'যার নিজের ধর্মে বিশ্বাস আছে, যে নিজের ধর্মের সত্যকে চিনেছে, সে কখনো অন্য ধর্মকে ঘৃণা করতে পারে না।'-কোন প্রবন্ধের চরণ?
A. মানব-কল্যাণ
B. শিক্ষাচিন্তা
C. আমার পথ
D. বায়ান্নর দিনগুলি
সঠিক উত্তরঃ
C.
আমার পথ
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- ‘শোনো একটি মুজিবুরের থেকে লক্ষ মুজিবুরের কণ্ঠ’- এই গানের গীতিকার কে?
- নজরুলের মতে গান্ধীজি শিখিয়েছিলেন-
- ‘ ভুলের মধ্য দিয়ে গিয়ে তবেই সত্যকে পাওয়া যায় । ‘ কোন রচনার পাঠ্যাংশ?
- কাজী নজরুল ইসলাম কোনটিকে নমস্কার জানিয়েছেন?
- আমার পথ' প্রবন্ধে লেখক নিজেকে কী হিসেবে অভিহিত করেছে?
- কাজী নজরুল ইসলামের নাটক -
- কাজী নজরুল ইসলামের মতে আত্মনির্ভরশীলতা আসে-
- \______ মিথ্যা বিনয়ের চেয়ে অনেক বেশি ভালো\- বাক্যটি কোন গদ্যে বলা হয়েছে?
- কাজী নজরুল ইসলামের মতে, কী আমাদের নিষ্ক্রিয় করে তোলে?
- আপনার সত্তাকে পথপ্রদর্শক কাণ্ডারি বলে জানা—
- আমার পথ' প্রবন্ধের উপজীব্য হলো-
- ’খোদা হাত দিয়াছেন বেহেশত ও বেহেশতি চিজ অর্জন করিবার জন্য,’কার কথা?
- "কিন্তু আমরা তার কথা বুঝলাম না।" -"আমার পথ" প্রবন্ধে কার কথা বলা হয়েছে?
- যৌবনের গান' প্রবন্ধে 'তিমিরকুগুলা বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- 'মানুষ-ধর্মই সবচেয়ে বড় ধর্ম' উক্তিটি করেছেন-
- নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও (1-5) আমাদের দেশের শিক্ষিত মানুষ লোকধর্ম বা লোকায়ত জীবন সম্পর্কে খুব স্বাচ্ছ ধারণা পোষণ করে না। অনাচারবাদী দেহসর্বস্ত রুচিহীন বলে এঁদের থেকে বহু দুরে থাকার চেষ্টা করেছেন। মানুষের কাছাকাঠি পৌঁছে তাদের জীবনধারণ ও জীবনাচরণকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ ও অনুধাবন করতে পারলে এই ভুল বোঝাবুঝি ও দূরত্বের অবসান ঘটতে পারে। আসলে বাউল আর সহজিয়া যে একই বর্গের নয়- এ সত্যতা অনেকেরই অজানা। বাউল মতে সুফি-ইসলামী- ফকিরি মত ও তত্ত্ব সুক্ষ্মভাবে একাকার হয়ে আছে। আর সহজিয়া পথ তন্ত্র বৈষ্ণবধর্ম ও নাথপত্রের সঙ্গে অনেকটাই মিশে আছে। বিশ্বাসের স্বাতন্ত্র্য ভাবের একাত্মতাকে লঙ্ঘন করতে পারেনি। মন্দির, মসজিদ, কোরান পুরাণের বেড়া অতিক্রম করা এঁদের প্রধান কাজ। মুর্শেদ আর মারফতি পথে এঁদের গভীর আস্থা। বেদাচার, মূর্তি ও মন্ত্রের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে তাঁরা ভাবের মানুষের সন্ধানে গুরুর কাছে আত্মসমর্পণ ঐতিহ্য ও জীবন বিশ্বাসে দৃঢ় হয়েছেন। এইসব গৌণধর্মের মানুষ আত্মরক্ষার তাগিদে গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে আত্মগোপন করে থাকেন। এঁদের বাহ্যিক আচার-আচরণ সাধারণ মানুষের দৃষ্টির বাইরে সযত্নে প্রচ্ছন্ন রাখা হয় আত্মরক্ষার তাগিদেই। ভাই এদের মগ্ন ভাষার প্রাচীর নিজেদের সাধারণ মানুষের হাত থেকে রক্ষা করে। অর্থাৎ এঁরা সামাজিক সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রহেলিকা ভাষায় কথা বলে তাদের অর্ন্তজগতকে আড়াল করে রাখেন। অথচ বাহ্যিক সাধারণ আচরণের মধ্য দিয়ে জনগণের সঙ্গে মিলেমিশে থাকেন। যুগে যুগে বহু গ্রামীণ মানুষ জাতিধর্ম নির্বিশেষে এই লোকায়ত ধর্মের টানে সামিল হয়েছেন। এরা উচ্চবর্ণের কোন স্বীকৃতি সহানুভুতি অর্জন করতে পারেন না বরং ঘৃণা আর উপেক্ষাই শেষ পর্যন্ত এদের শিরোধার্য হয়।এই অনুচ্ছেদে কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
- আমার পথ' প্রবন্ধে কাজী নজরুল ইসলামের মতে কীভাবে আত্মনির্ভরতা আসে?
- যে চাঁদ সাগরে জোয়ার জায়গায়, সে হয়ত তাহার শক্তি সম্বন্ধে আজও না ওয়াফিক । এ বাক্যটি কোন রচনার?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধ অনুসারে সত্যকে কিসের মধ্যে পাওয়া যায়?
- "আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে"- উদ্ধৃতিটি কোন রচনার অন্তর্গত?
- নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও (1-5) আমাদের দেশের শিক্ষিত মানুষ লোকধর্ম বা লোকায়ত জীবন সম্পর্কে খুব স্বাচ্ছ ধারণা পোষণ করে না। অনাচারবাদী দেহসর্বস্ত রুচিহীন বলে এঁদের থেকে বহু দুরে থাকার চেষ্টা করেছেন। মানুষের কাছাকাঠি পৌঁছে তাদের জীবনধারণ ও জীবনাচরণকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ ও অনুধাবন করতে পারলে এই ভুল বোঝাবুঝি ও দূরত্বের অবসান ঘটতে পারে। আসলে বাউল আর সহজিয়া যে একই বর্গের নয়- এ সত্যতা অনেকেরই অজানা। বাউল মতে সুফি-ইসলামী- ফকিরি মত ও তত্ত্ব সুক্ষ্মভাবে একাকার হয়ে আছে। আর সহজিয়া পথ তন্ত্র বৈষ্ণবধর্ম ও নাথপত্রের সঙ্গে অনেকটাই মিশে আছে। বিশ্বাসের স্বাতন্ত্র্য ভাবের একাত্মতাকে লঙ্ঘন করতে পারেনি। মন্দির, মসজিদ, কোরান পুরাণের বেড়া অতিক্রম করা এঁদের প্রধান কাজ। মুর্শেদ আর মারফতি পথে এঁদের গভীর আস্থা। বেদাচার, মূর্তি ও মন্ত্রের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে তাঁরা ভাবের মানুষের সন্ধানে গুরুর কাছে আত্মসমর্পণ ঐতিহ্য ও জীবন বিশ্বাসে দৃঢ় হয়েছেন। এইসব গৌণধর্মের মানুষ আত্মরক্ষার তাগিদে গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে আত্মগোপন করে থাকেন। এঁদের বাহ্যিক আচার-আচরণ সাধারণ মানুষের দৃষ্টির বাইরে সযত্নে প্রচ্ছন্ন রাখা হয় আত্মরক্ষার তাগিদেই। ভাই এদের মগ্ন ভাষার প্রাচীর নিজেদের সাধারণ মানুষের হাত থেকে রক্ষা করে। অর্থাৎ এঁরা সামাজিক সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রহেলিকা ভাষায় কথা বলে তাদের অর্ন্তজগতকে আড়াল করে রাখেন। অথচ বাহ্যিক সাধারণ আচরণের মধ্য দিয়ে জনগণের সঙ্গে মিলেমিশে থাকেন। যুগে যুগে বহু গ্রামীণ মানুষ জাতিধর্ম নির্বিশেষে এই লোকায়ত ধর্মের টানে সামিল হয়েছেন। এরা উচ্চবর্ণের কোন স্বীকৃতি সহানুভুতি অর্জন করতে পারেন না বরং ঘৃণা আর উপেক্ষাই শেষ পর্যন্ত এদের শিরোধার্য হয়।বিশ্বাসের স্বাতন্ত্র্য ও ভাবের একাত্মতা' বলতে কি বুঝানো হয়েছে?
- ‘যার নিজের ধর্মে বিশ্বাস আছে, যে নিজের ধর্মের সত্যকে চিনেছে, সে কখনো অন্য ধর্মকে ঘৃণা করতে পারে না'- উক্তিটি কোন প্রবন্ধের ?
- ‘আমার পথ' প্রবন্ধটি কোন প্রবন্ধগ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে?
- নিচের কোনটি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত উপন্যাস?
- আমাদের পৃথিবী আমরা আমাদের মনের মতো করিয়া গড়িয়া লিইব. এর লেখক