অর্থই অনর্থের মূল ' কোন উপন্যাসের উক্তি?
A. শেষের কবিতা
B. দেবদাস
C. বিষাদসিন্ধু
D. লালসালু
সঠিক উত্তরঃ
C.
বিষাদসিন্ধু
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- নিচের কোন লেখক রাশিয়ার?
- জীবন-বন্দনা' কবিতাটি কোন্ ছন্দে রচিত?
- মসলিন কাপড়ের সুতা তৈরিতে কোন তুলা ব্যবহার করা হয়?
- 'মহাজাগতিক কিউরেটর' গল্পে মহাজাগতিক কিউরেটরকোন প্রাণীর বুদ্ধিমত্তা সম্পর্কে নিশ্চিত নয়?
- বিশ্বের অন্যতম সমৃদ্ধ চিত্রকর্মের সংগ্রহ রয়েছে কোন জাদুঘরে?
- 'কমলাকান্তের জবানবন্দি' প্রবন্ধে মোকদ্দমার ফরিয়াদির নাম-
- ‘কিত্তনখোলা’ নাটকটির রচয়িতা কে?
- মানুষ মরে গেলে পচে যায়। বেঁচে থাকতে বদলায়। কারণে অকারণে বদলায়।' এ সংলাপ কোন গ্রন্থে আছে ?
- "জীবন ও বৃক্ষ” প্রবন্ধে কোন চক্ষুকে বড় করে তুলতে বলা হয়েছে?
- গৌরী শংকর কে?
- 'উঁকি দিয়ে দিগন্ত' কোন ধরনের সাহিত্য?
- যে খেলার ভিতর আনন্দ নেই কিন্তু উপরি পাওনার আশা আছে, তার নাম খেলা নয়, ---। বাক্যটির শূন্যস্থানে মে
- ‘দেশে বিদেশে’-এর লেখক কে?
- 'মার্টিনো পড়িয়া রহিল।' বাক্যটি কোন গল্পের?
- জীবনানন্দ দাশের মায়ের নাম কী?
- ’স্বাধীনতা তুমি’ কবিতায় স্বাধীনতাকে কবি শামসুর রাহমান কার হাসির সঙ্গে তুলনা করেছেন?
- 'মানব-বন্দনা' কবিতাটি অক্ষয়কুমার বড়ালের কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে নেয়া-
- চন্ডিগড় শহরের উপকণ্ঠে বাড়ি ভাড়া নেয় সুরেশ ও কল্যাণী ব্যানার্জী। তাদের এক সন্তান শান্ত। স্বামী-স্ত্রী চাকুরিজীবী হওয়ায় শান্তাকে দেখাশোনার জন্য গ্রাম থেকে আনা হয় আট বছর বয়সী দরিদ্র অনিতাকে। সারাদিনের খাটুনিতে অনিতার শ্রান্ত শরীরে ঘুম চলে আসে সন্ধ্যারাতে। কল্যাণীর ধারণা অনিতার খাবারের পরিমাণ আরও কমালে ওর ঘুম আসবে না। তাই অনিতার খাবারের পরিমাণ কমিয়ে দেয় কল্যাণী। কম খেতে খেতে অনিতা শীর্ণকায় হয়ে পড়ে। শান্তর উচ্ছিষ্ট সে চুরি করে খায়। এটা জানতে পেরে কল্যাণী অনিতার উপর নির্যাতন চালায়, তওবা করায় এবং উপদেশ দেয় যে চুরি করে খাওয়া পাপ। ফ্রিজে ভর্তি করা খাবার, শান্ত খাওয়ার ভয়ে পালিয়ে বেড়ায় আর অনিতা শান্তর উচ্ছিষ্টের দিকে লোলুপ দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে।উদ্দীপকের অনিতা 'বিড়াল' প্রবন্ধের কোন শ্রেণিকে স্মরণ করিয়ে দেয়-ব্যাখ্যা করো।
- আব্দুল মিয়া একজন কুমোর। সাত পুরুষ ধরে তার পরিবারের সবাই এই পেশায় জড়িত। কিন্তু সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে মাটির তৈজসপত্রের চাহিদা কমে যাওয়ায় তার আর্থিক অবস্থা আর আগের মতো নেই। তবে সে ভেঙে পড়েনি। পরিবারের সকলের সহযোগিতা ও. কর্মমুখী শিক্ষা গ্রহণ করে অন্য পেশায় নিয়োজিত হয়ে সে অনেকটা আত্মনির্ভরশীল। পাশাপাশি সে সাত পুরুষের পেশাও ছাড়েনি। সময় পেলেই সে মাটির শৌখিন জিনিসপত্র তৈরি করে বিক্রি করে।উদ্দীপকের 'সময়ের পরিবর্তন' কথাটির সাথে 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধের কোন দিকটির সাদৃশ্য রয়েছে? বর্ণনা করো।
- 'চাষার দুক্ষু' রচনায় 'পাখাল' অর্থ কী?
- ‘রক্তে আমার অনাদি অস্থি' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- 'আবেস্তা' কী?
- শেষ পর্যন্ত এক কৃষজীবী পরিবারেই বিয়ে হয় ছবি রাণীর। স্বামী ধনপতির একটি উন্নত জাতের গাভি আছে; গাভির একটি ছোট্ট বাছুর আছে। সেই বাছুরকে মাতৃদুগ্ধ থেকে বঞ্চিত করে দুই বেলা গাভির সবটুকু দুধ দোহন করে নেয় ধনপতি। বাছুরকে জোরপূর্বক আটকে রেখে স্বামীকে সহায়তা করে ছবি রাণী। গাভি যেন সামান্য দুধও বাছুরের জন্য রাখতে না পারে, সেদিকে কড়া নজর তাদের। ক'দিন আগে ছবি রাণীর কোল জুড়ে আসে নবজাত ফুটফুটে এক শিশু সন্তান। এই শিশু যখন ক্ষুধায় কান্না করে, ছবি রাণী তখন পরিবারের সব কাজ ফেলে পরম মমতায় সন্তানকে মাতৃদুগ্ধদানে তৃপ্ত করে। একদিন তার শিশু সন্তানকে মাতৃদুগ্ধদানে পরিতৃপ্ত করতে গিয়ে সে অনুভব করে, মাতৃদুগ্ধ-বঞ্চিত রেখে কী নির্মম আচরণ করে যাচ্ছে তারা গাভির অসহায় বাছুরের ওপর। তারপর থেকে সে স্বামীকে এই কাজে আর সহায়তা করে না।উদ্দীপকে বিবৃত 'নির্মম আচরণ' অধিকার হরণেরই নামান্তর- উদ্দীপক ও 'বিড়াল' রচনার আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- ‘ঐকতান’ কবিতায় কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পৃথিবীকে কী বলে আখ্যায়িত করেছেন?
- “মানুষ মরে গেলে পঁচে যায়, বেঁচে থাকলে বদলায়।” এ উক্তিটি কার?