সকল কন্টেন্টে ফিরে যান

জেনেটিক কোড

B_1st_hasan_biology_haters_4_18.jpg
ইমেজ: B_1st_hasan_biology_haters_4_18.jpg
কোষ বিভাজন
৮৩
Sea Urchin-এর ডিমের প্রোটিন সংশ্লেষণ নিয়ে কাজ করতে গিয়ে Timothy Hunt (1982) দৈবক্রমে বা অপ্রত্যাশিতভাবে সাইক্লিন প্রোটিন (তিনিই এই নাম দেন) আবিষ্কার করেন।
এজন্য Hunt এবং সাথে Lee Hartwell ও Paul Nurse-কে ২০০১ সালে নোবেল প্রাইজ দেয়া হয়।
Hartwell ঈস্ট কোষে এমন জিনের সন্ধান পান যা কোষচক্র শুরু করে বলে ধরে নেয়া হয়।
Nurse অন্য প্রজাতির ঈস্ট কোষে এমন জিনের সন্ধান পান যা মিউটেট হলে কোষচক্র বন্ধ করতে অথবা সময়ের আগে কোষ বিভাজন শুরু করতে পারে।
জীব জীবনে ইন্টারফেজ-এর গুরুত্ব: জীব জীবনে কোষের ইন্টারফেজ পর্যায় অতীব গুরুত্বপূর্ণ।
(i) কোষটি পরবর্তী কোষ বিভাজনে অংশগ্রহণ করবে কিনা তা ইন্টারফেজ-এর প্রথম দিকেই ঠিক হয়।
(ii) পরবর্তী কোষ বিভাজনের জন্য প্রোটিন, RNA ও DNA রেপ্লিকেশনের সকল উপাদান তৈরি হয়।
☑ (iii) DNA রেপ্লিকেটেড হয়।
(iv) কোষ বিভাজনের প্রয়োজনীয় স্পিন্ডল তন্ত্র তৈরির জন্য মাইক্রোটিউবিউলস সৃষ্টি হয়।
(v)
কোষ বিভাজনের প্রয়োজনীয় শক্তি (ATP) তৈরি হয়।
(vi) ইন্টারফেজ পর্যায় না থাকলে বিভাজন পর্যায় সম্পন্ন হবে না। বিভাজন প্রক্রিয়া না থাকলে কোষের সংখ্যাবৃদ্ধি, জীবের পূর্ণাঙ্গ গঠন ও বিকাশ হবে না, অর্থাৎ নতুন জীবই সৃষ্টি হবে না।
জীব জীবনে কোষচত্রের গুরুত্ব/তাৎপর্য: ইন্টারফেজ ও মাইটোটিক কোষ বিভাজন পর্যায়ক্রমিকভাবে এসে কোষ চক্র সম্পন্ন করে। কোষচক্রের গুরুত্ব অসীম।
(i)
(ii)
(iii)
(iv)
কোষচক্র না হলে এককোষী বা বহুকোষী কোনো জীবেরই বংশবৃদ্ধি হবে না।
কোষচক্রের ইন্টারফেজ-এর প্রস্তুতির কারণেই মাইটোসিস হয়, আর মাইটোসিস বহুকোষী জীবের বৃদ্ধি ও বিকাশ ঘটায়, প্রজনন-অঙ্গ তৈরি করে এবং ক্ষয়পূরণ করে।
প্রতিটি জীবে স্বাভাবিক কোষচক্র ঐ জীবের স্বাভাবিক বৃদ্ধি সম্পন্ন করে।
অস্বাভাবিক অর্থাৎ অনিয়ন্ত্রিত কোষচক্র জীবদেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশ ব্যাহত করে। এমনকি ক্যান্সার রোগ সৃষ্টি করে থাকে।
(খ) M-Phase বা মাইটোটিক ফেজ কোষচক্র G₂ ফেজ থেকে মাইটোসিস বা বিভাজন পর্যায়ে প্রবেশ করে।
একটি জটিল প্রক্রিয়ায় নিউক্লিয়াসের বিভাজন ও পুনঃগঠন, সাইটোপ্লাজমের নতুন দুই কোষে গমন, সেলমেমব্রেন এবং উদ্ভিদ কোষে কোষপ্রাচীর গঠনের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ দুটি অপত্য কোষ সৃষ্টির মধ্যদিয়ে M-Phase সমাপ্ত হয়।
কোষ চক্রের মোট সময়ের মাত্র ৫-১০ ভাগ সময় ব্যয় হয় মাইটোটিক ফেজের জন্য।
স্তন্যপায়ীদের কোষ চক্র মাইটোটিক দশা ১-১.৫ ঘণ্টা স্থায়ী হয়। এভাবেই ইন্টারফেজ M-ফেজ ইন্টারফেজ চক্রাকারে চলতে থাকে।
অধুনা কোষ চক্রকে তিনটি পর্যায়ে বিভক্ত করা হয়; যথা- (ক) ইন্টারফেজ, (খ) মাইটোসিস (নিউক্লিয়াসের বিভাজন) এবং (গ) সাইটোকাইনেসিস (সাইটোপ্লাজমের বিভাজন)।
ইন্টারফেজM-phase
১। এটি কোষ বিভাজনের প্রস্তুতি দশা১। এটি কোষের প্রকৃত বিভাজন দশা
২। কোষচক্রের ৯০-৯৫% সময় এখানে ব্যয় হয়২। কোষ চক্রের ৫-১০% সময় এখানে ব্যয় হয়

৩। এ দশায় কোষীয় সংগঠনের বৃদ্ধি এবং সংখ্যাগত বৃদ্ধি ঘটে %
৩। এ দশায় কোষীয় সংগঠনের বিস্তার ও বিভাজন ঘটে
৪। এ দশায় বংশগতীয় বস্তু ক্রোমাটিন হিসেবে থাকে৪। এ দশায় বংশগতীয় বস্তু ক্রোমোসোম হিসেবে থাকে


ইন্টারফেজ এবং M. phase এর মধ্যে পার্থক্য
। । । । । ।
মাইটোসিস (Mitosis)
: সম্পূর্ণ বিভাজন প্রক্রিয়া দুটি প্রধান ভাগে বিভক্ত; যথা- (i) ক্যারিওকাইনেসিস (Karyokinesis) বা মাইটোসিস- মাইটোসিস প্রক্রিয়া চলাকালে নিউক্লিয়াসের বিভাজন ও (ii) সাইটোকাইনেসিস (Cytokinesis)- মাইটোসিসের শেষ দিকে সাইটোপ্লাজমের বিভাজন।
(i) ক্যারিওকাইনেসিস (Karyokinesis): মাইটোসিস বলতে মূলত ক্যারিওকাইনেসিসকেই বোঝানো হয়ে থাকে।
মাইটোসিস কোষ বিভাজনে মাতৃকোষের নিউক্লিয়াস থেকে দুটি অপত্য নিউক্লিয়াস সৃষ্টি হওয়াকে ক্যারিওকাইনেসিস বলে।
harrt
100
CS CamScanner