",সিদ্ধান্ত
""
""১. বংশবৃদ্ধির উচ্চহার (Prodigality of production)
২. খাদ্য ও বাসস্থানের সীমাবদ্ধতা (Limitation of food and space)
"" জীবন সংগ্রাম
"
"৩. জীবন সংগ্রাম (Struggle for existence)
""৪. পরিবৃত্তির অসীম ক্ষমতা (Omnipotence of variation amongst
the individual)
"" যোগ্যতমের জয়
"
"৫. যোগ্যতমের উদ্বর্তন (Survival of the fittest)
৬. প্রাকৃতিক নির্বাচন (Natural selection)
",নতুন প্রজাতির উৎপত্তি
""
নিচে সংক্ষেপে ডারউইন-এর মতবাদের ব্যাখ্যা দেয়া হলো-
১. বংশবৃদ্ধির উচ্চহার (Prodigality of Production): প্রাণী-উদ্ভিদ নির্বিশেষে জ্যামিতিক হারে (geometrical progression) বংশবৃদ্ধির প্রবণতা দেখায়। ফলে বাঁচার সম্ভাবনা সম্পন্ন জীবের সংখ্যার চেয়ে জন্ম নেয়ার সংখ্যা দাঁড়ায় বহুগুণ বেশি। উদাহরণস্বরূপ-একটি স্যামন মাছ (Salmon fish) এক ঋতুতেই দুকোটি আশি লক্ষ ডিম পাড়ে। সমস্ত ডিম যদি পূর্ণাঙ্গ প্রাণীতে পরিণত হয় এবং অনুরূপভাবে ডিম পাড়ে তবে পৃথিবীর জলভাগ কয়েক বছরের মধ্যে কেবল এক প্রজাতির প্রাণী দিয়েই ভরে যাবে।
২. আহার ও বাসস্থানের সীমাবদ্ধতা (Limitation of Food & Space): প্রাকৃতিক খাদ্যের উৎপাদন হার এবং ভূপৃষ্ঠের আয়তন সীমিত। এ অবস্থায় জীবের জ্যামিতিক হারে বংশবৃদ্ধির ফলে এদের ভিতর পর্যাপ্ত আহার ও যোগ্য বাসস্থানের জন্য প্রতিযোগিতা শুরু হবে অর্থাৎ এরা প্রাকৃতিক বাধার সম্মুখীন হবে।
৩. জীবন সংগ্রাম (Struggle for Existence): ডারউইনের মতে প্রাকৃতিক বাধা কার্যকর হয় জীবন সংগ্রামের মাধ্যমে। একদিকে ক্রমাগত বংশবৃদ্ধি অন্যদিকে পরিমিত খাদ্য ও বাসস্থানের যোগান জীবনকে প্রবল প্রতিযোগিতার মুখে ঠেলে দেয়। এতে বেঁচে থাকার উপযুক্ত জীব বাছাই হয়ে যায়। এটিই জীবন সংগ্রাম বা অস্তিত্বের জন্য সংগ্রাম। জীবন সংগ্রাম প্রধানত নিচে বর্ণিত তিনভাবে সংঘটিত হয়ে থাকে।
ক. অন্তঃপ্রজাতিক সংগ্রাম (Intra-Specific Struggle): একই প্রজাতির বিভিন্ন সদস্যের খাদ্য ও বাসস্থান একই রকম হওয়ায় এদের সদস্য সংখ্যা বেড়ে গেলে নিজেদের মধ্যেই প্রতিযোগিতা শুরু হয়। একেই অন্তঃপ্রজাতিক বা স্বপ্রজাতির সঙ্গে সংগ্রাম বলা হয়। যেমন- বট গাছের নিচে লক্ষ লক্ষ বীজ পতিত হলেও এ গাছের নিচে সাধারণত বটের চারা দেখতে পাওয়া যায় না। কেননা এত বিপুল সংখ্যক বীজের অঙ্কুরোদগমের জন্য পর্যাপ্ত উপাদান গাছ তলায় অল্প জায়গায় থাকেনা। বরং কিছু সংখ্যক বীজ পাখি ও অন্য" ">
",সিদ্ধান্ত
""
""১. বংশবৃদ্ধির উচ্চহার (Prodigality of production)
২. খাদ্য ও বাসস্থানের সীমাবদ্ধতা (Limitation of food and space)
"" জীবন সংগ্রাম
"
"৩. জীবন সংগ্রাম (Struggle for existence)
""৪. পরিবৃত্তির অসীম ক্ষমতা (Omnipotence of variation amongst
the individual)
"" যোগ্যতমের জয়
"
"৫. যোগ্যতমের উদ্বর্তন (Survival of the fittest)
৬. প্রাকৃতিক নির্বাচন (Natural selection)
",নতুন প্রজাতির উৎপত্তি
""
নিচে সংক্ষেপে ডারউইন-এর মতবাদের ব্যাখ্যা দেয়া হলো-
১. বংশবৃদ্ধির উচ্চহার (Prodigality of Production): প্রাণী-উদ্ভিদ নির্বিশেষে জ্যামিতিক হারে (geometrical progression) বংশবৃদ্ধির প্রবণতা দেখায়। ফলে বাঁচার সম্ভাবনা সম্পন্ন জীবের সংখ্যার চেয়ে জন্ম নেয়ার সংখ্যা দাঁড়ায় বহুগুণ বেশি। উদাহরণস্বরূপ-একটি স্যামন মাছ (Salmon fish) এক ঋতুতেই দুকোটি আশি লক্ষ ডিম পাড়ে। সমস্ত ডিম যদি পূর্ণাঙ্গ প্রাণীতে পরিণত হয় এবং অনুরূপভাবে ডিম পাড়ে তবে পৃথিবীর জলভাগ কয়েক বছরের মধ্যে কেবল এক প্রজাতির প্রাণী দিয়েই ভরে যাবে।
২. আহার ও বাসস্থানের সীমাবদ্ধতা (Limitation of Food & Space): প্রাকৃতিক খাদ্যের উৎপাদন হার এবং ভূপৃষ্ঠের আয়তন সীমিত। এ অবস্থায় জীবের জ্যামিতিক হারে বংশবৃদ্ধির ফলে এদের ভিতর পর্যাপ্ত আহার ও যোগ্য বাসস্থানের জন্য প্রতিযোগিতা শুরু হবে অর্থাৎ এরা প্রাকৃতিক বাধার সম্মুখীন হবে।
৩. জীবন সংগ্রাম (Struggle for Existence): ডারউইনের মতে প্রাকৃতিক বাধা কার্যকর হয় জীবন সংগ্রামের মাধ্যমে। একদিকে ক্রমাগত বংশবৃদ্ধি অন্যদিকে পরিমিত খাদ্য ও বাসস্থানের যোগান জীবনকে প্রবল প্রতিযোগিতার মুখে ঠেলে দেয়। এতে বেঁচে থাকার উপযুক্ত জীব বাছাই হয়ে যায়। এটিই জীবন সংগ্রাম বা অস্তিত্বের জন্য সংগ্রাম। জীবন সংগ্রাম প্রধানত নিচে বর্ণিত তিনভাবে সংঘটিত হয়ে থাকে।
ক. অন্তঃপ্রজাতিক সংগ্রাম (Intra-Specific Struggle): একই প্রজাতির বিভিন্ন সদস্যের খাদ্য ও বাসস্থান একই রকম হওয়ায় এদের সদস্য সংখ্যা বেড়ে গেলে নিজেদের মধ্যেই প্রতিযোগিতা শুরু হয়। একেই অন্তঃপ্রজাতিক বা স্বপ্রজাতির সঙ্গে সংগ্রাম বলা হয়। যেমন- বট গাছের নিচে লক্ষ লক্ষ বীজ পতিত হলেও এ গাছের নিচে সাধারণত বটের চারা দেখতে পাওয়া যায় না। কেননা এত বিপুল সংখ্যক বীজের অঙ্কুরোদগমের জন্য পর্যাপ্ত উপাদান গাছ তলায় অল্প জায়গায় থাকেনা। বরং কিছু সংখ্যক বীজ পাখি ও অন্য" ">