সকল কন্টেন্টে ফিরে যান

Rh ফ্যাক্টর (Rh Factor)

Zoology-Azmol-2025-Unmesh-Chapter - 11_5_3.jpg
ইমেজ: Zoology-Azmol-2025-Unmesh-Chapter - 11_5_3.jpg
১৯৪০ সালে কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার এবং উইনার (Karl Landsteiner and Wiener) রেসাস বানরের (Macaca
mulatta) রক্ত খরগোসের শরীরে প্রবেশ করিয়ে খরগোসের রক্তরসে এক ধরনের অ্যান্টিবডি উৎপাদনে সক্ষম হন।

ফলাফল থেকে বিজ্ঞানী দুজন ধারণা করেন যে মানুষের লোহিত কণিকার ঝিল্লিতে রেসাস বানরের লোহিত কণিকার
ঝিল্লির মতো এক প্রকার অ্যান্টিজেন রয়েছে।
রেসাস বানরের নাম অনুসারে ঐ অ্যান্টিজেনকে রেসাস ফ্যাক্টর (Rhesus
factor) বা সংক্ষেপে Rh factor বলে।
লোহিত রক্তকণিকার প্লাজমামেমব্রেনে Rh ফ্যাক্টরের উপস্থিতি-অনুপস্থিতির ভিত্তিতে রক্তের শ্রেণিব??ন্যাসকে Rh ব্লাড
গ্রুপ বলে।
Rh ফ্যাক্টরবিশিষ্ট রক্তকে \(Rh^{+}\) (Rh পজিটিভ) এবং Rh ফ্যাক্টরবিহীন রক্তকে \(Rh^{-}\) (Rh নেগেটিভ) রক্ত বলে।
বিজ্ঞানী Fisher মত প্রকাশ করেন যে, Rh ফ্যাক্টর মোট ৬টি সাধারণ অ্যান্টিজেনের সমষ্টি বিশেষ।
এদের ৩
জোড়ায় ভাগ করা যায়, যেমন-C, c; D, d; E, e।
এদের মধ্যে C, D, E হচ্ছে মেন্ডলীয় প্রকট এবং c, d, e হচ্ছে
মেন্ডেলীয় প্রচ্ছন্ন।
মানুষের লোহিত কণিকায় এক সংগে ৩টি অ্যান্টিজেন থাকে কিন্তু প্রতি জোড়ার দুটি উপাদান কখনও
একসাথে থাকে না, যেমন-CDE, CDe, cDE এমন সন্নিবেশ সম্ভব, CDd অসম্ভব।
মেন্ডেলীয় প্রকট অ্যান্টিজেন (C, D,
E) যে রক্তে থাকে তাকে \(Rh^{+}\) রক্ত বলে।
যে রক্তে মেন্ডেলীয় প্রচ্ছন্ন অ্যান্টিজেন (c, d, e) থাকে তাকে \(Rh^{-}\) রক্ত বলে।
বিভিন্ন ব্লাডগ্রুপের বৈশিষ্ট্য

|ব্লাডগ্রুপ
|যে গ্রুপকে রক্ত দান করতে পারে
|যে গ্রুপ থেকে রক্ত গ্রহণ করতে পারে
|\(A^{+}\)
|\(A^{+},AB^{+}\)
|\(A^{+}, A^{-}, O^{+}, O^{-}\)
|\(B^{+}\)
|\(B^{+},AB^{+}\)
|\(B^{+}, B^{-}, O^{+}, O^{-}\)
|\(AB^{+}\)
|\(AB^{+}\)
|সব গ্রুপের
|\(O^{+}\)
|\(O^{+}, A^{+}, B^{+}, AB^{+}\)
|\(O^{+}, O^{-}\)
|\(A^{-}\)
|\(A^{+}, A^{-}, AB^{+}, AB^{-}\)
|\(A^{-}, O^{-}\)
|\(B^{-}\)
|\(B^{+}, B^{-}, AB^{+}, AB^{-}\)
|\(B^{-},O^{-}\)
|\(AB^{-}\)
|\(AB^{+}, AB^{-}\)
|\(AB^{-}, A^{-}, B^{-}, O^{-}\)
|\(O^{-}\)
|সব গ্রুপকে
|\(O^{-}\)