সকল কন্টেন্টে ফিরে যান

টেলোফেজ (Telophase) বা অন্তপর্যায়

B_1st_hasan_biology_haters_5_3.jpg
ইমেজ: B_1st_hasan_biology_haters_5_3.jpg
(hydration) ঘটে। ফলে এরা ক্রমান্বয়ে প্রসারিত হয়। ক্রোমোসোমগুলো ক্রমশ সরু ও লম্বা হতে থাকে এবং অস্পষ্ট হতে
থাকে।
এ পর্যায়ের শেষের দিকে দুই মেরুতে ক্রোমোসোমগুলোর চারদিকে নিউক্লিয়ার এনভেলপ এবং স্যাট ক্রোমোসোমের
গৌণ কুঞ্চনে নিউক্লিওলাসের পুনঃআবির্ভাব ঘটে।
ফলে দু'মেরুতে দুটি অপত্য নিউক্লিয়াসের সৃষ্টি হয়। স্পিন্ডল
ফাইবারগুলো ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়ে যায়।
মাইটোসিসের প্রধান পর্যায়গুলো মনে রাখার একটি সহজ উপায়: IPMAT
Interphase I is for Interlude (দুটো ঘটনার মাঝখানে অবকাশ)
Prophase Pis for Prepare (বিভাজনের জন্য তৈরি হওয়া)
Metaphase M is for Middle (ক্রোমোসোমের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থান)
Anaphase A is for Apart (ক্রোমাটিড পৃথক হয়ে সরে যাওয়া)
Telophase T is for Two (দুটি কোষের জন্য)
100%
chart
(ii) সাইটোকাইনেসিস (Cytokinesis): টেলোফেজ পর্যায়ের শেষের
দিকে সাইটোকাইনেসিস আরম্ভ হয় বিভাজনরত কোষের সাইটোপ্লাজম
দু'ভাগে বিভক্ত হওয়াই সাইটোকাইনেসিস।
উদ্ভিদকোষে সাইটোকাইনেসিস
ঘটে কোষপ্লেট ও কোষ প্রাচীর সৃষ্টির মাধ্যমে। উদ্ভিদকোষে স্পিন্ডল যন্ত্রের
বিষুবীয় অঞ্চল ক্রমশ প্রশস্ত হয়ে কোষ প্রাচীরকে স্পর্শ করে।
সূত্রগুলো অদৃশ্য
হয়ে যায়। এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম থেকে আসা ফ্র্যাগমোপ্লাস্ট এবং ক্ষুদ্র
ভেসিকল মিলিত হয়ে কোষপ্লেট তৈরি করে।
বিষুবীয় অঞ্চলেই
লাইসোসোমের ন্যায় ফ্র্যাগমোসোম জমা হয় এবং পরে এরা মিলিত হয়ে
প্লাজমালেমা (plasmalema) নামক ঝিল্লির সৃষ্টি করে।
এরা কোষপ্লেট সৃষ্টিতে
সাহায্য করে। কোষপ্লেটের ওপর সেলুলোজ, হেমিসেলুলোজ, পেকটিন ও
অন্যান্য দ্রব্য জমা হয়ে কোষ প্রাচীর গঠন করে।
কোষ প্রাচীর গঠনের ফলে
মাতৃকোষটি পরবর্তীতে দু'ভাগে ভাগ হয়ে দুটি অপত্য কোষের জন্ম হয়।
ক্রোমাটিন তত্ত
সাইটোকাইনেসিস
অপত্য নিউক্লিয়াস
-অপত্য কোষ
-নিউক্লিওলাস
কোষ প্রাচীর
ক্রোমাটিন তন্তু
-অপত্য কোষ
চিত্র ২.৬: সাইটোকাইনেসিস প্রক্রিয়া।
[ প্রাণীর ক্ষেত্রে স্পিন্ডল যন্ত্রের বিষুবীয় অঞ্চল বরাবর কোষঝিল্লিটি গর্তের ন্যায় ভেতরের দিকে ঢুকে যায় এবং এ গর্ত
সব দিক হতে ক্রমান্বয়ে গভীরতর হয়ে মাঝখানে একত্রে মিলিত হয়, ফলে কোষটি দু'ভাগে ভাগ হয়ে পড়ে।
প্রোটিন actin
এবং myosin কোষঝিল্লির খাঁজ সৃষ্টিতে সহায়তা করে।]
সাইটোকাইনেসিস না হলে (এবং ক্যারিওকাইনেসিস চলতে থাকলে) একই কোষে বহু নিউক্লিয়াসের সৃষ্টি হয়।
একে
বলা হয় মুক্ত নিউক্লিয়ার বিভাজন (free nuclear division)। ডাবের পানি মুক্ত নিউক্লিয়ার বিভাজনের ফসল।
কোনো
কোনো শৈবাল, ছত্রাক ও প্রাণিকোষে ক্যারিওকাইনেসিস ঘটে কিন্তু সাইটোকাইনেসিস ঘটে না। এর ফলে একটি কোষে বহু
নিউক্লিয়াস উৎপন্ন হয়।
এ ধরনের উদ্ভিদকোষকে সিনোসাইটিক (coenocytic) এবং প্রাণিকোষকে প্লাজমোডিয়াম
(plasmodium) বলে।
ক্যারিওকাইনেসিস ও সাইটোকাইনেসিস এর মধ্যে পার্থক্য
ক্যারিওকাইনেসিসসাইটোকাইনেসিস
১। এ পদ্ধতিতে কোষের নিউক্লিয়াসের বিভাজন ঘটে১। এ পদ্ধতিতে কোষের সাইটোপ্লাজমের বিভাজন ঘটে
২।জটিল পদ্ধতি এবং দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন২। অপেক্ষাকৃত সরল পদ্ধতি এবং কম সময়ের প্রয়োজন
সমগ্র প্রক্রিয়াটি পাঁচটি দশা, যথা-প্রোফেজ, প্রো-মেটাফেজ,
মেটাফেজ, অ্যানাফেজ এবং টেলোফেজ-এ বিভক্ত।
৩। একে কোনো পর্যায়ে বিভক্ত করা হয় না।
-8নিউক্লিয়াস বিভাজিত হয়ে দুটি অপত্য নিউক্লিয়াসে পরিণত হয়৪।
সাইটোপ্লাজম সমান দুটি ভাগে বিভক্ত হয়
৫।নিউক্লিয়াসের সংখ্যা বৃদ্ধি ঘটে৫। কোষের সংখ্যা বৃদ্ধি ঘটে
৬।ক্যারিওকাইনেসিস সাইটোকাইনেসিসের আগে ঘটে৬। সাইটোকাইনেসিস ক্যারিওকাইনেসিসের পরে ঘটে




100/। ।







CS CamScanner