ইমেজ: Zoology-Azmol-2025-Unmesh-Chapter - 11_2_1.jpg
পিতামাতা \(P_{1}\)
পুরুষ উদ্ভিদ
বিশুদ্ধ লম্বা X
স্ত্রী উদ্ভিদ
বিশুদ্ধ খাটো
জিনোটাইপ → TT tt
গ্যামেট → T t
\(F_{I}\) জনু → Tt
সকল উদ্ভিদ লম্বা
\(F_{1}\) জনু (লম্বা) X F₁ জনু (লম্বা)
জিনোটাইপ → Tt Tt
গ্যামেট → T t T t
\(F_{2}\) জনু → TT Tt Tt tt
লম্বা খাটো
৩টি = লম্বা; ১টি = খাটো
অনুপাত = ৩ : ১
চিত্র ১১.১.৪. ক: মেণ্ডেলের প্রথম সূত্র
চিত্র ১১.১.৪.খ: ছবির মাধ্যমে মেণ্ডেলের প্রথম সূত্রের ব্যাখ্যা
মেণ্ডেলের মতে, প্রতিটি বৈশিষ্ট্যের জন্য দুটি ফ্যাক্টর নির্দিষ্ট, তাই- লম্বা গাছের জিনোটাইপ = TT এবং খাটো গাছের জিনোটাইপ =tt জননকোষ সৃষ্টির সময় ফ্যাক্টরগুলি পৃথক হয়ে যায়, অতএব লম্বা গাছের জননকোষে ফ্যাক্টর " এবং খাটো গাছের জননকোষে ফ্যাক্টর " প্রবেশ করবে। প্রথম সংকর পুরুষ বা F₁ জনুতে রেণু ও ডিম্বকের মিশ্রণের ফলে সৃষ্ট বংশধরদের (Tt) সকলেই লম্বা বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন করে। এখানে " ফ্যাক্টরটি প্রকট এবং " ফ্যাক্টরটি প্রচ্ছন্ন। অতঃপর \(F_{1}\) জনুর বংশধরদের মধ্যে সংকরায়ন ঘটানো হলো। যেহেতু এরা দুধরনের ফ্যাক্টরই (Tt) বহন করে তাই জননকোষ (গ্যামেট) সৃষ্টির সময় অর্ধেক জননকোষে " এবং অর্ধেক কোষে " ফ্যাক্টর প্রবেশ করবে। দ্বিতীয় সংকর পুরুষে বা \(F_{2}\) জনুতে ৩টি লম্বা ও ১টি খাটো মটর গাছ উৎপন্ন হবে। অতএব ফিনোটাইপ অর্থাৎ বহিরাকৃতিগত সাদৃশ্যের উপর ভিত্তি করলে \(F_{2}\) জনুতে উৎপন্ন গাছের অনুপাত দাঁড়ায় ৩ : ১। \(F_{2}\) জনুতে সৃষ্ট মটরশুঁটি উদ্ভিদের জিনোটাইপিক অনুপাত TT: Tt: tt = ১ : ২: ১ ফলাফলে দেখা যায় যে, সংকর জীবে বিপরীত বৈশিষ্ট্য দুটি মিশ্রিত না হয়ে কেবল প্রকট বৈশিষ্ট্যই প্রকাশ পায় এবং গ্যামেট সৃষ্টির সময় প্রত্যেক বৈশিষ্ট্যের জন্য দায়ী জিন পৃথক পৃথক গ্যামেটে গমন করে। যেহেতু প্রতিটি গ্যামেট কেবল কোনো বৈশিষ্ট্যের একটি অ্যালিল (ফ্যাক্টর) গ্রহণ করে সেহেতু এটি বিশুদ্ধ প্রকৃতির হয়। এজন্য একে বিশুদ্ধ গ্যামেট এবং সূত্রটিকে জননকোষ বিশুদ্ধতার সূত্র বলে।