সৃষ্টির উদ্দেশ্যে কিছু কর্মী ও পুরুষ মৌমাছিসহ অন্যত্র গমন করে।
ভবিষ্যৎ রাণীর লার্ভাগুলো তরুণ কর্মী মৌমাছির
গলবিলীয় ও ম্যান্ডিবুলার গ্রন্থি থেকে ক্ষরিত নাইট্রোজেন সমৃদ্ধ রাজকীয় জেলি (royal jelly) খেয়ে বড় হয়, ফলে রাণী
মৌমাছিতে রূপান্তরিত হয়।
এ ঘটনাকে সুপার সিডিওর (super sedure) বলে। ১৬ দিনের মধ্যে মৌমাছিরা রাণীকে
পূর্ণাঙ্গ করে তোলে।
নতুন রাণী বেরিয়ে মৌচাকে বিকাশরত অন্যান্য রাণীদের হুল ফুটিয়ে হত্যা করে।
একই সময়ে দুটি
নতুন রাণী বের হলে এরা মরণযুদ্ধে (duel to the death) লিপ্ত হয়।
যুদ্ধে জয়ী রাণী কলোনির সার্বিক দায়িত্বভার গ্রহণ
করে।
রাণী মৌমাছি অধিকাংশ সময় মৌচাকের মধ্যে অবস্থান করে। কেবল সঙ্গম উড্ডয়ন (nauptial flight)-এর সময়
মৌচাক থেকে বেরিয়ে আসে।
এরা জীবনে একবার কয়েকশ পুরুষের সাথে সঙ্গমে অংশগ্রহণ করে অসংখ্য শুক্রাণু গ্রহণ
করে যা সারাজীবন ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করে।
রাণী মৌমাছি ৩-৫ বছর বাঁচে।
কাজ: রাণী মৌমাছির প্রধান কাজ ডিম পাড়া। জীবদ্দশায় একটি রাণী মৌমাছি প্রায় দেড় লক্ষ ডিম পাড়ে।
এটি
কলোনির প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করে। এর মস্তক থেকে ক্ষরিত তরল ফেরোমন (Pheromone = Oxydecenoid
acid) মৌচাকের বিভিন্ন সদস্যদের সংঘবদ্ধ রাখতে সাহায্য করে।