"কিন্তু আমরা তার কথা বুঝলাম না।" -"আমার পথ" প্রবন্ধে কার কথা বলা হয়েছে?
A. জওহরলাল নেহেরু
B. মহাত্মা গান্ধী
C. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
D. নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু
সঠিক উত্তরঃ
B.
মহাত্মা গান্ধী
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'মানুষ ধর্মই সবচেয়ে বড় ধর্ম'- কার বক্তব্য?
- খোদা হাত দিয়েচেন বেহেশতি চিজ অর্জন করিয়া লইবার জন্য ্ কার অভব্যক্তি/
- মৃত্যু-ক্ষুধা' উপন্যাসটি কার লেখা?
- আমাদের পৃথিবী আমরা আমাদের মনের মতো গড়িয়া লইব। বাক্যটির রচয়িতা কে?
- 'ভুলের মধ্য দিয়েই তবে সত্যকে পাওয়া যায়।' আমার পথ গল্পে উল্লিখিত উক্তিটি দ্বারা লেখক কি বুঝাতে চেয়েছেন?
- 'যার নিজের ধর্মে বিশ্বাস আছে, যে নিজের ধর্মের সত্যকে চিনেছে, সে কখনো অন্য ধর্মকে ঘৃণা করতে পারে না।'-কোন প্রবন্ধের চরণ?
- কাজী নজরুল ইসলামের মতে, কী আমাদের নিষ্ক্রিয় করে তোলে?
- ‘আমার পথ’ প্রবন্ধটিতে কাজী নজরুল ইসলাম কোন সম্ভে দাম্ভিক হওয়ার কথা বলেছেন?
- “ভুলের মধ্য দিয়ে গিয়েই তবে সত্যকে পাওয়া যায়।- কীভাবে?
- ভারত সরকার কত সালে কাজি নজরুল ইসলাম কে কি উপাধি তে ভুষিত করেন?
- কোনো কিছু ভুল জেনেও তাকে সত্য বলে চালিয়ে দেবার প্রবণতা বা জেদকে কাজী নজরুল ইসলাম কী হিসেবে দেখেছেন?
- কাজী নজরুল ইসলামের মতে আত্মনির্ভরশীলতা আসে-
- কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস কোনটি?
- 'কুর্নিশ' শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে কোন গল্পে?
- অনেক সময় খুব বেশি বিনয়ী দেখাতে গিয়ে নিজের ......... অস্বীকার করে ফেলা হয়।' শূণ্যস্থানের যথার্থ শব্দ কোনটি?
- 'যে রাষ্ট্র হাতপাতা আর চাটুকারিতাকে দেয় প্রশ্রয়, সে রাষ্ট্র কিছুতেই আত্মমর্যাদাসম্পন্ন নাগরিক সৃষ্টি করতে পারে না।' উক্তিটি কে করেছেন?
- সবগুলো গ্রন্থই কাজী নজরুল ইসলামের- এমন গুচ্ছ নয় কোনটি?
- 'আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে।' কথাটি কোন রচনার?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধ অনুসারে সত্যকে কিসের মধ্যে পাওয়া যায়?
- ‘যার নিজের ধর্মে বিশ্বাস আছে, যে নিজের ধর্মের সত্যকে চিনেছে, সে কখনো অন্য ধর্মকে ঘৃণা করতে পারে না'- উক্তিটি কোন প্রবন্ধের ?
- আমার পথ প্রবন্ধে পথ প্রদর্শক কে?
- নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও (1-5) আমাদের দেশের শিক্ষিত মানুষ লোকধর্ম বা লোকায়ত জীবন সম্পর্কে খুব স্বাচ্ছ ধারণা পোষণ করে না। অনাচারবাদী দেহসর্বস্ত রুচিহীন বলে এঁদের থেকে বহু দুরে থাকার চেষ্টা করেছেন। মানুষের কাছাকাঠি পৌঁছে তাদের জীবনধারণ ও জীবনাচরণকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ ও অনুধাবন করতে পারলে এই ভুল বোঝাবুঝি ও দূরত্বের অবসান ঘটতে পারে। আসলে বাউল আর সহজিয়া যে একই বর্গের নয়- এ সত্যতা অনেকেরই অজানা। বাউল মতে সুফি-ইসলামী- ফকিরি মত ও তত্ত্ব সুক্ষ্মভাবে একাকার হয়ে আছে। আর সহজিয়া পথ তন্ত্র বৈষ্ণবধর্ম ও নাথপত্রের সঙ্গে অনেকটাই মিশে আছে। বিশ্বাসের স্বাতন্ত্র্য ভাবের একাত্মতাকে লঙ্ঘন করতে পারেনি। মন্দির, মসজিদ, কোরান পুরাণের বেড়া অতিক্রম করা এঁদের প্রধান কাজ। মুর্শেদ আর মারফতি পথে এঁদের গভীর আস্থা। বেদাচার, মূর্তি ও মন্ত্রের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে তাঁরা ভাবের মানুষের সন্ধানে গুরুর কাছে আত্মসমর্পণ ঐতিহ্য ও জীবন বিশ্বাসে দৃঢ় হয়েছেন। এইসব গৌণধর্মের মানুষ আত্মরক্ষার তাগিদে গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে আত্মগোপন করে থাকেন। এঁদের বাহ্যিক আচার-আচরণ সাধারণ মানুষের দৃষ্টির বাইরে সযত্নে প্রচ্ছন্ন রাখা হয় আত্মরক্ষার তাগিদেই। ভাই এদের মগ্ন ভাষার প্রাচীর নিজেদের সাধারণ মানুষের হাত থেকে রক্ষা করে। অর্থাৎ এঁরা সামাজিক সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রহেলিকা ভাষায় কথা বলে তাদের অর্ন্তজগতকে আড়াল করে রাখেন। অথচ বা???্যিক সাধারণ আচরণের মধ্য দিয়ে জনগণের সঙ্গে মিলেমিশে থাকেন। যুগে যুগে বহু গ্রামীণ মানুষ জাতিধর্ম নির্বিশেষে এই লোকায়ত ধর্মের টানে সামিল হয়েছেন। এরা উচ্চবর্ণের কোন স্বীকৃতি সহানুভুতি অর্জন করতে পারেন না বরং ঘৃণা আর উপেক্ষাই শেষ পর্যন্ত এদের শিরোধার্য হয়।নিচের কোনটি ??পরের অনুচ্ছেদের সবচেয়ে সঠিক শিরোনাম হতে পারে?
- আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে। কার উক্তি?
- নীচের কোনটি কাজী নজরুল ইসলাম এর রচিত প্রবন্ধ গ্রন্থ?
- "আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে"- উদ্ধৃতিটি কোন রচনার অন্তর্গত?