","আদিকোষ
"
"১। নিউক্লিয়াস


২। DNA


৩। আবরণীবেষ্টিত অঙ্গাণু


৪। রাইবোসোম
","অগঠিত, অর্থাৎ এতে কোনো
আবরণী ঝিল্লি, নিউক্লিওপ্লাজম ও




নিউক্লিয়াস

১।


নিউক্লিওলাস থাকে না। DNA অঞ্চলকে


নিউক্লিওয়েড বলে


DNA বৃত্তাকার, ১টি, এতে কোনো
হিস্টোন প্রোটিন থাকে না, তাই একে
সত্যিকার ক্রোমোসোম বলা যায় না।
৩। আবরণীবেষ্টিত কোনো অঙ্গাণু থাকে না।


২।


শুধু রাইবোসোম থাকে।


৪। রাইবোসোম 70 S (50 S +30 S)
",,"প্রকৃতকোষ
১। নিউক্লিয়াস সুগঠিত, অর্থাৎ একটি ভবল
আবরণী ঝিল্লি দ্বারা পরিবেষ্টিত অবস্থায়
সেক্রামোসোম, নিউক্লিওপ্লাজম ও নিউক্লিওলাদ
অবস্থান করে।
IDNA সুত্রাকার, একাধিক, হিস্টোন
২।
প্রোটিনের সাথে মিলিতভাবে প্রকৃত
ক্রোমোসোম হিসেবে অবস্থান করে।
৩। 'আবরণীবেষ্টিত অঙ্গাণু যেমন- মাইটোকন্ড্রিয়া
ও অন্যান্য অঙ্গাণু থাকে।
। রাইবোসোম 80 S (60 S +405)




"



"৫। সাইটোস্কেলিটন
","৫। সাইটোস্কেলিটন থাকে না
","সাইটোস্কেলিটন থাকে


৫।
"
"৬। RNA পলিমারেজ
","৬। এক প্রকার
","তিন প্রকার


৬।
"
"৭। অপেরন
","৭। অপেরন থাকে
","অপেরুন থাকে না


৭।
"
"৮। জিনের গঠন
","৮। ইন্ট্রনস নেই
","ইন্ট্রনস আছে


৮।
"
"৯। কোষ বিভাজন
","৯। অ্যামাইটোসিস প্রক্রিয়ায়
","মাইটো সিস ও মায়োসিস প্রক্রিয়ায়


৯।
"
"১০। শ্বসন
","১০। অবাত শ্বসন ঘটে
","১০। সবাত শাসন ঘটে।
"
"১১। ট্রান্সলেশন
","১২। ট্রান্সক্রিপশনের সাথে সাথেই শুরু হয়
","১১। ট্রান্সক্রিপ শনের পর বেশ বিলম্বে শুরু হয়
"
জীববিজ্ঞান-প্রথম পত্র
আদিকোষ ও প্রকৃতকোষের মধ্যে পার্থক্য













কাজ: শিক্ষক, শিক্ষার্থীদেরকে কমপক্ষে দু'টি দলে ভাগ করে দিবেন। শিক্ষার্থীগণ আদিকোষ ও প্রকৃতকোষের পার্থক্য
পাশাপাশি ছকে লিখবেন।
দুই দলের তৈরিকৃত ছকের ওপর ভিত্তি করে শেষ দশ মিনিট শিক্ষক একটি চূড়ান্ত ছক তৈরি
করে দিবেন।
ছক তৈরিকালে কোষের নিউক্লিয়ার বৈশিষ্ট্য, রাইবোসোম, 'অন্যান্য অঙ্গাণু, DNA, কোষবিভাজন ইত্যাদি
বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে।
(৩) প্রকৃতকোষী জীবদেহে সুগঠিত নিউক্লিয়াসের ভিত্তিতে উদ্ভিদ ও প্রাণিকোষের গঠন এক হলেও এদের মধ্যে সামান্য
কিছু পার্থক্য রয়েছে।
এজন্য উদ্ভিদকোষ ও প্রাণিকোষ দুটি আলাদা বৈশিষ্ট্যের কোষ।
(ক) উদ্ভিদকোষ: কোষের বাইরে শক্ত, সেলুলোজ নির্মিত কোষ প্রাচীর থাকে। পরিণত যেচাষে কেন্দ্রে বড়ো কোষগহ্বর
ও সাইটোপ্লাজমে ক্লোরোপ্লাস্ট থাকে।
পরিণত কোষের গঠন 'সাধারণত গোলাকার, ডিম্বাকার হয়ে থাকে। সঞ্চিত খাদ্য
শ্বেতসার (starch)। সাধারণত সেন্ট্রোসোম থাকে না।
(খ)
প্রাণিকোষ: এদের কোষে কোষ প্রাচীর থাকে না এবং কোষগহ্বর অনুপস্থিত, থাকালেও অতি ক্ষুদ্রাকৃতির,
ক্লোরোপ্লাস্ট অনুপস্থিত। কোষে সেন্ট্রোসোম থাকে।
সঞ্চিত, খাদ্য চর্বি ও গ্লাইকোজেন।
স্টেম সেল (Stem Cells): আমরা সবাই জানি, একটি মাত্র জাইগোট কোষ অসংখ্যবার বিভাজিত হয়ে শেষ পর্যন্ত
একটি বিশাল দেহের পূর্ণাঙ্গ মানুষ তৈরি হয়।
ঐ কোষ থেকেই ভিন্ন ভিন্ন পথে হৃৎপিণ্ড, ফুসফুস, বৃক্ক, অস্ত্র, লিভার ইত্যাদি
অঙ্গ তৈরি হয়।
জাইগোট ও ভ্রূণের প্রাথমিক কোষগুলোকে ১৯ শতকে নাম দেওয়া হয় স্টেম সেল।
এর অর্থ হলো পূর্ণাঙ্গ
দেহের সকল টিস্যু ঐ ভ্রূণ কোষগুলো থেকেই সৃষ্টি হয়েছে (all the tissues of the adult stem from the early embryo
cell).
স্টেম সেলের দুটি গুণের বা বৈশিষ্ট্যের কারণে গবেষকগণ ঐ কোষ নিয়ে মাথা ঘামান।
(i) বারবার, অসংখ্যবার বিভাজিত হতে পারার ক্ষমতা-এর ফলে দেহের কোনো হারানো বা ক্ষতিগ্রস্ত কোষ
পুনঃপ্রবর্তিত হতে পারে।
(ii) স্টেম কোষগুলো পুরোপুরি পার্থক্যমণ্ডিত (differentiated) নয়। এরা বিভিন্ন পথে পার্থক্যমণ্ডিত হয়ে বিভিন্ন প্রকার
সেল, টিস্যু তৈরি করতে পারে।

"> ","আদিকোষ
"
"১। নিউক্লিয়াস


২। DNA


৩। আবরণীবেষ্টিত অঙ্গাণু


৪। রাইবোসোম
","অগঠিত, অর্থাৎ এতে কোনো
আবরণী ঝিল্লি, নিউক্লিওপ্লাজম ও




নিউক্লিয়াস

১।


নিউক্লিওলাস থাকে না। DNA অঞ্চলকে


নিউক্লিওয়েড বলে


DNA বৃত্তাকার, ১টি, এতে কোনো
হিস্টোন প্রোটিন থাকে না, তাই একে
সত্যিকার ক্রোমোসোম বলা যায় না।
৩। আবরণীবেষ্টিত কোনো অঙ্গাণু থাকে না।


২।


শুধু রাইবোসোম থাকে।


৪। রাইবোসোম 70 S (50 S +30 S)
",,"প্রকৃতকোষ
১। নিউক্লিয়াস সুগঠিত, অর্থাৎ একটি ভবল
আবরণী ঝিল্লি দ্বারা পরিবেষ্টিত অবস্থায়
সেক্রামোসোম, নিউক্লিওপ্লাজম ও নিউক্লিওলাদ
অবস্থান করে।
IDNA সুত্রাকার, একাধিক, হিস্টোন
২।
প্রোটিনের সাথে মিলিতভাবে প্রকৃত
ক্রোমোসোম হিসেবে অবস্থান করে।
৩। 'আবরণীবেষ্টিত অঙ্গাণু যেমন- মাইটোকন্ড্রিয়া
ও অন্যান্য অঙ্গাণু থাকে।
। রাইবোসোম 80 S (60 S +405)




"



"৫। সাইটোস্কেলিটন
","৫। সাইটোস্কেলিটন থাকে না
","সাইটোস্কেলিটন থাকে


৫।
"
"৬। RNA পলিমারেজ
","৬। এক প্রকার
","তিন প্রকার


৬।
"
"৭। অপেরন
","৭। অপেরন থাকে
","অপেরুন থাকে না


৭।
"
"৮। জিনের গঠন
","৮। ইন্ট্রনস নেই
","ইন্ট্রনস আছে


৮।
"
"৯। কোষ বিভাজন
","৯। অ্যামাইটোসিস প্রক্রিয়ায়
","মাইটো সিস ও মায়োসিস প্রক্রিয়ায়


৯।
"
"১০। শ্বসন
","১০। অবাত শ্বসন ঘটে
","১০। সবাত শাসন ঘটে।
"
"১১। ট্রান্সলেশন
","১২। ট্রান্সক্রিপশনের সাথে সাথেই শুরু হয়
","১১। ট্রান্সক্রিপ শনের পর বেশ বিলম্বে শুরু হয়
"
জীববিজ্ঞান-প্রথম পত্র
আদিকোষ ও প্রকৃতকোষের মধ্যে পার্থক্য













কাজ: শিক্ষক, শিক্ষার্থীদেরকে কমপক্ষে দু'টি দলে ভাগ করে দিবেন। শিক্ষার্থীগণ আদিকোষ ও প্রকৃতকোষের পার্থক্য
পাশাপাশি ছকে লিখবেন।
দুই দলের তৈরিকৃত ছকের ওপর ভিত্তি করে শেষ দশ মিনিট শিক্ষক একটি চূড়ান্ত ছক তৈরি
করে দিবেন।
ছক তৈরিকালে কোষের নিউক্লিয়ার বৈশিষ্ট্য, রাইবোসোম, 'অন্যান্য অঙ্গাণু, DNA, কোষবিভাজন ইত্যাদি
বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে।
(৩) প্রকৃতকোষী জীবদেহে সুগঠিত নিউক্লিয়াসের ভিত্তিতে উদ্ভিদ ও প্রাণিকোষের গঠন এক হলেও এদের মধ্যে সামান্য
কিছু পার্থক্য রয়েছে।
এজন্য উদ্ভিদকোষ ও প্রাণিকোষ দুটি আলাদা বৈশিষ্ট্যের কোষ।
(ক) উদ্ভিদকোষ: কোষের বাইরে শক্ত, সেলুলোজ নির্মিত কোষ প্রাচীর থাকে। পরিণত যেচাষে কেন্দ্রে বড়ো কোষগহ্বর
ও সাইটোপ্লাজমে ক্লোরোপ্লাস্ট থাকে।
পরিণত কোষের গঠন 'সাধারণত গোলাকার, ডিম্বাকার হয়ে থাকে। সঞ্চিত খাদ্য
শ্বেতসার (starch)। সাধারণত সেন্ট্রোসোম থাকে না।
(খ)
প্রাণিকোষ: এদের কোষে কোষ প্রাচীর থাকে না এবং কোষগহ্বর অনুপস্থিত, থাকালেও অতি ক্ষুদ্রাকৃতির,
ক্লোরোপ্লাস্ট অনুপস্থিত। কোষে সেন্ট্রোসোম থাকে।
সঞ্চিত, খাদ্য চর্বি ও গ্লাইকোজেন।
স্টেম সেল (Stem Cells): আমরা সবাই জানি, একটি মাত্র জাইগোট কোষ অসংখ্যবার বিভাজিত হয়ে শেষ পর্যন্ত
একটি বিশাল দেহের পূর্ণাঙ্গ মানুষ তৈরি হয়।
ঐ কোষ থেকেই ভিন্ন ভিন্ন পথে হৃৎপিণ্ড, ফুসফুস, বৃক্ক, অস্ত্র, লিভার ইত্যাদি
অঙ্গ তৈরি হয়।
জাইগোট ও ভ্রূণের প্রাথমিক কোষগুলোকে ১৯ শতকে নাম দেওয়া হয় স্টেম সেল।
এর অর্থ হলো পূর্ণাঙ্গ
দেহের সকল টিস্যু ঐ ভ্রূণ কোষগুলো থেকেই সৃষ্টি হয়েছে (all the tissues of the adult stem from the early embryo
cell).
স্টেম সেলের দুটি গুণের বা বৈশিষ্ট্যের কারণে গবেষকগণ ঐ কোষ নিয়ে মাথা ঘামান।
(i) বারবার, অসংখ্যবার বিভাজিত হতে পারার ক্ষমতা-এর ফলে দেহের কোনো হারানো বা ক্ষতিগ্রস্ত কোষ
পুনঃপ্রবর্তিত হতে পারে।
(ii) স্টেম কোষগুলো পুরোপুরি পার্থক্যমণ্ডিত (differentiated) নয়। এরা বিভিন্ন পথে পার্থক্যমণ্ডিত হয়ে বিভিন্ন প্রকার
সেল, টিস্যু তৈরি করতে পারে।

">
সকল কন্টেন্টে ফিরে যান

আদিকোষ ও প্রকৃতকোষের মধ্যে পার্থক্য

B_1st_hasan_biology_haters_1_6.jpg
ইমেজ: B_1st_hasan_biology_haters_1_6.jpg


100%

The following table:
"বৈশিষ্ট্য
","আদিকোষ
"
"১। নিউক্লিয়াস


২। DNA


৩। আবরণীবেষ্টিত অঙ্গাণু


৪। রাইবোসোম
","অগঠিত, অর্থাৎ এতে কোনো
আবরণী ঝিল্লি, নিউক্লিওপ্লাজম ও




নিউক্লিয়াস

১।


নিউক্লিওলাস থাকে না। DNA অঞ্চলকে


নিউক্লিওয়েড বলে


DNA বৃত্তাকার, ১টি, এতে কোনো
হিস্টোন প্রোটিন থাকে না, তাই একে
সত্যিকার ক্রোমোসোম বলা যায় না।
৩। আবরণীবেষ্টিত কোনো অঙ্গাণু থাকে না।


২।


শুধু রাইবোসোম থাকে।


৪। রাইবোসোম 70 S (50 S +30 S)
",,"প্রকৃতকোষ
১। নিউক্লিয়াস সুগঠিত, অর্থাৎ একটি ভবল
আবরণী ঝিল্লি দ্বারা পরিবেষ্টিত অবস্থায়
সেক্রামোসোম, নিউক্লিওপ্লাজম ও নিউক্লিওলাদ
অবস্থান করে।
IDNA সুত্রাকার, একাধিক, হিস্টোন
২।
প্রোটিনের সাথে মিলিতভাবে প্রকৃত
ক্রোমোসোম হিসেবে অবস্থান করে।
৩। 'আবরণীবেষ্টিত অঙ্গাণু যেমন- মাইটোকন্ড্রিয়া
ও অন্যান্য অঙ্গাণু থাকে।
। রাইবোসোম 80 S (60 S +405)




"



"৫। সাইটোস্কেলিটন
","৫। সাইটোস্কেলিটন থাকে না
","সাইটোস্কেলিটন থাকে


৫।
"
"৬। RNA পলিমারেজ
","৬। এক প্রকার
","তিন প্রকার


৬।
"
"৭। অপেরন
","৭। অপেরন থাকে
","অপেরুন থাকে না


৭।
"
"৮। জিনের গঠন
","৮। ইন্ট্রনস নেই
","ইন্ট্রনস আছে


৮।
"
"৯। কোষ বিভাজন
","৯। অ্যামাইটোসিস প্রক্রিয়ায়
","মাইটো সিস ও মায়োসিস প্রক্রিয়ায়


৯।
"
"১০। শ্বসন
","১০। অবাত শ্বসন ঘটে
","১০। সবাত শাসন ঘটে।
"
"১১। ট্রান্সলেশন
","১২। ট্রান্সক্রিপশনের সাথে সাথেই শুরু হয়
","১১। ট্রান্সক্রিপ শনের পর বেশ বিলম্বে শুরু হয়
"
জীববিজ্ঞান-প্রথম পত্র
আদিকোষ ও প্রকৃতকোষের মধ্যে পার্থক্য













কাজ: শিক্ষক, শিক্ষার্থীদেরকে কমপক্ষে দু'টি দলে ভাগ করে দিবেন। শিক্ষার্থীগণ আদিকোষ ও প্রকৃতকোষের পার্থক্য
পাশাপাশি ছকে লিখবেন।
দুই দলের তৈরিকৃত ছকের ওপর ভিত্তি করে শেষ দশ মিনিট শিক্ষক একটি চূড়ান্ত ছক তৈরি
করে দিবেন।
ছক তৈরিকালে কোষের নিউক্লিয়ার বৈশিষ্ট্য, রাইবোসোম, 'অন্যান্য অঙ্গাণু, DNA, কোষবিভাজন ইত্যাদি
বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে।
(৩) প্রকৃতকোষী জীবদেহে সুগঠিত নিউক্লিয়াসের ভিত্তিতে উদ্ভিদ ও প্রাণিকোষের গঠন এক হলেও এদের মধ্যে সামান্য
কিছু পার্থক্য রয়েছে।
এজন্য উদ্ভিদকোষ ও প্রাণিকোষ দুটি আলাদা বৈশিষ্ট্যের কোষ।
(ক) উদ্ভিদকোষ: কোষের বাইরে শক্ত, সেলুলোজ নির্মিত কোষ প্রাচীর থাকে। পরিণত যেচাষে কেন্দ্রে বড়ো কোষগহ্বর
ও সাইটোপ্লাজমে ক্লোরোপ্লাস্ট থাকে।
পরিণত কোষের গঠন 'সাধারণত গোলাকার, ডিম্বাকার হয়ে থাকে। সঞ্চিত খাদ্য
শ্বেতসার (starch)। সাধারণত সেন্ট্রোসোম থাকে না।
(খ)
প্রাণিকোষ: এদের কোষে কোষ প্রাচীর থাকে না এবং কোষগহ্বর অনুপস্থিত, থাকালেও অতি ক্ষুদ্রাকৃতির,
ক্লোরোপ্লাস্ট অনুপস্থিত। কোষে সেন্ট্রোসোম থাকে।
সঞ্চিত, খাদ্য চর্বি ও গ্লাইকোজেন।
স্টেম সেল (Stem Cells): আমরা সবাই জানি, একটি মাত্র জাইগোট কোষ অসংখ্যবার বিভাজিত হয়ে শেষ পর্যন্ত
একটি বিশাল দেহের পূর্ণাঙ্গ মানুষ তৈরি হয়।
ঐ কোষ থেকেই ভিন্ন ভিন্ন পথে হৃৎপিণ্ড, ফুসফুস, বৃক্ক, অস্ত্র, লিভার ইত্যাদি
অঙ্গ তৈরি হয়।
জাইগোট ও ভ্রূণের প্রাথমিক কোষগুলোকে ১৯ শতকে নাম দেওয়া হয় স্টেম সেল।
এর অর্থ হলো পূর্ণাঙ্গ
দেহের সকল টিস্যু ঐ ভ্রূণ কোষগুলো থেকেই সৃষ্টি হয়েছে (all the tissues of the adult stem from the early embryo
cell).
স্টেম সেলের দুটি গুণের বা বৈশিষ্ট্যের কারণে গবেষকগণ ঐ কোষ নিয়ে মাথা ঘামান।
(i) বারবার, অসংখ্যবার বিভাজিত হতে পারার ক্ষমতা-এর ফলে দেহের কোনো হারানো বা ক্ষতিগ্রস্ত কোষ
পুনঃপ্রবর্তিত হতে পারে।
(ii) স্টেম কোষগুলো পুরোপুরি পার্থক্যমণ্ডিত (differentiated) নয়। এরা বিভিন্ন পথে পার্থক্যমণ্ডিত হয়ে বিভিন্ন প্রকার
সেল, টিস্যু তৈরি করতে পারে।