কোষ বিভাজন
CELL DIVISION
প্রধান শব্দসমূহ: সাইটোকাইনেসিস, কোষ চক্র, ক্রসিংওভার, সিন্যাপসিস
মাধ্যমিক শ্রেণির জীববিজ্ঞান বিষয়ে তোমরা কোষ বিভাজন সম্বন্ধে জেনেছো। এ অধ্যায়ে কোষ বিভাজন, বিশেষ করে কোষচক্র ও মায়োসিস সম্বন্ধে বিস্তারিত জানতে পারবে।
| এ অধ্যায়ের পাঠশুগুলো পড়ে শিক্ষার্থীরা যা যা শিখবে- | পাঠ পরিকল্পনা | ||
| মাইটোসিসের ব্যাখ্যা | পাঠ ১ | কোষ বিভাজনের প্রকারভেদ | |
| মাইটোসিসের গুরুত্ব | পাঠ ২ পাঠ ৩ | মাইটোসিস কোষ বিভাজন মাইটোসিস কোষ বিভাজনের ধাপসমূহ | |
| * | মিওসিসের (মায়োসিস) পর্যায়সমূহ | পাঠ ৪ | মায়োসিস কোষ বিভাজন |
| জীবদেহে মিওসিসের (মায়োসিস) গুরুত্ব | পাঠ ৫ | মায়োসিস কোষ বিভাজনের ধাপসমূহ: মায়োসিস-১ | |
| জীবনের ধারাবাহিকতা রক্ষায় মিওসিস (মায়োসিস) কোষ | পাঠ ৬ | মায়োসিস কোষ বিভাজনের ধাপসমূহ: মায়োসিস-২ | |
| বিভাজনের অবদান | পাঠ ৭ | মায়োসিস কোষ বিভাজনের গুরুত্ব | |
| ব্যবহারিক: মাইটোসিস বিভাজন পর্যবেক্ষণ করে চিত্র অঙ্কন | পাঠ ৮ | ব্যবহারিক: মাইটোসিস কোষ বিভাজনের বিভিন্ন পর্যায় (স্থায়ী স্লাইড) পর্যবেক্ষণ |
। । । । । ।
বিভাজনের মাধ্যমে সংখ্যাবৃদ্ধি কোষের একটি স্বাভাবিক ও অতি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য।
এককোষী জীবসমূহ, যেমন- ব্যাকটেরিয়া, ঈস্ট প্রভৃতি বার বার বিভাজনের মাধ্যমেই একটি থেকে অসংখ্য এককোষী জীবে পরিণত হয়।
বিশালদেহী একটি বটগাছের সূচনাও ঘটে একটিমাত্র কোষ (জাইগোট নিষিক্ত ডিম্বক) হতে।
গাছ থেকে গাছের সৃষ্টি হয়, প্রাণী থেকে সৃষ্টি হয় প্রাণী, আর তেমনি কোষ থেকেই কেবল কোষ সৃষ্টি হতে পারে।
এককোষী নিষিক্ত ডিম্বক হতে কোষ বিভাজন প্রক্রিয়ায় এক সময় কোটি কোটি কোষের সমন্বয়ে একটি পরিণত মানুষের সৃষ্টি হয়।
জীবদেহে কোষ বিভাজন একটি মৌলিক ও অত্যাবশ্যকীয় প্রক্রিয়া, এর মাধ্যমেই জীবের দৈহিক বৃদ্ধি ও বংশবৃদ্ধি ঘটে।
যে প্রক্রিয়ায় জীবকোষ বিভক্তির মাধ্যমে একটি থেকে দুটি বা চারটি কোষের সৃষ্টি হয় তাকে কোষ বিভাজন বলা হয়।
কোষ বিভাজনের ফলে সৃষ্ট নতুন কোষকে বলে অপত্যকোষ (daughter cell) এবং যে কোষটি থেকে অপত্য কোষ সৃষ্টি হয় সে কোষটি হলো মাতৃকোষ (mother cell) ।
Walter Flemming ১৮৮২ খ্রিষ্টাব্দে সামুদ্রিক স্যালামান্ডার (Triturus maculosa) কোষে প্রথম কোষ বিভাজন লক্ষ্য করেন।
কোষ থেকেই কেবল কোষ সৃষ্টি হতে পারে"- এটি বলেন রুডলফ ভিরশাও।
হ্যাপ্লয়েড বনাম ডিপ্লয়েড
প্রতিটি জীবে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক unique ক্রোমোসোম থাকে; যেমন- মানুষের ২৩টি। ফলের মাছির ৪টি।
সবগুলো unique (অনন্য