত নারী সমাজের প্রতিনিধি।"- আলোচনা করো।
- 'কে এগিয়ে আসবে এসো, বঁটির এক কোপে গলাফাঁক করে দেবো।'— এখানে কী বুঝিয়েছে?
- “মরণ ঠেকাতেই ফুরিয়ে আসছে তাদের জীবনীশক্তি”- কাদের জীবনীশক্তি?
- কোনটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ?
- ' সফিউর' চরিত্রটি কোন ঔপন্যাসিকের সৃষ্টি?
- ক্ষ্রুদ্রার্তে 'ইকা' প্রত্যয়যোগে গঠিত?
- সাফিয়ার বাবা একজন দরিদ্র দিনমজুর। অনেক ধার-দেনা করে তিনি মেয়েকে বিয়ে দেন। ভাগ্যের নির্মমতায় বিয়ের পরেই সাফিয়ার জীবনে নেমে আসে ঘোর অন্ধকার। পাঁচ লক্ষ টাকা যৌতুকের দাবিতে সাফিয়াকে তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন নির্যাতন করে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। অসহায় সাফিয়ার পরিবার শ্বশুরবাড়িতে সাফিয়া মিলেমিশে থাকতে না পারার দরুন তাকে উলটা ভর্ৎসনা করে। মনের কষ্টে সাফিয়া সব কিছু ছেড়ে ঢাকায় গিয়ে গার্মেন্টসে চাকরি নেয়।"মাসি-পিসি' গল্পের 'মাসি-পিসি'র মতো অভিভাবক থাকলে উদ্দীপকের সাফিয়ার পরিণতি এমন হতো না।" মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- বিধবা মরিয়ম সারাদিন কঠোর পরিশ্রম করে। পনেরো বছরের একমাত্র সন্তান শাহানাকে নিয়ে তার ছোট সংসার। মরিয়মের এখন একটাই সংগ্রাম- মেয়েকে লেখাপড়া শিখিয়ে স্বাবলম্বী করানো। কিন্তু চতুর্দিকে বখাটেদের উৎপাত লেগেই আছে। তাইতো কাপড়ের আড়ালে ধারালো ছোট ছুরিটা নিতে 'কখনো ভুলে না সে। এতে বখাটেরা আজকাল আর সামনে এগুচ্ছে নাএবং অন্য নারীরাও এখন অনেক বেশি সচেতন। সংঘবদ্ধ মরিয়মরা এখন লাঞ্ছিত নারীদের এগিয়ে যাওয়ার সাহস।'সংঘবদ্ধ মরিয়মরা এখন লাঞ্ছিত নারীদের এগিয়ে যাওয়ার সাহস।' - উদ্দীপক ও 'মাসি-পিসি' গল্পের আলোকে কথাটি বিশ্লেষণ কর।
- 'দুর ছাই সয়ে আর কুড়িয়ে পেতে খেয়ে।' এর মানে-
- 'আয় না হারামজাদা, এগিয়ে আয় না? কাটারির কোপে গলা কাটি দু-একটার।'- উক্তিটি কার?
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিতৃপ্রদত্ত নাম কী?
- হিরন্ময়ীর স্বামী যখন মারা যায় তখন তার মেয়ে লতার বয়স মাত্র দুই বছর। একদিকে অর্থকষ্ট, অপরদিকে বদলোকের কুদৃষ্টি। তবু দমে যায়নি হিরন্ময়ী। মানুষের বাড়িতে কাজ। করে, খেয়ে না খেয়ে মেয়েটাকে বড় করে সে। একসময় মেয়ের বিয়েও দেয়। কিন্তু বছর না যেতেই অত্যাচারী স্বামীর সাথে তার সম্পর্ক ছিন্ন হয়। লতা তার মায়ের কাছে ফিরে আসে। এবার পুরু হয় মা-মেয়ের বেঁচে থাকার সংগ্রাম। বাড়ির আশেপাশে শাক-সবজি চাষ করে, বাড়িতে হাঁস-মুরগি পালন করে, পরের বাড়িতে ধান ভেনে, কাঁথা সেলাই করে তারা স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা করে। তারা মনে করে সংগ্রাম করে বেঁচে থাকার মধ্যে গৌরব আছে, কাজ করে জীবন নির্বাহ করার মধ্যে সম্মান আছে। তারা যেকোনো অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য প্রস্তুত থাকে।"প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও 'মাসি-পিসি' গল্পের মাসি-পিসি এবং উদ্দীপকের হিরন্ময়ী ও লতা- তারা সবাই জীবন-সংগ্রামের বলিষ্ঠ চেতনায় উদ্বুদ্ধ।"- বিশ্লেষণ কর।
- 'মাসি-পিসি' গল্পে 'জগু আর সেই জগু নেই'—কথাটি দ্বারা বোঝানো হয়েছে?
- 'মাসি-পিসি' গল্পটির লেখক কে?