পরিযায়ী পাখিরা নিজস্ব গমনপথ ধরে এগিয়ে চলে। এ পথ অনেক সময় একই থাকে।
পাখির বিভিন্ন গমন পথের মধ্যে রয়েছে সমুদ্র, উপকূলীয় নদী ও নদী-বিধৌত ভুখন্ড ও পার্বত্য পথ।
সমুদ্র পথ সাধারণত
সামুদ্রিক পাখিরা ব্যবহার করে। কিছু স্থলচর পাখি সমুদ্র পথে ৪০০ মাইল পর্যন্ত অতিক্রম করে যায়, কিন্তু মধ্যবর্তী কোন
স্থানে দ্বীপ থাকলে তারা আরও বেশি পথ অতিক্রম করতে পারে।
বিশেষ করে জলচর পাখিরা উপকূলীয় পথ ধরে
পরিযায়ী হয়। সমতল থেকে পাহাড়ে এবং পাহাড় থেকে সমতলে গমনাগমনের সময় পরিযায়ী পাখি নদী ও নদীবিধৌত
ভূখন্ডকে গমনপথ হিসেবে বেছে নেয়।
এশিয়ার বড় নদীগুলো পরিযানের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। খুব কম পাখিই পর্বত
অতিক্রম করে।
পর্বতগুলো পরিযায়ী পাখিদের নির্দেশক চিহ্ন হিসেবে কাজ করে, তবে কিছু জলচর পাখিতে হিমালয়
পর্বত অতিক্রম করতেও দেখা যায়।
ঐ পাখিদের জন্য এটি একটি গমন পথ।