নিচের কোন গল্পে দুর্ভিক্ষের কথা উল্লেখ করা হয়েছে?
A. অপরিচিতা
B. আহ্বান
C. মাসি- পিসি
D. নেকলেস
সঠিক উত্তরঃ
C.
মাসি- পিসি
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'পাতাশূন্য শুকনো গাছটায়' কারা বসেছে?
- স্বামীর মৃত্যুর পর প্রতিকূল পরিবেশে টিকতে না পেরেরোকেয়া ভাগলপুরে মেয়েদের স্কুল ও বৃদ্ধাশ্রমপ্রতিষ্ঠা করে নিজেকে শিক্ষা বিস্তার ও সমাজসেবারকাজে ব্যস্ত রাখেন । 'মাসি-পিসি' গল্পের মাসি-পিসি উদ্দীপকেররোকেয়ার সাথে কীসে তুলনীয়?
- বিয়ের কয়েক বছরের মাথায় স্বামী মারা গেলে দুই সন্তান নিয়ে অকুল পাথারে পড়েন কুলসুম বিবি। তবে তিনি দিশেহারা না হয়ে সরকারি 'জয়িতা নারী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র' থেকে সেলাই মেশিন নিয়ে জীবনযুদ্ধে নেমে পড়েন। উদ্দীপকের কুলসুম বিবির সাথে 'মাসি-পিসি' গল্পের কোন চরিত্রের বৈপরীত্য রয়েছে- মাসি পিসি জগু
- 'খবরটা কী তাই কও'- কার উক্তি?
- মাসি-পিসি' গল্পের বৈচিত্র্যময় দিক হলো-দুর্ভিক্ষের মর্মস্পর্শী স্মৃতিপ্রকৃতির প্রতি নিবিড়তা মানবিক জীবনসংগ্রাম নিচের কোনটি সঠিক?
- 'মাসি-পিসি' গল্পে শকুন কীসের প্রতীক?
- কোন শব্দটির প্রয়োগ শুদ্ধ?
- আহ্লাদি ও বুড়ো রহমানের কন্যা— তারা দুজনেই—
- দারিদ্র্যের সাথে সংগ্রাম করে অনেক কষ্টে ভাই-ঝিকে বিয়ে দেন কাকা। অভাগী প্রতিমা শ্বশুরবাড়িতেও সুখের নাগাল পায় না। কারণ তার কাকার কাছ থেকে যৌতুকের টাকা আনার জন্য স্বামী-শাশুড়ি প্রতিনিয়ত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালায়। এমনকি অন্তঃসত্ত্বা জেনেও তার স্বামী একদিন মারধর করে তাকে অজ্ঞান করে ফেলে। যখন জ্ঞান ফিরে আসে, প্রতিমা কোনোরকমে পালিয়ে কাকা-কাকীর কাছে চলে আসে। ভাইঝি'র এমন পরিস্থিতি বিবেচনা করে কাকা-কাকী সিদ্ধান্ত নেয় অমন শ্বশুরবাড়িতে তাকে পাঠাবে না তারা। বাপ-মা মরা অভাগী মেয়ে প্রতিমা দরিদ্র কাকা-কাকীর কাছে বড় হয়েছে।উদ্দীপকের প্রতিমার সাথে 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদি চরিত্রের সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্য নিরূপণ করো।
- আহ্লাদিকে জণ্ডর কাছে পাঠাতে মাসি-পিসি কেন চায়নি?
- কারণে-অকারণে বউকে প্রহার করা তাহেরের অভ্যাস।নির্যাতন সইতে না পেরে তার বউ অবশেষে আত্মহত্যা করে।তাহের পুনরায় বিয়ে করে এবং আবারও স্ত্রীর ওপর অত্যাচারশুরু করে। উদ্দীপকের তাহের 'মাসি-পিসি' গল্পের কোন চরিত্রেরসাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- বাবা-মা হারা রাইনার শেষ আশ্রয় বুড়ো দাদু। কিন্তু সমস্যা হয় বাবার রেখে যাওয়া সম্পদের কারণে, তার প্রতি শকুনের চোখ পড়ে। সম্পত্তির সবটুকু গ্রাস করেও তৃপ্তি হয় না গ্রামের মাতব্বরের ছেলের। তার লোভ জাগে রাইনার উপর। কিন্তু রাইনার দাদু এই বৃদ্ধ বয়সেই রুখে দাঁড়ায় সমস্ত অন্যায়ের বিরুদ্ধে।উদ্দীপকের মাতব্বরের ছেলে ও 'মাসি-পিসি' গল্পের গোকুল একই চরিত্রের অধিকারী- বিশ্লেষণ করো।
- এইখানে তোর বুজির কবর পরীর মতন মেয়ে, বিয়ে দিয়েছিনু কাজিদের বাড়ি বনিয়াদি ঘর পেয়ে।এত আদরের বুজিরে যে তাহারা ভালোবাসিত না মোটে,হাতেতে যদিও না মারিত তারে শত যে মারিত ঠোঁটে।উদ্দীপকে বুজির সঙ্গে 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদির অবস্থার তুলনা করো।
- রোজগার করে কিছু উপার্জন করলেই মানিক দোকানে যায়। চা-সিগারেট খায়, আড্ডা দেয়, আবার বিপদগ্রস্ত মানুষ দেখলে তাকে আরও বিপদে ফেলে নিজের স্বার্থ উদ্ধার করতে চায়।উদ্দীপকের তাহের 'মাসি-পিসি' গল্পের কোন চরিত্রের প্রতিনিধি?
- ১৯৭১ সাল। পাকিস্তানি বাহিনীর অত্যাচারে দিশেহারা, পর্যুদস্ত দেশ। মাঠ-ঘাট পেরিয়ে মিলিটারি-রাজাকারের চোখ এড়িয়ে ভারতের আশ্রয় শিবিরের উদ্দেশ্যে ছুটে চলার প্রাণান্ত চেষ্টা বৃদ্ধা আদুরির। হঠাৎ খেতের মধ্যে গুলিবিদ্ধ মায়ের লাশের পাশে কান্নারত এক শিশুকে দেখে থমকে যায় আদুরি। নিঃস্ব কোলে তুলে নেয় অসহায় শিশুটিকে। আবারও ছুটতে থাকে আদুরি। শিশুটিকে যে বাঁচাতেই হবে-ভাবতে ভাবতে সুদৃঢ় হয় বৃদ্ধার পদক্ষেপ।'ভাবতে ভাবতে সুদৃঢ় হয় বৃদ্ধার পদক্ষেপ।'-এ উক্তিটি দ্বারা 'মাসি-পিসি' গল্পের মাসি-পিসির চারিত্রিক দৃঢ়তা ব্যাখ্যা করো।
- কোনটি তৎপুরুষ সমাস?
- 'নিজের সবটুকু সম্বল বিক্রি করে ধুলু মিয়া মেয়ের বিয়ে দিলেন। কিন্তু শ্বশুরবাড়িটা তার জন্য সুখের হলো না। এমন অত্যাচারের শিকার হয়েছে যে শ্বশুরবাড়ির নাম শুনলেই আঁতকে ওঠে।'উক্ত মূল উপজীব্যে 'মাসি-পিসি' গল্পের সাদৃশ্যপূর্ণ ব্যক্তি কোনটি?
- স্বামী পরিত্যক্তা হতদরিদ্র জয়গুন সূর্য-দীঘল বাড়িতেএকা বসবাস করে ৷ 'সোনার তরী' কীসের প্রতীক?
- 'বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে বাংলাদেশের নারীরা ব্যাপক ভূমিকারাখলেও ঘরের মধ্যে নারীর অবস্থা ভালো নয়। নারীসমাজের একটা অংশ স্বামীর দ্বারা নির্যাতনের শিকার।'তোমার পঠিত কোন গল্পের সঙ্গে উদ্দীপকটি সাদৃশ্যপূর্ণ?
- মিনার বাবা হঠাৎ মারা যাওয়ায় তার মা রানু তাকে নিয়ে অসহায় হয়ে পড়ে। সে তার স্বামীর রেখে যাওয়া সামান্য কৃষিজমিতে উৎপন্ন ফসল বিক্রি করে যা আয় করে তাতে মিনার লেখাপড়ার খরচ চালাতে পারে না। তাই অন্যের বাড়িতে ধান ভানা, মাড়াই দেওয়া ও গৃহপরিচারিকার কাজ করে মিনার লেখাপড়া ও সংসারের খরচ চালিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু হঠাৎ বাধা হয়ে দাঁড়াল মিনার বয়স। ষোড়শী মিনাকে গ্রাম্য মোড়লের কুদৃষ্টি থেকে রক্ষার জন্য সে তাকে বিয়ে দিলো। কিন্তু অর্থলোভী ও স্বার্থান্ধ পরিবারে মিনার ঠাঁই হলো না। সে মায়ের কাছে চলে এলো। শুরু হলো মা-মেয়ের নতুন করে বেঁচে থাকার লড়াই। 'বেঁচে থাকার লড়াই'- কথাটি উদ্দীপক ও 'মাসি-পিসি' গল্পের আঙ্গিকে ব্যাখ্যা করো।
- ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্ত শব্দ ন???় কোনটি?
- 'চায়ের দোকান না কীসের দোকান তা বুঝিছি কৈলাশ'- কথাটি দ্বারা যা বোঝানো হয়েছে-দোকানটি আসলে চায়ের দোকান ছিল নাদোকানটি ছিল নেশাজাতীয় দ্রব্যেরদোকানটি ছিল মনোহর জিনিসেরনিচের কোনটি সঠিক?
- ‘পদ্মানদীর মাঝি’ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি-
- "মরণ ঠেকাতেই ফুরিয়ে আসছে তাদের জীবনীশক্তি।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
- দারিদ্র্যের সাথে সংগ্রাম করে অনেক কষ্টে ভাই-ঝিকে বিয়ে দেন কাকা। অভাগী প্রতিমা শ্বশুরবাড়িতেও সুখের নাগাল পায় না। কারণ তার কাকার কাছ থেকে যৌতুকের টাকা আনার জন্য স্বামী-শাশুড়ি প্রতিনিয়ত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালায়। এমনকি অন্তঃসত্ত্বা জেনেও তার স্বামী একদিন মারধর করে তাকে অজ্ঞান করে ফেলে। যখন জ্ঞান ফিরে আসে, প্রতিমা কোনোরকমে পালিয়ে কাকা-কাকীর কাছে চলে আসে। ভাইঝি'র এমন পরিস্থিতি বিবেচনা করে কাকা-কাকী সিদ্ধান্ত নেয় অমন শ্বশুরবাড়িতে তাকে পাঠাবে না তারা। বাপ-মা মরা অভাগী মেয়ে প্রতিমা দরিদ্র কাকা-কাকীর কাছে বড় হয়েছে।"অর্থলিপ্সা মানুষকে পরিপূর্ণ পশু করে তোলে- উদ্দীপকে ও 'মাসি-পিসি' গল্পে এ সত্যটি সন্দেহাতীতভাবে প্রকাশিত হয়েছে"- মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার করো।