আচরণ ও বংশগতির মধ্যে সম্পর্ক (Relation between Behaviour and Heredity)
মানব ইতিহাসের গোড়ার দিকে DNA-র উত্তরাধিকার কিংবা জিনগত তথ্য থেকে শারীরিক, শারীরবৃত্তিক বা
আচরণগত অনুবাদের পদ্ধতি সবকিছু ছিল অজানা।
কিন্তু তা সত্ত্বেও আদি মানুষ তাদের স্বতঃলব্ধ জ্ঞান দিয়ে বুঝতে
পেরেছে যে উত্তরাধিকার কোনো না কোনোভাবে আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করে।
যৌন মিলন নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে তারা মানুষের
উপকারী পশু-পাখি পোষ মানিয়ে গৃহপালিত করতে পেরেছে।
গবাদি পশু, পাখি, কুকুর প্রভৃতির আচরণ দেখলেই বোঝা
যাবে প্রাণিগুলো ওদের বন্য পূর্বপুরুষ থেকে কতোখানি ভিন্ন।
মানব ইতিহাসে উন্নয়নের ধারার অন্যতম প্রধান উপাদান
হচ্ছে নির্বাচনমূলক প্রজনন সম্বন্ধে সঠিক সিদ্ধান্ত ও প্রাণী বাছাই বিষয়টি।
অথচ উনবিংশ শতাব্দীর পূর্ব পর্যন্ত ডারউইন
ও মেন্ডেলের যুগান্তকারী আবিষ্কার ও বর্ণনা প্রকাশের আগে আমরা উন্নত প্রাণী সংগ্রহ ও রক্ষণাবেক্ষণ প্রক্রিয়ার মূল রহস্য
জানতে পারিনি।
বর্তমান সময়ে খুব সহজেই জানতে পারছি যে, জিন ও পরিবেশ উভয়ই আচরণকে প্রভাবিত করে।
আচরণে এ দুই
উপাদানের মিথস্ক্রিয়া নিয়ে বিজ্ঞানীদের গবেষণা অব্যাহত রয়েছে। জিনের প্রভাবে প্রাণীর শারীরিক ও শারীরবৃত্তিক যে