A. পরিপূরক জিন
B. এপিস্ট্যাটিক জিন
C. লিথাল জিন
D. অসম্পূর্ণ প্রকটতা জিন
সঠিক উত্তরঃ B. এপিস্ট্যাটিক জিন
Explanation:

Another Explanation (5):
এপিস্ট্যাটিক জিন হলো সেই জিন 🧬, যা অন্য একটি নন-অ্যালিলিক (non-allelic) জিনের প্রকাশকে প্রভাবিত করে বা বাধা দেয়। অর্থাৎ, একটি জিন অন্য একটি জিনের ওপর প্রভাব বিস্তার করে তার প্রকাশকে দমিয়ে রাখে। মেন্ডেলের বংশগতির সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি জিন স্বাধীনভাবে বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে, কিন্তু এপিস্ট্যাসিসের ক্ষেত্রে এই নিয়মের ব্যতিক্রম দেখা যায়। 🤔
কুকুরের লোমের রঙের ক্ষেত্রে এপিস্ট্যাসিস দেখা যায়। ধরা যাক, একটি জিন (B) লোমের কালো (Black) রঙ নির্ধারণ করে এবং অন্য একটি জিন (E) রঙের প্রকাশ (Expression) নিয়ন্ত্রণ করে। যদি কুকুরের মধ্যে "ee" জিনোটাইপ থাকে, তবে B জিন কোনো প্রভাব ফেলতে পারবে না, কারণ "ee" জিনোটাইপ লোমের রঙ প্রকাশে বাধা দেয়। এর ফলে লোমের রঙ সোনালী (Golden) হবে। 🐕
এপিস্ট্যাসিস মেন্ডেলের স্বাধীনভাবে পৃথক হওয়ার সূত্র (Law of Independent Assortment) এর ব্যতিক্রম। মেন্ডেলের সূত্র অনুযায়ী, বিভিন্ন জিনের অ্যালিলগুলো একে অপরের থেকে স্বাধীনভাবে বংশধরের মধ্যে যায়। কিন্তু এপিস্ট্যাসিসের ক্ষেত্রে, একটি জিনের অ্যালিল অন্য একটি জিনের অ্যালিলের প্রকাশকে প্রভাবিত করে, তাই স্বাধীনভাবে পৃথক হওয়ার সুযোগ থাকে না। 🚫
| প্রকারভেদ | বৈশিষ্ট্য | উদাহরণ |
|---|---|---|
| প্রচ্ছন্ন এপিস্ট্যাসিস | প্রচ্ছন্ন হোমোজাইগাস অ্যালিল অন্য জিনের প্রকাশে বাধা দেয়। | কুকুরের লোমের রঙ |
| ডোমিন্যান্ট এপিস্ট্যাসিস | প্রকট অ্যালিল অন্য জিনের প্রকাশে বাধা দেয়। | ফলের রঙ |
| ডুপ্লিকেট রিসেসিভ এপিস্ট্যাসিস | দুটি ভিন্ন জিনের রিসেসিভ অ্যালিল হোমোজাইগাস অবস্থায় অন্য ফিনোটাইপ তৈরি করে। | শস্যের শীষের রঙ |
| ডুপ্লিকেট ডমিন্যান্ট এপিস্ট্যাসিস | দুটি ভিন্ন জিনের ডমিন্যান্ট অ্যালিল একটি ফিনোটাইপ তৈরি করে। | ফলের আকার |
আশা করি, এপিস্ট্যাটিক জিন সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা দিতে পেরেছি। 😊 আরও কিছু জানার থাকলে জিজ্ঞাসা করতে পারেন। 📚