৬. সোয়ার্মিং ও জিনগত উন্নতি সাধন: কলোনি-বিভক্তির মাধ্যমে মৌমাছিদের বংশবৃদ্ধি ঘটে।
একটি মৌচাকে
কর্মী মৌমাছির সংখ্যাধিক্য ঘটলে স্থানাভাবসহ আরও অনেক কিছুরই অভাব দেখা দেয়।
তখন রাণী মৌমাছি কিছু কর্মী
মৌমাছির চাপে নতুন আবাস গড়ার উদ্দেশে চাকের প্রায় অর্ধেক কর্মী মৌমাছিসহ ঝাঁক বেঁধে উড়ে যায়।
এ প্রক্রিয়াকে
সোয়ার্মিং বলে। পরিত্যক্ত চাকে নতুন রাণী পরিস্ফুটিত হয়।
নতুন রাণী কয়েকটি পুরুষ অনুগামীসহ নাপসিয়াল
উড্ডয়ন-এ পুরুষ (ড্রোন) মৌমাছির পর্যাপ্ত শুক্রাণু সংগ্রহ করে চাকে ফিরে আসে।
সংগৃহীত শুক্রাণু দিয়ে রাণী আজীবন
যত ডিম পাড়ে তার সবগুলোকেই নিষিক্ত করতে পারে।
তাই রাণী জীবনে একবারই মাত্র সঙ্গমে লিপ্ত হয়। ডিম পাড়বার
সময় রাণী ইচ্ছানুযায়ী ডিম নিষিক্ত করে।
চাকের প্রয়োজনে নিষিক্ত বা অনিষিক্ত ডিম প্রসবিত হয়। অনিষিক্ত ডিম থেকে