নগ্ন থাকে। শরীরের সংবেদনশীল ত্বক যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে জন্য বাসা নির্মাণের মাল-মসলার মধ্যে সরু আঁশ, শুকনো
পাতা ইত্যাদি থাকে, সে সঙ্গে চলে বিরামহীন শাবকগুলোকে আগলে রাখার চেষ্টা করা।
রাতে সারাক্ষণ স্ত্রী পাখি বাসায়
বসে থাকে, পুরুষ পাখি বাসার কাছাকাছি ডালে বসে পাহারায় থাকে।
১৫-২০ দিন পর্যন্ত পানকৌড়ি শাবকদের আগলে
রাখে। এক মাসের মধ্যেই পানকৌড়ির শাবক নীড় ছেড়ে স্বাধীন জীবন যাপনে সক্ষম হয়ে উঠে।