মুনীর চৌধুরী রচিত ‘মুখরা রমণী বশীকরণ’ একটি-
A. গল্প
B. উপন্যাস
C. প্রবন্ধ
D. অনুবাদ নাটক
সঠিক উত্তরঃ
D.
অনুবাদ নাটক
Explanation: মুনীর চৌধুরীর অনুবাদ নাটক: মুখরা রমণী বশীকরণ, কেউ কিছু বলতে পারে না, রূপার কৌটা। মৌলিক নাটক: কবর, রক্তাক্ত প্রান্তর, চিঠি, দণ্ডকারণ্য, পলাশী ব্যারাক ও অন্যান্য।
Related Questions (Any University/Year)
- লোকটি এমনিতেই হুজুগে মানুষ। লোকটি কে?
- পথে তাজা ফুল ফোটে কেন?
- জীবনানন্দ দাশ বাংলাদেশের কোন শহরে জন্মগ্রহণ করেন?
- "যখন বিচারে পরাস্ত হইবে তখন গম্ভীরভাবে উপদেশ প্রদান করিবে।"- ব্যাখ্যা কর।
- ‘শিবমন্দির’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা কে?
- বৃটেনে প্রথম পাবলিক মিউজিয়াম প্রতিষ্ঠিত হয় কত শতকে?
- অর্থই অনর্থের মূল ' কোন উপন্যাসের উক্তি?
- আমার দেশের মতন এমন দেশ কি কোথাও আছেবউ কথা কও পাখি ডাকে নিত্য হিজল গাছে।দোয়ের কোয়েল কুটুম পাখি, বন-বাদাড়ে যায়রে ডাকিআছে শাপলা শালুক ঝিলে বিলে, পুকুর ভরা মাছে।হাজার তারার মানিক জ্বলে হেথায় মাটির ঘরেসবার মুখের মিষ্টি কথায় সবার হৃদয় ভরে রে।উদ্দীপকটির সাথে 'এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে' কবিতা কতটুকু সাদৃশ্যপূর্ণ বর্ণনা করো।
- ‘জুলেখার মন’ কাব্যগ্রন্হটির রচয়িতা কে?
- 'রক্তে আমার অনাদি অস্থি' কবিতার মূল প্রতিপাদ্যবিষয় কী?
- ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধে কোন অঞ্চলকে ধান ও পাটের জন্য বিখ্যাত বলা হয়েছে?
- 'সেখানে বরুণ/কর্ণফুলী ধলেশ্বরী পদ্মা জলাঙ্গীরেদেয় অবিরল জল;’–‘এই পৃথিবীতে এক স্থানআছে' কবিতার উদ্ধৃত অংশে প্রকাশ পেয়েছে—
- শিক্ষকতার দীর্ঘ জীবনে রহিম সাহেবের কাছে শিক্ষার্থীদের ধর্মীয়, সামাজিক কিংবা অর্থনৈতিক পরিচয় কখনো বড়ো হয়ে ওঠেনি। জ্ঞান চর্চার পাশাপাশি আশপাশের মানুষদের মানবতাবাদে দীক্ষিত করা ছিল তাঁর জীবনব্রত। এখন তাঁর অবসর কাটে সামাজিক আর ব্যক্তি মানুষের কল্যাণকর্মে। ধর্মীয় গোঁড়ামি কিংবা অন্ধ সংস্কারের কারণে সমাজে যখন অনাচার দেখা দেয় তখন রহিম সাহেব সর্বশক্তি দিয়ে তা প্রতিহত করার চেষ্টা করেন। তিনি তাঁর শিক্ষার্থীদের প্রায়ই চন্ডীদাসের সেই অমর উচ্চারণ মনে করিয়ে দিতেন, "সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই।"উদ্দীপকের রহিম সাহেবের জীবনানুভূতির সাথে 'সাম্যবাদী' কবিতায় প্রতিফলিত কবির জীবনদর্শনের তুলনা করো।
- ‘পূর্ববঙ্গ গীতিকা’র লোকপালাসমূহের সংগ্রাহক কে?
- সেলিম আল দীন এর নাট্যরীতির প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?
- বিদ্যাপতি কোথাকার কবি ছিলেন?
- কোনটি 'পথের দাবী' উপন্যাসের চরিত্র ?
- ইশান একজন এম.এ পাস যুবক। প্রচলিত ধ্যান-ধারণার সাথে কখনই সে একমত হতে পারে না। তাই তার বন্ধুরা যখন আচার সর্বস্ব ধর্মের আনুষ্ঠানিকতা পালন করে তখন সে মানব সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখে। সে নিজের অন্তরধর্ম থেকে অনুভব করেছে সৃষ্টিকর্তা সর্বত্র বিরাজমান। আকাশে খুঁজে তাঁকে পাওয়া যায় না। মানুষের মাঝে তাঁকে খুঁজতে হবে।ইশানের সাথে 'সাম্যবাদী' কবিতার কোথায় মিল পাওয়া যায়। ব্যাখ্যা কর।
- ‘এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে' কবিতায় বারুণীরবোস কোথায়?
- ”ওয়ারিশ” উপন্যাসটির লেখক হচ্ছেন-
- 'নকশি কাঁথার মাঠ', 'সোজন বাদিয়ার ঘাট', 'রঙিলা নায়ের মাঝি',‘রাখালি', 'বালুচর' ইত্যাদি জনপ্রিয় কাব্যের রচয়িতা কবিজসীমউদ্দীন কবিতায় নিখুঁতভাবে উপস্থাপন করেছেন গ্রামেরঅবহেলিত মানুষের প্রাত্যহিক জীবন । উদ্দীপকটির কবি জসীমউদ্দীন 'ঐকতান' কবিতার আলোকেকোন ধরনের কবি?
- শামসুদদীন আবুল কালামের 'মৌসুম' গল্পটি রচিত হয়েছে তৎকালীন জমিদারদের অধীন জনজীবনকে কেন্দ্র করে। সে সময় জমিদারদের শোষণের বিরুদ্ধে একদল সমাজরূপান্তর ও স্বাধীনতাকামীদের প্রচেষ্টায় কৃষকরা আন্দোলন শুরু করে। গল্পে দেখা যায়, দীর্ঘ খরার পর বৃষ্টির আগমনে কৃষকরা ভালো ফসল পাওয়ার আনন্দে বিভোর হয়। কৃষকদের মনের এই আনন্দ জমিদারের পছন্দ হয় না। চাল মজুদ করে দাম বাড়িয়ে কৃষকদের বেকায়দায় ফেলে দেয় জমিদার।উদ্দীপকের সাথে 'বিড়াল' রচনার গুণগত পার্থক্যগুলো তোমার যুক্তিসহ উপস্থাপন করো।
- "নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়" কাব্যনাট্যাংশে 'নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়' চরণটি ব্যবহৃত হয়েছে-
- কোনটি পিতৃতান্ত্রিক আদিবাসী সম্প্রদায়?
- বাংলার নিসর্গ প্রকৃতি এর মাঠ-ঘাট, মানুষ অতুলনীয় এবং বিশেষ আবেদনময়। যে জন এই নিসর্গ প্রকৃতি থেকে নগরের আহ্বানে সেখানে স্থায়ী বসতি গড়েন, তাকেও তার এক কালের পল্লি প্রকৃতি বারবার আকর্ষণ করে; ষড়ঋতু তার মনে আবেগের রংধনু তোলে। এর শাশ্বত কারণ হলো, মানুষ স্বভাবতই তার নিজ ভূমের প্রতি ঋণী।"প্রকৃতির চিত্র উপস্থাপনে উদ্দীপকের সাথে- জীবনানন্দ দাশ সমান পারঙ্গম।" উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।