
কোষ ও এর গঠন
44
আদি কোষের DNA বৃত্তাকার, এতে কোনো প্রান্ত বা মাঝ নেই, তাই যেকোনো এক জায়গায় রেপ্লিকেশন শুরু হয় এবং
রেপ্লিকেশন ফর্ক দু দিকে সরে গিয়ে মাঝামাঝি স্থানে মিলিত হয়ে দ্রুত রেপ্লিকেশন শেষ হয়।
ব্যাকটেরিয়ার বৃত্তাকার DNA
রেপ্লিকেশনে প্রতি মিনিটে দশ লক্ষ পর্যন্ত বেসপেয়ার যুক্ত হতে পারে। প্রকৃতকোষের DNA লম্বা সূত্রাকার।
এর দুটি প্রান্ত
থাকে। তাছাড়া প্রকৃতকোষের DNA-এর রেপ্লিকেশন গতি কম, মিনিটে ৫০০-৫০০০ পর্যন্ত বেসপেয়ার যুক্ত হতে পারে।
এ
কারণে প্রকৃতকোষের লম্বা সূত্রাকার DNA-এর কোনো প্রান্তেই রেপ্লিকেশন শুরু হয় না, রেপ্লিকেশন শুরু হয় সুত্রের মাঝে
মাঝে একই সাথে বহু জায়গায় (ড্রসোফিলাতে ৫০০০০ জায়গায়)।
DNA অণুর রেপ্লিকেশনের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ: (i) একটি ছাঁচ, (ii) অসংখ্য নিউক্লিওটাইড ট্রাইফসফেট
(dATP, dGTP, dTTP এবং dCTP; d = deoxyribose), (iii) নিউক্লিওটাইডের মধ্যে বন্ড সৃষ্টির জন্য প্রচুর শক্তি, যা
ট্রাইফসফেট থেকে আসে;
(iv) গুরুত্বপূর্ণ কিছু এনজাইম ও সহযোগী প্রোটিন যাদেরকে একত্রে বলা হয় রেপ্লিকেশন
কমপ্লেক্স বা রেপ্লিসোম (Replication complex or replisome).
রেপ্লিসোমের প্রধান এনজাইম হলো DNA পলিমারেজ। এ
ছাড়াও আছে হেলিকেজ, প্রাইমেজ, সিঙ্গেল স্ট্র্যান্ড বাইন্ডিং প্রোটিন (SSBP), গাইরেজ, টপোআইসোমারেজ ইত্যাদি।